5G স্মার্ট ফোন কিনবেন ? এই মারাত্মক ভুল গুলি করবেন না ।।
Next Gen নেটওয়ার্ক অর্থাৎ ৫জি (5G) রোলআউটের আশায় অনেকদিন ধরেই আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আছি । সম্প্রতি পাওয়া খবর অনুযায়ী, এই বছরের শেষের দিকেই মানুষের কাছে ধরা দিতে পারে তাদের দীর্ঘদিনের দেখা স্বপ্ন – যা আপামর ভারতবাসীর মনে এক আশার আলো জাগিয়েছে। তবে এখনও ৫জি নেটওয়ার্কের দেখা না মিললেও বহুদিন আগেই মার্কেটে পা রেখেছে ৫জি স্মার্টফোন, এবং মানুষের মধ্যেও এই হ্যান্ডসেটগুলি কেনার আগ্রহ প্রবলভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে পরবর্তী প্রজন্মের নেটওয়ার্ক রোলআউটের গুঞ্জনও যখন আকাশে-বাতাসে চতুর্দিকে মুখরিত হচ্ছে, তখন এই আগ্রহ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়া খুবই স্বাভাবিক।
৫জি স্মার্টফোনই এখন ভারতের স্মার্টফোন বাজারে চলতি ট্রেন্ড। মিড-রেঞ্জ বা প্রিমিয়াম ক্যাটাগরির স্মার্টফোনের মধ্যে ৫জি ডিভাইসই এখন প্রথম পছন্দের। এমনকি বাজেট ফোন ব্যবহারকারীরাও এখন ৫জি স্মার্টফোন কেনার জন্য আগ্রহী হয়ে উঠছেন। এবং ইউজারদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে প্রতিনিয়তই একাধিক ব্র্যান্ড নিত্যনতুন ৫জি ফোন লঞ্চ করছে। আপনিও যদি ভালো ৫জি স্মার্টফোন কেনার প্ল্যান করে থাকেন তাহলে এক্ষেত্রে মূল বিবেচ্য বিষয়টি হল, স্মার্টফোনটি যে সত্যিই একটি ভালো ৫জি স্মার্টফোন, তা বোঝার উপায়। সেই কথাই আমরা আপনাদেরকে এই প্রতিবেদনে জানাব।
যে যে বিষয়গুলির কথা মাথায় রেখে একটি ভালো ৪জি ফোনের খোঁজ করা উচিৎ , ঠিক সেই বিষয়গুলিই ৫জি স্মার্টফোন কেনার ক্ষেত্রেও মাথায় রাখতে হবে। তবে ৫জি ফোন কেনার ক্ষেত্রে যে অতিরিক্ত বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে তা হল, ফোনটিতে কোন কোন ৫জি স্পেক্ট্রাম ব্যান্ড সাপোর্ট করে। কারণ এখনকার দিনে মার্কেটে উপলব্ধ এমন অনেক স্মার্টফোনই আছে যেগুলি ৫জি সাপোর্ট করবে বলে কোম্পানির তরফ থেকে দাবি করলেও তাতে কিন্তু আদৌ ৫জি সাপোর্টেড স্পেক্ট্রাম ব্যান্ড নেই। তাই এই বিষয়টিকে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে এবং হ্যান্ডসেটগুলিতে ৫জি মডেম সহ চিপসেট আছে কি না তা অবশ্যই দেখে নিতে হবে।
এরপর আপনার বাজেটটি সঠিক করে ফোনের যাবতীয় গুণাগুণ বিবেচনা করে কোন রেঞ্জের স্মার্টফোন কিনতে চাইছেন, সেই বিষয়টি আগে নির্ধারণ করুন। তবে ৫জি স্মার্টফোনে যেহেতু ৫জি সাপোর্টেড স্পেক্ট্রাম ব্যান্ডগুলিই মূল বিবেচ্য বিষয়, তাই খুব সস্তা ডিভাইস খোঁজা কিন্তু বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। সেক্ষেত্রে ফোনটি কেনার আগে ওয়েবসাইটে কিংবা লোকাল কোনো স্টোরে গিয়ে সেটির সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য জেনে নিন।
কোনো ফোনের অভ্যন্তরীণ গুণাগুণের পাশাপাশি সেটি ব্যবহার করে আপনি কতটা আনন্দ পাচ্ছেন, সেটাও কিন্তু বেশ গুরুত্বপূর্ণ। যে কারণে ফোনের ডিসপ্লেটি ভালো কি না, সেটি দেখে নেওয়াও আবশ্যিক । বর্তমানে যে-কোনো স্ট্যান্ডার্ড ফোনেই ৯০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট সাপোর্টেড ডিসপ্লে দেওয়া হয়।
