Tuesday, April 3, 2018

যে কাজগুলি ফেসবুকে কখনই করবেন না!

বর্তমানের সময়টাই ফেসবুক টুইটারের। আধুনিক সভ্যতার এ যুগে অনলাইন ‘‌ইমেজ’‌ ধরে রাখাটাও জরুরি হয়ে পড়েছে অনেকের কাছেই। কিন্তু মনে রাখতে হবে, ফেসবুক চ্যাট কিংবা নিজে ওয়ালে উল্টোপাল্টা কিছু লিখে ফেললে তার মাশুল গুণতে হবে কিন্তু নিজেকেই। সে জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় কী করবেন, কী করবেন না তার জন্য রইল কিছু পরামর্শ-
                          

১। নিজের সম্পর্কে খুব বেশি তথ্য দেবেন না। কী করেন, কোন শহরে থাকেন এই ধরনের প্রাথমিক তথ্য ফেসবুক বা টুইটারে দিতেই পারেন। তবে কোন বিভাগে কোন পদে কাজ করেন, অফিসের ঠিকানা কী অথবা বাড়ির নিখুঁত ঠিকানা— এসব দেওয়ার দরকার নেই মোটেও।
২। যতই কৌতূহল হোক, কখনও কারও ওপরে নজর রাখার চেষ্টা করবেন না। কারণ এই স্বভাব বিপদ ডেকে আনবেই।
৩। অনলাইনে ঝগড়া করে কোনও দিন কারও দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো যায় না। বরং আপনাদের ঝগড়া হয়ে উঠতে পারে অন্যের হাসির খোরাক হয়ে উঠবে। তাই কোনও পরিস্থিতিতেই অনলাইন ঝামেলায় জড়াবেন না। যাঁর সঙ্গে আপনার বিবাদ, তিনি যদি আপনার নিকট কেউ হন, তাহলে পরে সামনাসামনি বা টেলিফোনে মীমাংসা করে নিন।
৪। নিজের সম্পর্কে মিথ্যা বলবেন না কোনও পরিস্থিতিতেই। অনেকেই নিজের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর জন্য একটু আধটু বাড়িয়ে বলেন। এই অভ্যাস একবার ধরা পড়ে গেলে কিন্তু মানসম্মান তছনছ হয়ে যাবে।
৫। প্রাক্তন প্রেমিকের সঙ্গে ফ্লার্ট করার প্রবণতা রয়েছে অনেকের। এই অভ্যাস থাকলে ত্যাগ করুন। পারলে ঘনিষ্ঠতাও এড়িয়ে চলুন। এটা আপনার বর্তমান প্রেমিক বা প্রেমিকার কাছে বিরক্তিকর হতে পারে।

Labels:

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কীভাবে শুরু করবেন জেনে নিন!

এসইও কী?
এসইও (সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন) হচ্ছে এমন কিছু পদ্ধতি, যার মাধ্যমে বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনের (যেমন : Google, Bing, Yahoo) রেজাল্ট পেজে আপনার সাইট/ব্লগের উপস্থিতি নিশ্চিত করা যায় এবং এর ফলে সাইটে কাঙ্ক্ষিত টার্গেটেড ট্রাফিক আনা সম্ভব হয়। আরো সহজভাবে বললে, বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনের (যেমন : Google, Bing, Yahoo) নির্ধারিত নিয়মনীতি অনুসরণ করে আপনার সাইট/ব্লগকে ওই সব সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্ট পেজে নিয়ে আসার প্রক্রিয়াটিকেই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বলে।