এছাড়া, ফোনে পর্যাপ্ত র্যাম এবং স্টোরেজ স্পেস আছে কি না, তা যে অবশ্যই দেখতে হবে। ফোনটিকে দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যবহার করার জন্য এগুলি চেক করে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও এখন বেশিরভাগ মানুষই ইয়ারফোন ব্যবহার করেন, কিন্তু তা সত্ত্বেও ফোনের স্পিকার বেশ জোরালো কি না, সেটিও কিন্তু দেখে নেওয়া উচিত। এর পাশাপাশি স্মার্টফোন যেহেতু অবসর সময়ে বিনোদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, সেই কারণে ফোনের সাউন্ড কোয়ালিটি এবং সাউন্ড লেভেল অবশ্যই চেক করে নিতে হবে।
আপনি যদি ভালো ক্যামেরাযুক্ত একটি ৫জি স্মার্টফোন কেনার প্ল্যান করে থাকেন, তবে ফোনের ক্যামেরা কোয়ালিটিও বিশদে বিবেচনা করে দেখতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল, ফোনটি কতদিনের জন্য অ্যান্ড্রয়েড এবং সিকিউরিটি আপডেট পাবে তা কিন্তু অবশ্যই দেখে নিতে হবে। মূলত ফোনে দু-বছরের জন্য অ্যান্ড্রয়েড আপডেট এবং তিন বছরের জন্য সিকিউরিটি আপডেট দেওয়া হয়।
আর সবশেষে বলে রাখি, ফোনের প্রসেসর সহ অন্যান্য যাবতীয় অভ্যন্তরীণ উপাদানের পাশাপাশি ফোনের মূল চালিকাশক্তি ব্যাটারি, তাই সেটি ভালো হওয়া নিতান্তই জরুরি। তাই ৫জি স্মার্টফোন কেনার ক্ষেত্রে সেটিতে পাওয়ার ব্যাকআপের জন্য শক্তিশালী ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে কি না, তা অতি অবশ্যই দেখে নিন। দাম দিয়ে ৫জি ফোন কিনে সেটিকে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করতে চাইলে এই সমস্ত জিনিসগুলি অবশ্যই চেক করে হবে।
বিশ্বের সবথেকে শক্তিশালী কম্পিউটারগুলোকে সুপার কম্পিউটার বলা হয়। কম্পিউটার নিয়ে কিছুটা ধারণা রাখলে সুপার কম্পিউটার শব্দটি আগেও শুনে থাকবেন। তবে এই প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক যে আমরা দৈনন্দিন কাজে যে পার্সোনাল কম্পিউটার বা পিসি ব্যবহার করে থাকি তা থেকে সুপার কম্পিউটারগুলো কোথায় আলাদা। কী কারণেই বা তারা সাধারণ কম্পিউটার থেকে এতো বেশি শক্তিশালী?
আজকের এই পোস্ট থেকে আমরা জেনে নেব সুপার কম্পিউটার কি, সেগুলো কীভাবে কাজ করে এবং তারা কতটা দ্রুতগতিতে কাজ করতে সক্ষম সাধারণ কম্পিউটার থেকে। এছাড়াও পৃথিবীর সবথেকে শক্তিশালী কম্পিউটারগুলোর পরিচয়ও পেয়ে যাবেন এই পোস্টে।
সুপার কম্পিউটার কী?
সাধারণ কম্পিউটারের মতোই সুপার কম্পিউটারও ডাটা স্টোর ও প্রসেস করে থাকে। তবে তা এতোটা দ্রুত গতিতে করে থাকে যা আপনার কল্পনার বাইরে। সাধারণ কম্পিউটারের প্রসেসিং ইউনিট সাধারণত একটি থাকে। এই একটি প্রসেসিং ইউনিটের মাধ্যমেই সাধারণ কাজগুলো করে থাকে। তবে সুপার কম্পিউটারে অসংখ্য প্রসেসিং ইউনিট থাকে যা পিসির থেকে লাখ লাখ গুন দ্রুত গতিতে যে কোন কাজ করে ফেলতে পারে।
সুপার কম্পিউটার কতো দ্রুত কাজ করে তা ফ্লপস হিসেবে গণনা করা হয়। FLOPS বা Floating Point Operations Per Second যত বেশি হয় তত দ্রুত গতিতে সেই কম্পিউটার কাজ করতে পারে বলে বোঝা যায়।
সুপার কম্পিউটার কেন তৈরি হয়?