এসইও কেন দরকার?
আমরা আমাদের বিভিন্ন প্রয়োজনে বা সেবাদানের লক্ষ্যে ওয়েবসাইট তৈরি করে থাকি। কিন্তু এই ওয়েবসাইট তৈরির মূল উদ্দেশ্য থাকে কাঙ্ক্ষিত ট্রাফিক/ভিজিটর। কারণ, আপনার সাইটে যদি ট্রাফিক না আসে, তাহলে ওই সাইট থেকে আপনি কোনো প্রকার সুবিধা ভোগ করতে পারবেন না। আর সাইটে ট্রাফিক/ভিজিটর বেশি পেতে হলে এটিকে সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্ট পেজের ওপরের দিকে নিয়ে আসতে হবে। কেননা, অধিকাংশ ট্রাফিকই আসে সার্চ ইঞ্জিনে বিভিন্ন কি-ওয়ার্ডের মাধ্যমে সার্চ করে। আর এসব সার্চ ইঞ্জিনে র‍্যাঙ্কিংয়ে আসতে হলে আপনার সাইটটিকে সার্চ ইঞ্জিনের নিয়মনীতি অনুসরণ করে যথাযথভাবে অপটিমাইজড করতে হবে। তাহলেই আপনি সার্চ ইঞ্জিনগুলো থেকে ভালো মানের ট্রাফিক পেতে পারেন এবং আপনি লাভবান হতে পারবেন। কারণ, ট্রাফিক = প্রফিট। ট্রাফিক যত বাড়বে, আপনার আয়ও তত বৃদ্ধি পাবে। বাইরের বিভিন্ন দেশে যেকোনো ছোট-বড় ব্যবসা বা ব্যক্তিগত কাজের জন্য ওয়েবসাইটকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। তাদের সব কাজই অনলাইনের মাধ্যমে হয়ে থাকে। আর এ কারণেই তারা যার যার নিজস্ব সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনে র‍্যাঙ্কিংয়ে আনতে চায়। তখনই তাদের প্রয়োজন পড়ে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের। কারণ, এসইও ছাড়া কোনো সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনে ভালো অবস্থানে নিয়ে আসা সম্ভব নয়। আমাদের দেশেও এখন ছোট/বড় ব্যবসার জন্য বা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে অনেক ওয়েবসাইট তৈরি হচ্ছে। আর এসব সাইটের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে, অর্থাৎ সাধারণ জনগণের কাছে কাঙ্ক্ষিত কি-ওয়ার্ডের ভিত্তিতে এসব সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের র‍্যাঙ্কিংয়ে আনার জন্য এসইও দরকার। আর এভাবেই ছোট/বড় সব সাইটের পরিচিতি ও ট্রাফিক বৃদ্ধির জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনকে বাংলাদেশেও অনেক গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং যতই দিন যাচ্ছে, এর চাহিদা ততই বাড়ছে। কারণ, এসইও একটি চলমান বা ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। এসইও কাদের দরকার? আপনারা এতক্ষণে নিশ্চয়ই বুঝে গেছেন, এসইও কেন এতটা গুরুত্বপূর্ণ বা কেন এর চাহিদা এত বেশি। তাহলে এবার আসুন দেখা যাক, কাদের এই এসইও সম্পর্কে ধারণা থাকা প্রয়োজন। বর্তমান যুগ অনলাইনের। এখন সবার কাছেই যেকোনো তথ্য বা সেবা পাওয়ার অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে এই ইন্টারনেট। বাসায় ডেস্কটপ, ল্যাপটপ ছাড়াও আমরা অনেকেই এখন মোবাইলের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকি এবং এর ব্যবহার ক্রমে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা দৈনন্দিন বিভিন্ন চাহিদা পূরণের জন্য এই ডিভাইসগুলো ব্যবহার করে থাকি। অনলাইন সেবার মাধ্যমে আমরা খুব সহজেই কাঙ্ক্ষিত পণ্যটি ঘরে বসেই পেয়ে যাই। যেভাবে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে, সেভাবে অনলাইনে সেবাদানকারী সাইটের সংখ্যাও বাড়ছে। কয়েকটি উদাহরণ দিলে বিষয়টি আরো পরিষ্কার হয়ে যাবে। মনে করি, আপনি একটি ছোট্ট বুটিক হাউস বা রেস্টুরেন্ট চালাচ্ছেন। আপনি চাইছেন, আপনার শহর বা এলাকার মধ্যে কেউ যদি আপনার এই সেবা অনলাইনে পেতে চায়, তাহলে সে যেন আপনার ওয়েবসাইটটিকে বুটিকস বা রেস্টুরেন্টকেন্দ্রিক যেসব কি-ওয়ার্ড আছে, এমন কিছু কি-ওয়ার্ডের জন্য আপনার সাইটটিকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম দিকে পায়। তাহলে আপনার ব্যবসার