সুপার কম্পিউটার বিশেষ কিছু কাজের জন্য তৈরি করা হয়ে থাকে। এসব কাজের ক্ষেত্রে অনেক দ্রুত গতির প্রয়োজন হয় বলেই সুপার কম্পিউটারের মাধ্যমে কাজগুলো করা হয়। যেসব কাজের জন্য সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়ঃ
আবহাওয়ার পূর্বাভাসঃ কোটি কোটি আবহাওয়ার তথ্য একসঙ্গে দ্রুত গতিতে প্রসেস করার মাধ্যমে যতটা সম্ভব নির্ভুল আবহাওয়ার পূর্বাভাস পাওয়া সম্ভব হয়। আর এ কাজের জন্য সুপার কম্পিউটার সবথেকে পারদর্শী। যত বেশি ডাটা যত দ্রুত প্রসেস করা যায় ততই নির্ভুল ও দ্রুতগতিতে পূর্বাভাস পাওয়া সম্ভব হয়।
সিমুলেশন চালাতেঃ বিভিন্ন ধরণের সিমুলেশন তৈরি করে চালাতে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়। যেমন পাইলটরা শিখবার ক্ষেত্রে আসল প্লেন চালাবার আগেই সিমুলেশনের মাধ্যমে প্লেন চালানোর চেষ্টা করেন। এতে করে আসল প্লেনের মতই সবকিছু করা সম্ভব হয়। সিমুলেশনের ক্ষেত্রে অনেক ডাটা একসঙ্গে রিয়েল টাইমে প্রসেস করতে হয় বলে সুপার কম্পিউটার বেশ কাজে লাগে।
বৈজ্ঞানিক গবেষণাঃ অনেকসময় অনেক বেশি ডাটা একসঙ্গে প্রসেস করবার মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালানো হয়। এতে করে দ্রুতগতিতে ফলাফল পাওয়া যায় এবং একসঙ্গে অনেক রকম হিসাব করে ফেলা যায়।
এছাড়াও আরও বিভিন্ন কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
পৃথিবীর সবথেকে শক্তিশালী কিছু কম্পিউটার
এখন আমরা পৃথিবীর শক্তিশালী কিছু কম্পিউটার সম্পর্কে জানবো যেগুলোর শক্তি আপনার কল্পনাকেও হার মানাতে সক্ষম।
ফ্রন্টিয়ার (যুক্তরাষ্ট্র)
আমেরিকার বিখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এইচপি ২০২২ সালে এই সুপার কম্পিউটার তৈরি করে যা বিশ্বের সবথেকে শক্তিশালী কম্পিউটার হিসেবে পরিচিত। এটি সেকেন্ডে ১ কোয়ান্টিলিয়ন (10^18) হিসাব করে ফেলতে পারে যা কল্পনার বাইরে। পৃথিবীর আর কোন সুপার কম্পিউটারের এই ক্ষমতা নেই। এতে মোট ৮,৭৩০,১১২ টি কোর আছে। পুরো কম্পিউটারের ওজন ৩.৬৩ টনের কাছাকাছি এবং এটি তৈরিতে খরচ হয়েছে ৬০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি! এইচপির ওয়েবসাইট থেকে এটি সম্পর্কে বিস্তারিত দেখে নিতে পারেন।
ফুগাকু (জাপান)
জাপানের বিখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ফুজিতসু এটি তৈরি করেছে ২০২০ সালে। এটি তৈরি করা হয়েছে পৃথিবীর সবথেকে জটিল সমস্যাগুলোর সমাধান খোঁজার লক্ষ্য নিয়ে। ফ্রন্টিয়ারের আগে ফুগাকুই ছিল পৃথিবীর সবথেকে দ্রুতগতির কম্পিউটার। এতে আছে ৭,৬৩০,৮৪৮ টি কোর যা সেকেন্ডে ৪৪২ কোয়াড্রিলিয়ন হিসাব করে ফেলতে সক্ষম। এটিকে পৃথিবীর সবথেকে পাওয়ার এফিশিয়েন্ট কম্পিউটার হিসেবেও স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। ৭০০ টন ওজনের এই সুপার কম্পিউটার তৈরিতে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ হয়েছিলো। ফুজিতসুর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে পেয়ে যাবেন ফুগাকু সম্পর্কে বিস্তারিত সব তথ্য।
লুমি (ফিনল্যান্ড)