পরিচিতি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আপনার ব্যবসাকেও আরো উন্নতির পথে নিয়ে যাবে। এখন বিষয়টি হচ্ছে, এটি কীভাবে সম্ভব যে লাখ লাখ ওয়েবসাইটের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট কি-ওয়ার্ডের জন্য আপনার সাইটটিকে সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্ট পেজে নিয়ে আসবে। এর জন্য যা দরকার, তা হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি সাইট, যা একমাত্র যথাযথ এসইও এর দ্বারাই সম্ভব। তাই যাদের এমন ছোট/বড় ব্যবসা আছে বা ই-কমার্স সাইট আছে বা সাইট করতে আগ্রহী, তাদের অবশ্যই এসইও জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। কারণ, এসইও ছাড়া কখনই একটি সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের র‍্যাঙ্কিংয়ে নিয়ে আসা সম্ভব নয়। আর সাইট যদি র‍্যাঙ্কিংয়ে না আসে, তাহলে আপনি ট্রাফিক পাচ্ছেন না আর ট্রাফিক না পেলে সেই সাইট থেকে কোনো প্রকার টাকা আসবে না। এ ছাড়া এখন অনেকেই নিজের ব্যান্ডিং/পরিচিতির জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করেন এবং এর মাধ্যমে অনলাইন/ভার্চুয়াল জগতে নিজের অস্তিত্ব বজায় রাখেন। ধরুন, আপনার নিজের নামে আপনি একটি সাইট তৈরি করেছেন এবং সাইটটি যথাযথ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের দ্বারা সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি করেছেন। এখন যদি কেউ আপনাকে সার্চ ইঞ্জিনে (যেমন : গুগল) গিয়ে আপনার নাম লিখে সার্চ করে এবং আপনার সাইটটিকে যদি প্রথমে পায়, তাহলে আপনি নিজেই ভেবে দেখুন আপনার গ্রহণযোগ্যতা কতটুকু বেড়ে যাবে এবং এটি আপনার ব্র্যান্ডিং বা পরিচিতির ক্ষেত্রে কতটুকু ভূমিকা রাখবে। সুতরাং শুধু ব্যবসার জন্যই নয়, নিজের ব্রান্ডিং/পরিচিতির বা বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে একটি ওয়েবসাইট থাকা দরকার। আর এই ওয়েবসাইটকে বিশ্বের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটা সহজ মাধ্যম হলো এসইও।
কীভাবে এসইও শিখবেন?
এসইও শেখার শুরুটা অনেক সহজ। আপনার বেসিক কিছু জ্ঞান থাকলেই আপনি এসইও শিখতে পারবেন, যেমন— প্রাথমিক কম্পিউটার জ্ঞান : আপনার কম্পিউটারের সাধারণ ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। কম্পিউটার সঠিকভাবে চালনা করতে জানতে হবে। ইন্টারনেট জ্ঞান : আপনার প্রাথমিক ইন্টারনেট জ্ঞান থাকতে হবে। ইন্টারনেট কী এবং এটি ব্যবহার করে আমরা কী করতে পারি, এ সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। ব্রাউজিং সম্পর্কে ধারণা : আপনাকে ইন্টারনেট ব্রাউজিং সম্পর্কে জানতে হবে। কীভাবে সহজেই আপনি ইন্টারনেট ব্রাউজিং করে সঠিক তথ্য বের করতে পারবেন, এ দক্ষতা থাকতে হবে। ইংরেজি দক্ষতা : আমি আগেও বলেছি যে, ফ্রিল্যান্সিংয়ে ভালো করতে হলে ইংরেজিতে ভালো দখল থাকতে হবে। আপনার ইংরেজি জ্ঞান ভালো হলে আপনি আরো ভালোভাবে এসইওর কাজ বুঝতে/করতে পারবেন। কেননা, আপনাকে এসইওর আপডেট সম্পর্কে জানতে হলে প্রচুর পড়াশোনা করতে হবে আর এটি অবশ্যই ইংরেজিতে। যদিও বললাম যে এসইও শেখাটা সহজ, তবে এর গভীরতা অনেক। কেননা, এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া এবং আপনার নিজের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখতে হলে সব সময় কাজ চালিয়ে যেতে হবে, নতুন নতুন পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে হবে এবং এগুলোর সঠিক প্রয়োগ বুঝতে হবে। কীভাবে এসইও ক্যারিয়ার শুরু করবেন? এসইওতে কাজ শুরু করতে চাইলে প্রথমে আপনি যেকোনো আইটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করতে পারেন, যারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা ক্লায়েন্টকে এসইও সেবা প্রদান করে। এতে করে আপনার অভিজ্ঞতা বাড়বে এবং আপনি বুঝতে পারবেন যে বর্তমানে এসইওর কাজ কীভাবে করা হয়ে থাকে। এ ছাড়া একটি সাইটের সম্পূর্ণ এসইও কীভাবে করা হয়, এ সম্পর্কেও জানতে পারবেন। কেননা, আপনি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে সম্পূর্ণ এসইওর কাজ নাও পেতে পারেন। তাই এখান থেকে একটি ভালো ধারণা লাভ করতে পারবেন। কিন্তু একটি বড় সমস্যা হচ্ছে, এসব প্রতিষ্ঠান আপনাকে অভিজ্ঞতা ছাড়া কাজে নিতে চাইবে না। হয় আপনার এসইও কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে, তা না হলে আপনার কোনো মানসম্মত প্রতিষ্ঠানের সার্টিফিকেশন থাকতে হবে। আপনি যেখান থেকে ট্রেনিং নিচ্ছেন, এর গ্রহণযোগ্যতা কতটুকু বা আপনাকে যিনি প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন, তাঁর জ্ঞানের পরিধি কতটুকু বা তিনি একজন প্রসিদ্ধ প্রশিক্ষক কি না, এ বিষয়গুলো লক্ষ করুন। একটি ভালো মানের প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণ নিলে আপনার গ্রহণযোগ্যতা বেড়ে যাবে, তাহলে এটি আপনার কাজ পেতে অনেক সাহায্য করবে। আপনি চাইলে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ করার মাধ্যমেও আপনার এসইও ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন। বর্তমানে এমন অনেক ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস রয়েছে, যেখানে অসংখ্য এসইও রিলেটেড কাজ পাবেন। এখান থেকে আপনার পছন্দ/যোগ্যতা অনুযায়ী কাজে বিড করে কাজটি করতে পারবেন। এখানে আপনি এসইওর বিভিন্ন অংশের ছোট/বড় অনেক কাজ পাবেন। এখানে কাজ করার মাধ্যমেও আপনি অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন।
কীভাবে এসইও ক্যারিয়ার শুরু করবেন?
এসইওতে কাজ শুরু করতে চাইলে প্রথমে আপনি যেকোনো আইটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করতে পারেন, যারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা ক্লায়েন্টকে এসইও সেবা প্রদান করে। এতে করে আপনার অভিজ্ঞতা বাড়বে এবং আপনি বুঝতে পারবেন যে বর্তমানে এসইওর কাজ কীভাবে করা হয়ে থাকে। এ ছাড়া একটি সাইটের সম্পূর্ণ এসইও কীভাবে করা হয়, এ সম্পর্কেও জানতে পারবেন। কেননা, আপনি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে সম্পূর্ণ এসইওর কাজ নাও পেতে পারেন। তাই এখান থেকে একটি ভালো ধারণা লাভ করতে পারবেন। কিন্তু একটি বড় সমস্যা হচ্ছে, এসব প্রতিষ্ঠান আপনাকে অভিজ্ঞতা ছাড়া কাজে নিতে চাইবে না। হয় আপনার এসইও কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে, তা না হলে আপনার কোনো মানসম্মত প্রতিষ্ঠানের সার্টিফিকেশন থাকতে হবে। আপনি যেখান থেকে ট্রেনিং নিচ্ছেন, এর গ্রহণযোগ্যতা কতটুকু বা আপনাকে যিনি প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন, তাঁর জ্ঞানের পরিধি কতটুকু বা তিনি একজন প্রসিদ্ধ প্রশিক্ষক কি না, এ বিষয়গুলো লক্ষ করুন। একটি ভালো মানের প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণ নিলে আপনার গ্রহণযোগ্যতা বেড়ে যাবে, তাহলে এটি আপনার কাজ পেতে অনেক সাহায্য করবে। আপনি চাইলে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ করার মাধ্যমেও আপনার এসইও ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন। বর্তমানে এমন অনেক ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস রয়েছে, যেখানে অসংখ্য এসইও রিলেটেড কাজ পাবেন। এখান থেকে আপনার পছন্দ/যোগ্যতা অনুযায়ী কাজে বিড করে কাজটি করতে পারবেন। এখানে আপনি এসইওর বিভিন্ন অংশের ছোট/বড় অনেক কাজ পাবেন। এখানে কাজ করার মাধ্যমেও আপনি অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন।