লুমি ইউরোপের সবথেকে শক্তিশালী কম্পিউটার হিসেবে পরিচিত। এটিও বিখ্যাত প্রযুক্তি কোম্পানি এইচপি ২০২২ সালে তৈরি করেছে। এখানে আছে ১,১১০,১৪৪ টি কোর এবং তাদের ক্লক স্পিড ১৫১.৯ পিফ্লপস। এর মূল ডিজাইনও ফ্রন্টিয়ারের মতোই যেহেতু তা একই প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছে। ফ্রন্টিয়ারের মতো এটিও পাওয়ার এফিশিয়েন্ট, একে পৃথিবীর দ্বিতীয় সবথেকে পাওয়ার এফিশিয়েন্ট কম্পিউটার বলা হয়। এই সুপার কম্পিউটার নিয়ে আরও বিস্তারিত জানতে পারবেন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে।
সামিট (যুক্তরাষ্ট্র)
২০১৮ সালে মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানি আইবিএম এই সুপার কম্পিউটার তৈরি করে বৈজ্ঞানিক গবেষণার কাজে। ফ্রন্টিয়ারের সাথেই ওক রিজ ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে এর অবস্থান। এতে আছে মোট ২,৪১৪,৫৯২ টি কোর যার ক্লক স্পিড ১৪৮.৬ পিফ্লপস। আইবিএমের ২২ কোরের ৩.০৭ গিগাহার্টজ সিপিইউ দিয়ে এটি তৈরি করা হয়েছে। বিস্তারিত দেখে নিতে পারেন এখান থেকে।
সিয়েরা (যুক্তরাষ্ট্র)
সামিট সুপার কম্পিউটারের সঙ্গেই আইবিএম সিয়েরা সুপার কম্পিউটার তৈরি করে ২০১৮ সালে। এই সুপার কম্পিউটার মূলত আমেরিকার নিউক্লিয়ার নিরাপত্তা ব্যবস্থা সংক্রান্ত কাজের জন্য তৈরি করা হয়। এতে ১,৫৭২,৪৮০ টি কোর আছে এবং ৯৪.৬৪ পিফ্লপস এর কার্যক্ষমতা। সিয়েরার বিস্তারিত পেয়ে যাবেন এই ওয়েবসাইটে।
সানওয়ে টাইহুলাইট (চীন)
২০১৬ সালে চীন তাদের নিজস্ব সুপার কম্পিউটার তৈরি করে বিভিন্ন কাজে ব্যবহারের জন্য। তাদের এই সুপার কম্পিউটারে মোট ১০,৬৪৯,৬০০ টি সিপিইউ কোর রয়েছে যা ৯৩.০১ পিফ্লপস গতিতে কাজ করতে সক্ষম। এটি তাদের নিজস্ব ২৬০ কোরের ১.৪৫ গিগাহার্টজ প্রসেসর দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। তবে চীন তাদের এই সুপার কম্পিউটার নিয়ে খুব বেশি কিছু প্রকাশ করে না নিরাপত্তার স্বার্থে।
পার্লমুটার (যুক্তরাষ্ট্র)
২০২১ সালে এইচপির সহযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্র এই সুপার কম্পিউটার তৈরি করে। এটিও বিভিন্ন কাজে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটি বর্তমানে ন্যাশনাল এনার্জি রিসার্চ সায়েন্টিফিক কম্পিউটিং সেন্টারে রাখা আছে। এখানে এএমডি এর ৬৪ কোরের ২.৪৫ গিগাহার্টজ প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে। মোট ৭৬১,৮৫৬ কোর রয়েছে এখানে যা ৭০.৮৭ পিফ্লপস গতিতে কাজ করতে সক্ষম। এটি সম্পর্কে বিস্তারিত পেয়ে যাবেন এই ওয়েবসাইটে।
সেলিন (যুক্তরাষ্ট্র)
২০২০ সালে বিখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়া এই সুপার কম্পিউটার তৈরি করে। এই সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করেই করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক নিয়ে গবেষণা করা হয়েছিলো। এতে মোট ৫৫৫,৫২০ টি কোর আছে যা ৬৩.৪৬ পিফ্লপস গতিতে কাজ করতে পারে। ৬৪ কোরের ২.২৫ গিগাহার্টজ প্রসেসর দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই সুপার কম্পিউটার। বিস্তারিত জেনে নিতে পারেন এনভিডিয়ার ওয়েবসাইট হতে।
সম্প্রতি এক ভূমিকম্প পুরো দেশকে কাঁপিয়ে দিয়েছে। ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার কিছু মুহূর্ত পূর্বেই তাদের এন্ড্রয়েড ফোনে ভূমিকম্পের খবর পেয়েছিলেন অনেকেই। কিন্তু প্রশ্ন হলো কিভাবে এন্ড্রয়েড ফোনে ভূমিকম্পের নোটিফিকেশন আসে, চলুন জেনে নেওয়া যাক সে সম্পর্কে বিস্তারিত।
এন্ড্রয়েড ফোনে ভূমিকম্প নোটিফিকেশন কিভাবে আসে?
Android Earthquake Alerts System হলো এন্ড্রয়েড ফোনের একটি ফিচার যা ভূমিকম্পের কিছু সেকেন্ড আগে এলার্ট পাঠায় যাতে নিরাপদ স্থানে সরে আসা সম্ভব হয়। যদিওবা এখনো পর্যন্ত ভূমিকম্পকে আগে থেকে অনুমান করার প্রযুক্তি তৈরী হয়নি, তবে কিভাবে গুগল এই সেবা প্রদান করছে? জানবো ঠিক সেটাই।
প্রথমেই বলে রাখি এই সেবা কিন্তু আগে থেকেই ভুমিকম্প অনুমান করতে পারেনা, এই ধরনের প্রযুক্তিগত উন্নতি এখনো অর্জন সম্ভব হয়নি। তবে এই ফিচারের কল্যাণে নিরাপদ জায়গায় সরে যাওয়ার জন্য অন্তত কয়েক সেকেন্ড সময় পাওয়া যায়।
যদিওবা গুগল এর ভূমিকম্প এলার্ট দেয়ার সেবা গ্লোবালি এভেইলএবেল রয়েছে, কিন্তু এই ফিচার সবচেয়ে ভালোভাবে কাজ করে ক্যালিফোর্নিয়া, অরিগন ও ওয়াশিংটন এর মত যুক্তরাষ্ট্রের স্টেটগুলোতে। মূলত অনেকগুলো সিসমোমিটার একসাথে কাজ করে এই ডাটা প্রদান করে। এন্ড্রয়েড ফোনে থাকা বিল্ট-ইন একসেলেরোমিটার ব্যবহার করে ভুমিকম্পের ঝাঁকি (শেইক) শুরুর কিছু মুহূর্ত পূর্বে সিসমিক একটিভিটি ডিটেক্ট করার চেষ্টা করে।
এন্ড্রয়েড ফোনে থাকা একসেলেরোমিটার বিভিন্ন এলাকায় যেখানে ডেডিকেটেড সিসমোমিটার সিস্টেম নেই সেখানে ভুমিকম্পের নোটিফিকেশন চালু করে দেয়। এই সেন্সরগুলো গুগল এর ভূমিকম্প ডিটেকশন সার্ভারে ভুমিকম্পের আনুমানিক স্থান ও মাত্রাসহহ সিগনাল পাঠায়। এরপর এন্ড্রয়েড ব্যবহারকারীগণ এই ব্যাপারে নোটিফিকেশন পান।
প্রযুক্তিগত উন্নতি আমাদের নিরাপত্তা প্রদানে অধিক থেকে অধিকতর সহায়ক হয়ে উঠছে যার প্রমাণ গুগল এর ভুমিকম্প ডিটেকশন সেবা ও অ্যাপল এর ক্র্যাশ ডিটেকশন সেবার মত প্রযুক্তিগুলো। সিসমোমিটার সিস্টেম তৈরী ও ইউটিলাইজ করার বেশ ব্যয়বহুল হতে পারে, তাই এন্ড্রয়েড ফোনেই থাকা মিনিয়েচার সিসমোমিটার ব্যবহার করা উত্তম।
এই ভুমিকম্প অনুমানকারী ফিচারটি ঠিকভাবে কাজ করতে একজন ব্যাক্তির অবশ্যই সিসমিক একটিভিটির কাছাকাছি থাকতে হবে। গুগল এই প্রযুক্তিকে উন্নত করেই চলেছে যা ভবিষ্যতে অধিক সঠিক ডাটা ও এলার্ট প্রদান করবে বলে আশা করা যায়।
এন্ড্রয়েড ফোনে ভুমিকম্পের নোটিফিকেশন কিভাবে আসে তো জানলেন। তবে আপনার ফোনে ভুমিকম্পের এলার্ট চালু আছে কিনা তা জানাও জরুরি। চলুন জানি কিভাবে এন্ড্রয়েড ফোনে ভুমিকম্পের এলার্ট চালু করবেন।
প্রথমে ফোনের সেটিংস অ্যাপে প্রবেশ করুন
Safety & emergency অপশন খুঁজে নিন
Earthquake alerts অপশন চালু করে দিন
উল্লেখিত উপায়ে এই অপশন খুঁজে না পেলে নিচে বর্ণিত উপায় অনুসরণ করুন:
ফোনের সেটিংসে প্রবেশ করুন
Location অপশনে প্রবেশ করুন
Earthquake alerts অপশন সিলেক্ট করুন
এরপর ডাটা বা ওয়াইফাই এর সাথে কানেক্ট থেকে Earthquake alerts চালু করে দিন
টেলিটক Gen-Z (জেন-জি) সিম অল্প সময়ের মধ্যেই তুমুল জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। কম কলরেট ও আকর্ষণীয় ইন্টারনেট অফারের কারণে তরুণরা জেন জি সিম লুফে নিচ্ছেন। তবে এতে রয়েছে বেশ কিছু শর্ত। এই পোস্টে আমরা জেন-জি সিম নেয়ার জন্য যেসব শর্ত প্রযোজ্য সেগুলো জেনে নিবো।
শুধুমাত্র নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যাদের জন্ম, তারাই পাবেন জেন-জি সিম
টেলিটক জানিয়েছে, নতুন গ্রাহক যাদের জন্ম ১৯৯৭ থেকে ২০১২ এর মধ্যে মূলত তারাই জেন-জি সিমের জন্য বিবেচিত হবেন। তবে এখানেই শেষ নয়! রয়েছে আরও শর্ত।
থাকতে হবে জাতীয় পরিচয়পত্র
আপনার জন্ম যদি ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে হয়েও থাকে, তবুও NID না থাকলে আপনি সিমটি নিতে পারবেন না। অর্থাৎ NID অবশ্যই থাকতে হবে।
শুধুমাত্র নতুন গ্রাহক কিনতে পারবেন জেন জি সিম
শুধুমাত্র নতুন গ্রাহক যাদের জন্ম ১৯৯৭ থেকে ২০১২ এর মধ্যে তারা একটি NID এর বিপরীতে একটি জেন জি সিম গ্রহণ করতে পারবেন। তবে যদি উক্ত গ্রাহকের NID-তে যদি ইতোপূর্বে টেলিটক সিম নেওয়া থাকে সেক্ষেত্রে গ্রাহক জেন জি সিম নিতে পারবেন না। তবে তারা *১১১# ডায়াল করে অথবা মাই টেলিটক অ্যাপের ব্যানারে ক্লিক করার মাধ্যমে জেন-জি প্যাকেজের বিভিন্ন প্রমোশনাল অফারসমূহ উপভোগ করতে পারবেন।
বিদ্যমান টেলিটক গ্রাহকরা জেন-জি প্যাকেজের কি কি অফার পাবেন?
বিদ্যমান টেলিটক গ্রাহক যাদের জন্ম ১৯৯৭ হেকে ২০১২ এর মধ্যে, উক্ত গ্রাহক *১১১# ডায়াল করে অথবা মাই টেলিটক অ্যাপের ব্যানারে ক্লিক করে শুধু প্রমোশনাল অফার নিতে পারবেন। যেমনঃ স্পেশাল ডাটা অফার, বান্ডল অফার ও আনলিমিটেড মেয়াদে ডাটা অফার গ্রহণ করতে পারবেন।