Labels:

হ্যাকারদের জন্য ব্রাউজার মান্ত্রা

Mantra হল একটি Browser যা তৈরী হয়েছে Hacker দের জন্য। এর অনেক function আছে যা Hacking এ কাজে লাগে। বিশেষ করে website hacking এ এটা আনেক কাজে লাগে :D এটার মুল framework হল Mozilla এর, আর অনেক গুলা addon এটাতে use করা হয়েছে। এর মাধ্যমে Sql Injection, LFI, RFI, CSRF, XSS, CRLF, XiSQL , Host Analysis, Source Code Analysis সহ আরও আনেক কাজ করা যায়। :D
Software টা Download করতে g এইখানে ক্লিক করুন

Labels:

ফেসবুক মেসেজের ‘সিন’ অপশন থেকে মুক্ত থাকার উপায়

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রতিদিন কোটি কোটি ক্ষুদ্র বার্তা বিনিময় হয়। দেখা গেছে এই সব ধারাবাহিক বার্তা বিনিময়ের শুরু কিংবা শেষ বলে কিছু নেই। বরং দিনের পর দিন, মাসের পর মাস এমনকি বছরের পর বছর ধরে খণ্ড খণ্ডভাবে চলতে থাকে অনির্দিষ্টকাল থেকে শুরু হওয়া কথোপকথনগুলো।
এতে যারা নিয়মিত ফেসবুক ব্যাবহার করেন তাদের মধ্যে অনেকেই নিজেদের অজান্তে একটি স্নায়বিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার স্বীকার হচ্ছেন। কেননা যখনি কোনও বার্তা ফেসবুকের ইনবক্সে ‘সিন’ দেখানো হয়, আমাদের মধ্যে অনেকেই, অপর পক্ষ হতে সঙ্গে সঙ্গে পঠিত বার্তার উত্তর আশা করেন। কিন্তু অধিকাংশ সময়ে আশাহত হওয়ার ফলে ব্যবহারকারীর অবচেতন মনে একটি ধারাবাহিক ক্ষতিকর প্রভাবের সৃষ্টি হয়।
তাই আপনি যদি কোন উটকো ঝামেলা এড়িয়ে যেতে চান অথবা ব্যস্ততার কারণে আপনার প্রিয়জনকে সঙ্গে সঙ্গেই উত্তর দিতে না পারেন এবং সকল ধরনের ভুল বোঝাবুঝি থেকে মুক্ত থাকতে চান; তবে খুব সহজেই নিম্নোক্ত উপায়ের যে কোনও একটির মাধ্যমে ফেসবুকের ‘সিন’ অপশন থেকে মুক্তি লাভ করতে পারবেন।
                                                                     




গুগল ক্রোম ব্যবহারকারীদের জন্য
যারা ডেস্কটপ অথবা ল্যাপটপে গুগল ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহার করেন, তারা ‘ফেসবুক আনসিন’ নামক এক্সটেনশানটি ডাউনলোড করে নিন এই লিঙ্ক থেকে http://goo.gl/4ogbzg
অন্যান্য ব্রাউজারের জন্য
গুগল ক্রোম ব্যতীত অন্য ব্রাউজার ব্যবহারকারীগণ ডাউনলোড করে নিন ‘এডব্লক প্লাস’ নামক এক্সটেনশানটি এই লিঙ্ক থেকে https://adblockplus.org/en/ । ইন্সটল করা হয়ে গেলে এক্সটেনশানের কাস্টম ফিল্টারে অ্যাড করে দিন নিন্মোক্ত  ইউআরএল
‘facebook.com/ajax/mercury/change_read_status.php$xmlhttprequest’
মোবাইলের জন্য যা করতে হবে
অ্যানড্রয়েড ও আইফোন ব্যবহারকারীরা প্লে স্টোর অথবা আইটিউনস থেকে ডাউনলোড করে নিন ‘আনরিড’ নামক এই অ্যাপ্লিকেশন। তবে অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহারের একমাত্র সীমাবদ্ধতা হল ফেসবুকে আসা বার্তার উত্তর দিতে চাইলে আপনাকে নিয়মিত ম্যসেঞ্জারের মাধ্যমেই সেটা করতে হবে। এটার মাধ্যমে কোনও বার্তা শুধু পড়া কিন্তু পাঠানো যায় না।

এই হল আপাত সমাধান যতদিন পর্যন্ত না ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ইনবক্সের ‘সিন’ অপশনটি নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ না নেয়। তবে ইতোমধ্যেই হোয়াটসঅ্যাপ তার ম্যাসেঞ্জার থেকে নীল টিক চিহ্ন নিয়ন্ত্রণ করার ব্যবস্থা নিয়েছে যেটি ফেসবুকের ‘সিন’ অপশনের মতই কাজ করে থাকে।

Labels: