Thursday, January 10, 2019

জেনে নিন গভীর সাগরের অসাধারণ ১০ তথ্য

সাগর নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। গভীর মহাসাগরের তলদেশে কী রয়েছে, তা জানতে কার না আগ্রহ রয়েছে। ২০০ মিটারের চেয়ে গভীর স্থানকে গভীর সাগর বলা হয়। এ লেখায় রয়েছে তেমন কয়েকটি মজার তথ্য। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।
১. পাতালের রাজ্য
গ্রিক দেবতা জিউসের ভাই হ্যাডস। তার নাম অনুসারেই পাতালপুরিকে ‘হ্যাডাল’ বলা হয়। গ্রিক উপকথা অনুযায়ী সে রাজ্যের অধিবাসীদের অন্য কোনো স্থানে যাওয়া কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ছিল। আর এ বিষয়টির সঙ্গে মিল পাওয়া যায় সাগরের গভীর প্রাণীদেরও। এ প্রাণীরা তাদের নির্দিষ্ট পরিবেশেই বাস করে এবং অন্য কোনো স্থানে যেতে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অক্ষম
images10 জেনে নিন গভীর সাগরের অসাধারণ ১০ তথ্য
২. সাগরের গভীরতা কতোখানি?
সাগরের গভীরতা বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন ধরনের। তবে পৃথিবীর সাগরের গড় গভীরতা হলো সাড়ে তিন কিলোমিটার। আর এ সাগরের সবচেয়ে গভীর স্থান হলো পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের মারিয়ানা ট্রেঞ্চ। সে স্থানের গভীরতা প্রায় ১১ কিলোমিটার।
৩. সাগরের গভীরতা কে প্রথম নির্ণয় করে?
১৮৭৩ থেকে ১৮৭৬ সাল পর্যন্ত এইচএমএস চ্যালেঞ্জার জাহাজের অভিযানে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের সাগরের গভীরতা প্রথম জানা যায়। ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজকে কিছুটা পরিবর্তিত করে এ অভিযানের জন্য প্রস্তুত করা হয়। এ কাজে জাহাজটি সাগরের আট কিলোমিটার গভীর থেকেও পলি সংগ্রহ করে। ১৯৫৬ সালে প্রথম সাগরের তলদেশের ছবি তোলা হয়।
৪. সাগরের তলদেশ কেমন
সাগরের তলদেশে বিভিন্ন ধরনের ভূপ্রকৃতি রয়েছে। সেখানে রয়েছে গভীর খাদ ও পাহাড়-পর্বত। পৃথিবীর সাগরে ৩৩টি গভীর খাদের কথা জানা যায়। সাগরের গড় গভীরতা হলো ৮.২১৬ কিলোমটার। সাগরের ৪৫ শতাংশ এলাকা সবচেয়ে গভীর হিসেবে পরিচিত।
৫. মানুষের টিকে থাকার গোপন তথ্য
মানুষের জানামতে পৃথিবী এখনও একমাত্র গ্রহ, যেখানে প্রাণী টিকে রয়েছে। এ গ্রহে রয়েছে টেকটোনিক প্লেট চলাচলের মতো জটিল বিষয়। এটি ছাড়া ভূমি সব সাগরে ডুবে যেতে পারত। আর তা হলে মানুষের অস্তিত্ব কখনোই সৃষ্টি হত না।
৬. সাগরের তলদেশ কেমন
সাগরের তলদেশের পানির তাপমাত্রা এক থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত দেখা যায়। কিন্তু ভূপৃষ্ঠের চাপের মতো এ স্থানের চাপ নয়। সেখানে প্রতিটি প্রাণীকে প্রচণ্ড চাপ সহ্য করতে হয়। সাগরের সবচেয়ে গভীরে এটি হতে পারে আপনার আঙুলের ডগায় এক টন ওজন তুলে দেওয়ার সমান।
৭. কেমন প্রাণীরা বাস করে
বহু অভিযানেই সাগরের তলদেশে কেমন প্রাণীরা বাস করে তা অনুসন্ধান করা হয়। এতে দেখা যায় পলিচ্যায়েটস, বিভালভস, গ্যাস্ট্রোপডস, অ্যাম্ফিপডস ও হলোথুরিয়ানস গোত্রের প্রাণীরা সাগরতলে বাস করে। তবে কিছুটা অগভীর সাগরের তলদেশে বাস করে বিভিনন ধরনের শামুক, রঙিন মাছ ও নানা ধরনের কীট।
৮. বিপজ্জনক তথ্যও রয়েছে
সাগরের গভীরতম স্থানে বিপজ্জনক বর্জ্য ফেলা হয়। ১৯৭০ সালে পোর্টেরিকো ট্রেঞ্চ ছিল ফার্মাসিউটিক্যাল বর্জ্য ত্যাগের একটি স্থান। সে স্থানটিতে বিপুল সংখ্যক বর্জ্য ফেলা হয়। এর পরিমাণ ছিল প্রায় ৩ লাখ ৮৭ হাজার টন। এছাড়া চাঁদে অভিযানের জন্য ব্যবহৃত অ্যাপোলো ১৩ মিশনের বিভিন্ন পারমাণবিক বর্জ্য ও বিভিন্ন যন্ত্রপাতি দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে পতিত হয়েছে। সেখানে ছয় থেকে নয় কিলোমিটার গভীরে এটি কয়েক হাজার বছর পর্যন্ত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
৯. সাগরতলে ভূমিকম্প
সাগরের তলদেশেও ভূমিকম্প হয়। ২০১১ সালে জাপানের নিকটবর্তী এলাকায় ৯.০ মাত্রায় ভূমিকম্প হয়। এতে সুনামিও সৃষ্টি হয়। ফলে ২০ হাজার মানুষের মৃত্যু কিংবা নিখোঁজ হয়ে যায়। সে ভূমিকম্পটির পরবর্তী কম্পন ৬৬৬ বার অনুভূত হয়, যার মাত্রা ছিল ৫.০-এর বেশি। ২০০৪ সালে সুমাত্রা-আন্দামান ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে জাভা ট্রেঞ্চ। সে ভূমিকম্পেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। গবেষকরা বলছেন, এসব ভূমিকম্পে সাগরের অবস্থান ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হচ্ছে।
১০. সাগর বনাম পর্বত
বিশ্বের সবচেয়ে গভীর মারিয়ানা ট্রেঞ্চে হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট স্থাপন করা হলে তাও ডুবে যাবে। কারণ মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা মারিয়ানা ট্রেঞ্চের গভীরতার তুলনায় প্রায় এক কিলোমিটার কম।

Labels:

জ্বিন জাতির সম্পর্কে অজানা কিছু কথা

জ্বিন  জাতি পবিত্র আল  কোরআনে বর্ণিত এক অতিপ্রাকৃত সত্তা। প্রাক ইসলামী যুগেও জ্বিন  জাতি সংক্রান্ত বিশ্বাস আরব এবং কাছাঁকাছি এলাকায় বিদ্যমান ছিল। আরবি জিন শব্দটির আক্ষরিক শব্দার্থ যে কোন কিছু যা গুপ্ত, অদৃশ্য, অন্তরালে বসবাসকারী বা অনেক দূরবর্তী।
জ্বিন সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে কি বলা হয়েছেঃ
সুরা আল জ্বিনে বলা হয়েছেঃ
বলুন, আমার প্রতি ওহী নাযিল করা হয়েছে যে, জ্বিনদের একটি দল কোরআন শ্রবণ করেছে, অতঃপর তারা বলেছেঃ আমরা বিস্ময়কর কোরআন শ্রবণ করেছি। (আয়াত-০১)
অথচ আমরা মনে করতাম মানুষ ও জ্বিন কখনও আল্লাহতা’আলা সম্পর্কে মিথ্যা বলতে পারে না। (আয়াত-০৫)
আর যখন আল্লাহতা’আলার বান্দা তাকে ডাকার জন্যে দন্ডায়মান হল, তখন অনেক জ্বিন তার কাছে ভিড় জমালো। (আয়াত-১৯)
15296ab48e71_b-1 জ্বিন জাতির সম্পর্কে অজানা কিছু কথা
বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ব্যাখাঃ আধুনিক পদার্থ বিজ্ঞান জ্বিন জাতির অস্তিত্ব অস্বিকার করে না। অস্বিকার করার মত কোন যুক্তি বা মতবাদও আজ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠিত হয়নি। বরং এ্যন্টি ম্যাটার সম্পর্কে মানুষের জ্ঞান যত বৃদ্ধি পাচ্ছে জ্বিনের অস্তিত্বের পক্ষে যুক্তি ততই প্রগাড় হচ্ছে।
তাই আজ আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম জ্বিন জাতির বিস্ময়কর ইতিহাস!  নিয়ে একটি ইবুক
এই বইতে আপনারা যা যা পাবেন
জ্বিন কত প্রকার ও কি কি?  জ্বিন জাতির বিস্ময়কর ইতিহাস
জ্বিনার কি খায়, কোথায় থাকে, কি ভাবে বংশ বাড়ায়, মরে গেলে ওদের দেহ কোথায় যায় এছারা আরও অনেক অনেক কিছু পাবেন
জ্বিনদের কাছ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আরও অনেক অনেক দোয়া পাবেন।

Labels:

Wednesday, January 9, 2019

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘতম ১০টি নদী

মহাবিশ্বের বিভিন্ন দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে অসংখ্য সব নদ-নদী । তবে আকার আয়তন এবং গভীরতায় রয়েছে একটি অন্যটির থেকে বিশাল ব্যবধান । তবে আসুন তাহলে দেখা যাক পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘতম ১০টি নদীর সামান্য তথ্য উপাত্ত।
১। নীল নদ (Nile) পৃথিবীর বৃহত্তম নদী। নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬,৬৫০ কিলোমিটার। ইথিওপিয়া, ইরিত্রিয়া, সুদান, উগান্ডা, তাঞ্জানিয়া, কেনিয়া, রুয়ান্ডা, বুরুন্ডি, মিশর ,কঙ্গো ,দক্ষিণ সুদান ইত্যাদি দেশের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নীল নদ এসে মিশেছে ভূমধ্য সাগরে।
২। আমাজন (Amazon) নদীর দৈর্ঘ্য ৬,৪০০ কিলোমিটার। ব্রাজিল , পেরু , বোলিভিয়া , কলোমবিয়া , ইকুয়েডর , ভেনিজুয়েলা , গিয়ানা ইত্যাদি দেশের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে শেষে এ নদীটি এসে মিশেছে আটলান্টিক মহাসাগরে।
৩। Yangtze নদীর দৈর্ঘ্য ৬,৩০০ কিলোমিটার। চীনের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে শেষে এসে মিশেছে পূর্ব চীন সাগরে।
৪। মিসিসিপি (Mississippi) নদীর দৈর্ঘ্য ৬,২৭৫ কিলোমিটার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মাঝ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে শেষে এ নদীটি এসে মিশেছে মেক্সিকো উপসাগরে।
৫। Yenisei নদীর দৈর্ঘ্য ৫,৫৩৯ কিলোমিটার। রাশিয়া ও মঙ্গোলিয়ার মাঝ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে শেষে এ নদীটি এসে মিশেছে (Kara Sea) কারা সাগরে।
৬। Yellow River বা হলুদ নদীর দৈর্ঘ্য ৫,৪৬৪ কিলোমিটার। চীনের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে শেষে এসে মিশেছে Bohai Sea তে।
৭। Ob নদীর দৈর্ঘ্য ৫,৪১০ কিলোমিটার। রাশিয়া, কাজাখিস্তান , চীন, মঙ্গোলিয়া ইত্যাদি দেশের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে শেষে এসে মিশেছে Ob উপসাগরে।
৮। পারানা (Parana) নদীর দৈর্ঘ্য ৪,৮৮০ কিলোমিটার। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, প্যারাগুয়ে, বোলিভিয়া, উরুগুয়ে ইত্যাদি দেশের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে শেষে এসে মিশেছে Rio de la Plata এ।
৯। কঙ্গো (Congo) নদীর দৈর্ঘ্য ৪,৭০০ কিলোমিটার। কঙ্গো, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র , এ্যাঙ্গোলা, তাঞ্জানিয়া , ক্যামেরুন , জাম্বিয়া , বুরুন্ডি , রুয়ান্ডা ইত্যাদি দেশের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে শেষে এসে মিশেছে আটলান্টিক মহাসাগরে।
১০। দশম দীর্ঘতম নদীর নাম আমুর (Amur), এর দৈর্ঘ্য ৪,৪৪৪ কিলোমিটার। রাশিয়া, চীন, মঙ্গোলিয়া ইত্যাদি দেশের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে শেষে এ নদীটি এসে মিশেছে Sea of Okhotsk এ।

অ্যান্ড্রয়েডের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

সময়এখন নিঃসন্দেহে স্মার্টফোনের। ফোন মানেই এখন স্মার্টফোন। আর বেশিরভাগ স্মার্টফোনের অপারেটিং সিস্টেম এখন অ্যান্ড্রয়েড। বলা যায় এখন অ্যান্ড্রয়েডের জয়জয়কার চলছে। কিন্তু জনপ্রিয় এই অপারেটিং সিস্টেমটির অনেক তথ্যই হয়তো আমরা জানি না।


নিচে অ্যান্ড্রয়েডের অজানা ৫টি তথ্য তুলে ধরা হলো :
১. সারা বিশ্বের ৮১ শতাংশ স্মার্টফোনেই অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম।
২. অনেকেরই ধারণা, গুগল আর অ্যান্ড্রয়েড একই কোম্পানি। কিন্তু আসলে তা নয়, গুগল অ্যান্ড্রয়েড তৈরি করেনি।
৩. প্রথম অ্যান্ড্রয়েড প্রোটোটাইপ অনেকটা ব্ল্যাকবেরির মতো।
৪. ২০০৮ সালে প্রথম অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন লঞ্চ করেছিল।
৫. এখন পর্যন্ত অ্যান্ড্রয়েডের সব ভার্সনের নামই মিষ্টির নামে রাখা হয়েছে।

কী হবে পৃথিবী ১ সেকেন্ড থেমে গেলে ?

চিন্তা কী আর আমাদের একটা। ফেসবুকের নতুন সেলফিটাই ক’টা লাইক পড়ল। স্ট্যাটাস আপডেটটায় কে কী কমেন্ট করল। বাজারে কী নতুন স্মার্টফোন লঞ্চ হলো। হাজারটা চিন্তা। কিন্তু এত কিছু ভাবনা চিন্তার মধ্যে ভেবে দেখেছেন কি কখনো যদি এই সব কর্মকাণ্ড থেমে যায়! মানে পৃথিবীটা যদি ১ সেকেন্ডের জন্য ঘোরা বন্ধ করে দেয় তবে কী হবে?
ভেবে কোনও কূল কিনার পাবেন না কারণ ভাবার সময়টাই পাবেন না। পৃথিবী থেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই হাওয়ায় ভাসতে থাকবে মানুষ, জীবজন্তু থেকে শুরু করে সব প্রাণী। হাড় গোড়, মাংস সব দলা পাকিয়ে মানুষ অনেকটা ভাঙা পুতুলের মতো হয়ে যাবে। দুই মেরু এই অনুভূতি কয়েক সেকেন্ড পরে টের পেলেও শেষ পর্যন্ত একই অবস্থা হবে। প্লেনের ভিতরে থাকা মানুষেরা প্রথমটাই ব্যপারটা বুঝতে না পারলেও কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে পৃথিবীর আকাশে সৃষ্টি হবে ভয়ঙ্কর এক ঝড়। আর তারপরই সবশেষ। এতো গেল আকাশের কথা। কিন্তু ভূ-পৃষ্ঠে তখন কী হবে?
বাতাসের গতিবেগ প্রচণ্ড বেড়ে যাওয়ার ফলে গোটা পৃথিবী জুড়ে আগুন জ্বলবে। ঠিক যেন আগুনের গোলা। থেমে থাকবে না জলও। পৃথিবীর সমস্ত জলভাগ জুড়ে চলবে বিশাল এক সুনামি। আর সব জল গিয়ে জমা হবে দুই মেরুতে। বাকি পৃথিবী জলশূণ্য হয়ে পড়বে।
এসব ছাড়াও ঘটবে এক অদ্ভূত ঘটনা। পৃথিবী থেমে যাওয়ার ফলে যেদিক সূর্যের সামনে পড়বে সেদিকের সব জ্বলে ছারখার হয়ে যাবে কিন্তু অপর পিঠে সূর্য না থাকায় শূরু হবে ‘আইস এজ’। সব মিলিয়ে, ওই এক সেকেন্ডই পৃথিবীকে তছনছ করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট হবে। এরপর পৃথিবী আবার আগের মতো ঘুরতে শুরু করলেও পৃথিবীতে কিছুই আর আগের মতো থাকবে না। আর হয়ত কখনও প্রাণের সঞ্চারও সম্ভব হবে না।
এক বিজ্ঞানী এই বিষয়ে বলছেন, If Earth stopped for 1 second and you weren’t belt-buckled to the Earth, you would fall over and roll 800 mph due east… killing everyone.

সিকিউরিটি ক্যামেরা সম্পর্কে কিছু জানা অজানা তথ্য

বর্তমান বাংলাদেশে DVR কার্ড এবং সিকিউরিটি ক্যামেরা খুবই মামুলি ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। অফিস, কল-কারখানা, বাসা-বাড়ি প্রায় সব জায়গাতেই ইদানিং ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা দেখা যায়। সিসিটিভি স্থাপন করা এখন আর আগের মত ব্যয়বহুল এবং ঝামেলাপূর্ন নয়। চলুন এ সম্পর্কে কিছুটা জানা যাক।
একটা সিসিটিভি সিস্টেম বসাতে মূলত যা যা প্রয়োজন হয় তা হল…
  • – একটি হাই কনফিগারেশন কম্পিউটার
  • – কম্পিউটারে ক্যামেরা সংযোগের জন্য DVR কার্ড
  • – প্রয়োজনীয় সংখ্যক ক্যামেরা এবং কোএক্সিয়াল ক্যাবল।
Unlimited Web Hosting
কয়েক ধরনের ক্যামেরা পাওয়া যায় যেখান থেকে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারেন। যেমন:- কিছু ক্যামেরা শুধু ভিডিও ধারন করতে পারে এবং কিছু ক্যামেরা ভিডিওর সাথে সাথে শব্দ ও ধারন করতে পারে (এক্ষেত্রে DVR কার্ড ও শব্দ রেকর্ড করার উপযোগী হতে হবে) আবার কিছু ক্যামেরা আছে যা রাতের অন্ধকারে ও কাজ করে। এছাড়া ক্যামেরায় বিভিন্ন ধরনের লেন্স ও ব্যবহার করা যায়।
কম্পিউটার কেনার সময় যে সমস্ত ডিভাইসগুলো দিকে বেশি প্রাধান্য দিতে হবে তা হল, প্রসেসর, RAM এবং হার্ডডিস্কের ক্যাপাসিটি। প্রসেসসর ডুয়াল কোর হলে ভাল হয়, RAM কমপক্ষে ১ গিগাবাইট হতে হবে তবে ২ গিগাবাইট হলে ভাল আর যত বেশী ক্যাপাসিটির হার্ডডিস্ক লাগাবেন তত বেশী ভিডিও সার্ভারে ব্যাকআপ থাকবে। সাধারন ৫০০গিগাবাইট থেকে ১ টেরাবাইট হার্ডডিস্ক লাগানো হয়। সিসিটিভি সিস্টেম কনফিগার করা খুব জটিল কোন কাজ না। DVR কার্ড ড্রাইভার ইনষ্টল করা অন্যসব ডিভাইসের মতই। আর সিসিটিভি সফটওয়্যারটার সাথে দেওয়া ম্যানুয়াল পড়লেই এটা কনফিগারের আইডিয়া পেয়ে যাবেন। প্রোগ্রাম সেটাপের সময় অবশ্যই মনিটরের রেজ্যুলেশনের বিষয়টা খেয়াল রাখবেন। রেজ্যুলেশন ১০২৪X৭৬৮ হলে ভাল হয় অন্যথায় অনেক সময় ডিসপ্লে করবে না। মজার ব্যাপার হল, যে কম্পিউটারটি সিকিউরিটি সার্ভার হিসাবে ব্যবহার করবেন তা থেকে ঐ নেটওয়ার্কে অবস্থিত সবাই এটি দেখতে পারবে। আর আপনার সার্ভার মেশিন এর আইপি যদি রিয়েল হয় তাহলে তো কোন কথাই নেই পৃথিবীর যে কোন স্থানে বসে আপনি দেখতে পারবেন আপনার বাসা বা অফিসের কার্যক্রম।

থ্রিজি মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা দেশে প্রায় অর্ধকোটি

তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রিজি) মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা দেশে প্রায় অর্ধকোটি। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টেলিটকের থ্রিজি ব্যবহারকারী নয় লাখ ৫০ হাজার। মঙ্গলবার দশম জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় (বাজেট) অধিবেশনে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের এক প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য দেন।
মন্ত্রী জানান, দেশের ৪৬ লাখেরও অধিক মানুষ থ্রিজি ব্যবহার করছে। টেলিটকের তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রিজি) মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা নয় লাখ ৫০ হাজার। টেলিটকের গ্রাহক সেবার মান বাড়ানোর ও গ্রহক সেবার পরিধি আরো বৃদ্ধির জন্য ইতিমধ্যেই বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবদুল ওয়াদুদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশের ৫৬টি জেলা সদরসহ আরো ১৫টি উপজেলা সদরে ডিজিটাল প্রদ্ধতিতে সেবা দানের জন্য ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকটিভিটি (এডিএসএল) সংযোগ রয়েছে।’ ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আনোয়ারুল আজীম আনারের এক প্রশ্নের জবাবে আবদুল লতিফ সিদ্দিকী জানান, সরকার দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদকে অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল নেটওয়ার্কের আওতায় আনার জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে একহাজারটি ইউনিয়ন পরিষদে অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্প গ্রহন করেছে। প্রকল্পটি আগামী ২০১৬ সাল নাগাদ শেষ হবে বলে আশা করা যায়। দ্বিতীয় পর্যায়ে আরো একহাজারটি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
Unlimited Web Hosting
ময়মনসিংহ-২ আসনের সংসদ সদস্য শরীফ আহমেদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সংসদকে জানান, সারাদেশে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের আট হাজার ৪৬০ টি গ্রামীণ শাখা ডাকঘর এতে প্রায় ২৩ হাজার ২১ জন অবিভাগীয় (ইডি) কর্মচারী নিয়োজিত রয়েছে। এই সকল শাখা পোস্ট অফিসে কর্মরত ডাক বিভাগের অবিভাগীয় কর্মচারীগণ সরকারের রাজস্ব খাতভুক্ত কর্মচারী নয়। তারা দৈনিক ৪-৬ ঘন্টা কাজের বিনিময়ে মাসিক এক হাজার ১৩০ টাকা হতে এক হাজার ৬৫০ টাকা সম্মানী ভাতা পেয়ে থাকেন।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে সরকার ১/০৮/২০১৩ তারিখ হতে এ সম্মানী ভাতা ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে। তারপরও মাসিক ভাতার পরিমাণ বর্তমান সময়ে তূলনাভুলকভাবে কম হওয়ায় তাদের মাসিক ভাতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

Labels:

ইন্টারনেটের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস: ১৯৬৫ থেকে আজ

আসসালামু আলাইকুম। ইন্টারনেট, আজ আমাদের জীবনেরই এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি অসাধারণত্বকে হার মানায়। কিন্তু এর ইতিহাস কি আমরা জানি?
ইন্টারনেটের আবিষ্কারক কে? প্রশ্নটি যতটা সহজ, উত্তর ততটা নয়। ১৯৬৫ সাল থেকে ২০১৮ পর্যন্ত কত বিবর্তনই না এর ঘটেছে! তবে, ইন্টারনেটের প্রাথমিক ধারণার কৃতিত্ব সাধারণত লিউনার্দ ক্ল্যাইনরককে দেওয়া হয়। ১৯৬১ সালে তিনি ইন্টারনেটের পূর্বসূরী ARPANET (The Advanced Research Projects Agency Network) এর বিষয়ে লিখেছিলেন। একে তিনি বলেছিলেন, “Information Flow in Large Communication Nets” অর্থাৎ, বৃহৎ যোগাযোগ জালে প্রবাহিত তথ্য।
লিক্লাইডার (J.C.R. Licklider) সহ আরো কিছু বিজ্ঞানীর সাথে ক্লেইনরক ছিলেন তথ্য প্রক্রিয়াকরণ প্রযুক্তি দপ্তরের প্রথম পরিচালক। তাকে আমরা আজকের ফেসবুক, টুইটার, ইমেইলের মত আমাদের নিত্যসঙ্গীদের মেরুদন্ড বলতে পারি।
১৯৬৯ সালে আমেরিকান প্রতিরক্ষা বিভাগের ARPANET এর মধ্য দিয়ে ইন্টারনেটের পূর্বসূরীদের যাত্রা শুরু হয়। ARPA (The Advanced Research Projects Agency) তহবিলে গবেষকরা বর্তমানে ব্যবহৃত ইন্টারনেট এর অনেক প্রটৌকলের বিকাশ ঘটান।

ইন্টারনেটের ইতিহাস

১৯৬৫: MIT Lincoln Lab এ সফলভাবে সম্পন্ন হয় দুটি কম্পিউটারের যোগাযোগ। প্যাকেট সুইচিং প্রযুক্তির মাধ্যমে এটি সম্ভব হয়। এটা তথ্য স্থানান্তরের একটা প্রযুক্তি যেখানে প্রেরণের জন্য প্রয়োজনীয়ভাবে তথ্যগুলোকে ভাগ করে নেওয়া হয় এবং গ্রাহক যন্ত্রে গিয়ে পুনরায় যুক্ত হয়ে তথ্য প্রদর্শিত হয়।
১৯৬৮: BBN (Beranek and Newman, Inc.) ইন্টারফেস মেসেজ প্রসেসর (IMP) এর বিবরণ প্রকাশ করে। প্যাকেট-সুইচিং প্রযুক্তিতে দুটি নেটওয়ার্কের আন্তঃসংযোগের জন্য এর ব্যবহার হত। তাদের সাথে চুক্তি হয় ARPANET এর।
১৯৬৯: অক্টোবর, ২৯ তারিখে UCLA’s Network Measurement Center, Stanford Research Institute (SRI), University of California-Santa Barbara এবং University of Utah নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়। প্রথম মেসেজ ছিল ‘LO’, যা ছিলে চার্লস ক্লাইন নামের একজন ছাত্রের লগইনের প্রচেষ্টা। দুর্ভাগ্যবসত SRI সিস্টেম ক্র্যাশ করায় মেসেজটি প্রেরণ হতে ব্যার্থ হয়।
১৯৭২: BBN এর স্যার রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন নেটওয়ার্ক ইমেইলকে তুলে ধরেন। প্রয়োজনীয় সিস্টেম প্রটৌকল স্থাপনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয় ইন্টারনেটওয়ার্কিং ওয়ার্কিং গ্রুপ (INWG)। নিঃসন্দেহে ইন্টারনেটের আগমনের বড় একটা ধাপ।
১৯৭৩: বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্কিং বাস্তবতা পেতে শুরু করে যখন University College of London (England) এবং Royal Radar Establishment (Norway) ARPANET এ যুক্ত হয়। জন্ম হয় ইন্টারনেট (Internet) শব্দটির।
১৯৭৪:  প্রথম ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার (ISP) টেলিনেট (Telenet) নামে ARPANET এর কমার্শিয়াল ভার্সনের সূচনা করে।
১৯৭৪: আধুনিক ইন্টারনেটের জনক বলে পরিচিত ভিন্টন সার্ফ (Vinton Cerf) এবং বব কাহন (Bob Kahn) প্যাকেট নেটওয়ার্ক আন্তঃযোগাযোগের একটি প্রটৌকল (A Protocol for Packet Network Interconnection) প্রকাশ করেন, যেখানে বর্ণিত হয় ট্রান্সমিশন কন্টোল প্রটৌকল (TCP) এর ডিজাইন।
১৯৭৬: রানী দ্বিতীয় এলিযাবেথ প্রেরণ করেন তার প্রথম মেইল।
১৯৭৯: খবর আর আলোচনা হোস্টের জন্য USENET এর জন্ম হয়।
১৯৮১: বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞানীদের নেটওয়ার্কে আনার জন্য কম্পিউটার সায়েন্স নেটওয়ার্ক (CSNET) প্রতিষ্ঠা মঞ্জুর করে ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন (NSF)।
১৯৮২: ARPANET এর প্রটৌকল হিসেবে ট্রান্সমিশন কন্টোল প্রটৌকল (TCP) এবং ইন্টারনেট প্রটৌকল (IP) এর উথ্থান ঘটে, যেগুলো TCP/IP নামে পরিচিত। ফলে উদীয়মান ইন্টারনেট নতুন সংজ্ঞা লাভ করে। TCP/IP হয় আদর্শ ইন্টারনেট প্রটৌকল।
১৯৮৩: ওয়েবসাইটের নামকরণের জন্য ডোমেইন নেম সিস্টেম (Domain Name System, DNS) এ যুক্ত হয় এখনকার কিছু জনপ্রিয় এক্সটেনশন-.edu, .gov, .com, .mil, .org, .net এবং.int। ফলে ডোমেইনের নাম মনে রাখা পূর্বের আইপি এড্রেসের (যেমন: 123.456.789.10) চেয়ে অনেক সহজ হয়।
১৯৮৪: উইলিয়াম গিবসন (William Gibson) প্রথমবারের মত সাইবারস্পেস (Cyberspace) শব্দটি ব্যবহার করেন।
১৯৮৫: ম্যাসাচুসেটসের (Massachusetts) সিম্বলিক্স কম্পিউটার কর্পোরেশন (Symbolics Computer Corp.) এর ওয়েবসাইট Symbolics.com, প্রথম রেজিস্টার্ড ডোমেইনের অধিকারী হয়।
১৯৮৬: আমেরিকার ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন (NSF) এর সুপারকম্পিউটার গুলোকে একটি নেটওয়ার্কে যুক্ত করতে তাদের তৈরি এনএসএফনেট (NSFNET) কে অনলাইন করা হয়। আর তখন এর গতি ছিল একটি স্ট্যান্ডার্ড ডায়ালআপ মডেমের মত – ৫৬০০০ বিট প্রতি সেকেন্ড। ধীরে ধীরে সময় যেতে লাগল ন্যাশনাল সাইন্স ফাউন্ডেশন এর তৈরি এই বিশেষ নেটওয়ার্কের গতিও বাড়তে থাকল, একপর্যায়ে আঞ্চলিক বিভিন্ন গবেষনা কেন্দ্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও এই নেটওয়ার্কেরর সাথে কানেক্টেড হয়। এটাই ছিল ইন্টারনেটের প্রথম ছড়িয়ে পড়া। এনএসএফনেট এটি মূলত ছিল একটি নেটওয়ার্ক এর জাল, যেটা ততকালীন আরপানেট থেকে শুরু করে প্রান্তীয় একাডেমিক ইউজারদের সাথেও সংযুক্ত ছিল। (এই অংশটুকুর অনুবাদক তৌহিদুর রহমান)
১৯৮৭: ইন্টারনেটে হোস্টের সংখ্যা ২০০০০ ছাড়ায়। Cisco নিয়ে আসে তাদের প্রথম রাউটার।
১৯৮৯: প্রথমবারের মত কমার্শিয়াল ডায়াল আপ ইন্টারেট একসেস নিয়ে আসে World.std.com
১৯৯০: ইউরোপের নিউক্লিয়ার রিসার্চ অর্গানাইজেশন (CERN) একজন বিজ্ঞানী টিম বার্নার্স লি ডেভেলোপ করেন আমাদের সকলের অতি পরিচিত এইচটিএমএল (HyperText Markup Language, HTML) ভাষার। আজ আমরা যে ইন্টারনেট দেখছি তাতে এর অবদান অনেক।
১৯৯১: CERN ইন্টারনেটকে জনসাধারণের কাছে উপস্থাপন করে।
১৯৯২: ইন্টারনেটে প্রথম অডিও আর ভিডিও যুক্ত হয়। সার্ফিং দা ইন্টারনেট (surfing the Internet) বাক্যটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
১৯৯৩: ওয়েবসাইটের সংখ্যা ৬০০ তে পৌছায় এবং হোয়াইট হাউজ ও আমেরিকা অনলাইনে আসে। ইলিনস বিশ্ববিদ্যালয় (University of Illinois, Champaign-Urbana) এর ছাত্র  মার্ক এন্ড্রেসেন (Marc Andreesen) তৈরি করেন মোজাইক ব্রাউজার। ১৯৮৫ সালে এনএসএফনেট (NSFNET) এ সংযুক্ত ২০০০ কম্পিউটারের সংখ্যা ১৯৯৩ এ এসে হয় ২০ লক্ষেরও বেশি! নেটওয়ার্কের বিকাশমান কমার্শিয়াল ব্যবহারকে সাপোর্টের জন্য ইন্টারনেটের নতুন আর্কিটেকচার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন (NSF)।
১৯৯৪: শুরু হয় Netscape Communication। মাইক্রোসফট তাদের উইন্ডোজ ৯৫ এর জন্য নিয়ে আসে ওয়েব ব্রাউজার।
১৯৯৪: স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির দুজন গ্রাজুয়েট ছাত্র জেরি ইয়াং আর ডেভিড ফেলোর হাতে তৈরি হয় ‘ইয়াহু!’। সাইটটির নাম আসলে ফিল “জেরি আর ডেভিডের বিশ্ববিস্তৃত জাল গাইড” (Jerry and David’s Guide to the World Wide Web)। পরে মার্চ ১৯৯৫ সালে  ‘ইয়াহু!’ নামকরণ হয়।
১৯৯৫:  কম্পিউসার্ভ, আমেরিকা অনলাইন অ্যান্ড প্রোডিজি ইন্টারনেট একসেস দিতে শুরু করে। অ্যামাজন, ক্রেইগসলিস্ট আর ইবে-র মত সাইটগুলো চালু হয়। ইন্টারনেটকে একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার কাজ বহুলাংশে সম্পাদন হওয়ায় এনএসএফনেট প্রত্যাহার করা হয়।
১৯৯৬: মাইক্রোসফট আর নেটস্কেপের ব্রাউজার যুদ্ধ উত্তাপ ছড়াতে থাকে। সিনেট ১৫০০০ ডলারের বিনিময়ে কিনে নেয় tv.com
১৯৯৬: থ্রিডি অ্যানিমেটেড ডাবিংকৃত  ভিডিও ‘ড্যান্সিং বেবি‘ প্রথম ভাইরাল হয়।
১৯৯৭: রিড হ্যাস্টিংস ও মার্ক র্যান্ডলফ মেইলের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের ডিভিডি প্রেরণের নেটফ্লিক্স প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯৯৭: উইন্ডোজ ৯৫ এর নতুন ভার্সনে পিসি প্রস্তুতকারকদের মাইক্রোসফটের জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট তাদের ব্রাউজার হাইড অথবা রিমুভের সুযোগ দেয়। নেটস্কেপ তাদের ব্রাউজারকে ফ্রি ঘোষণা করে।
১৯৯৮: আমাদের অতি আপনজন, আমাদের সবার ‘মামা’, গুগলের জন্ম হয়। আজ গুগল ছাড়া নেট ব্রাউজিং আমাদের চিন্তারও বাইরে!
১৯৯৮: ভবিষ্যতের ইন্টারনেটের জন্য উম্মোচিত হয় ইন্টারনেট প্রটৌকলের ষষ্ঠ ভার্সন (IPv6)। তবে এখনও IPv4 সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়। IPv4 ৩২ বিট এড্রেস ব্যবহার করে যা ৪.৩ বিলিয়ন ইউনিক এড্রেস ব্যবহারের সুযোগ দেয়। তবে কিয়ামত পর্যন্ত IPv6 এর ইউনিক এড্রেস শেষ হওয়ার সম্ভাবনা নেই, এটি দিবে ৩৪০  ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ইউনিক এড্রেস! যদি জানা না থাকে, তবে বলে রাখি এক ট্রিলিয়ন= এক লক্ষ কোটি!
১৯৯৯: AOL, Netscape-কে কিনে নেই। ইন্টারনেটে Napster এর আগমনের সাথে Peer-to-peer ফাইল শেয়ারিং বাস্তবতা পায়।
২০০০: ডট কমের জনপ্রিয়তা তুমুলে পৌছে। ইন্টারনেটের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ওয়েব সাইটগুলো বৃহৎ পরিমাণে DoS Attack এর শিকার হয়।
২০০১: ফেডেরাল জাজের নির্দেশে Napstar বন্ধ হয়ে যায়। নির্দেশ দেওয়া হয়, পুনরায় অনলাইনে আসার পূর্বে একে অবশ্যই ইউজারদের কপিরাইটকৃত উপাদান শেয়ার বন্ধের উপায় তৈরি করতে হবে।
২০০৩: SQL Slammer দশ মিনিটেই পুরো পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে। মাইস্পেস, স্কাইপি এবং ওয়েব ব্রাউজার সাফারির উত্থান ঘটে।
২০০৩: ব্লগ পাবলিশিং প্লাটফর্ম ওয়ার্ডপ্রেসের জন্ম হয়।
২০০৪: অনলাইনে ফেসবুকের আগমনের সাথে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিংয়ের যুগ শুরু হয়। মজিলার পক্ষ থেকে আসে তাদের ফায়ারফক্স ওয়েব ব্রাউজার।
২০০৫: চালু হয় ইউটিউব চালু হয়। সোশ্যাল নিউজ সাইট রেডিটেরও জন্ম হয়।
২০০৬: AOL এর ব্যবসায়িক পরিবর্তন ঘটায় এবং অধিকাংশ সার্ভিস বিনামূল্যে প্রচার করে। রিভেন্যু পেতে তারা বিজ্ঞাপননির্ভর হয়। ইন্টারনেট পরিচালনা ফোরাম প্রথম আসে।
২০০৬: টুইটারের অভ্যুদয় হয়। প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক ডর্সে (Jack Dorsey) প্রথম টুইট করেন,  “just setting up my twttr.”
২০০৯: ইন্টারনেটের চল্লিশতম বর্ষপূর্তি ঘটে।
২০১০: ফেসবুকের একটিভ ব্যবহারকারীর সংখ্য ৪০০ মিলিয়নে পৌছে।
২০১০: সামাজিক যোগাযোগ সাইট পিনটেরেস্ট আর ইনস্ট্রাগাম জন্ম নেয়।
২০১১: মধ্যপ্রাচ্যের বিদ্রোহে ফেসবুক ও টুইটার বড় ভূমিকা পালন করে।
২০১২: প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসন অনলাইন পাইরেসি বন্ধ অাইন ও মেধাসত্ব সংরক্ষণ আইনের ঘোষণা দেয়, যা ইন্টারনেট পরিষেবা সরবরাহকারীদের কপিরাইটেড কন্টেন্ট প্রতিরক্ষায় নতুন ধরনের আইনেএর সৃষ্টি করত। প্রযুক্তি নির্ভর বিভিন্ন কোম্পানি যেমন গুগল ও অলাভজনক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যেমন উইকিপিডিয়ার আর বিলটি বন্ধ করতে সফল হলে ইউটিউবের মত ব্যবহারকারী নির্মিত কনটেন্ট নির্ভর সাইটগুলো বিজয়ী হয় বলে মনে হয়।
২০১৩: প্রাক্তন CIA কর্মকর্তা এবং National Security Agency (NSA) কন্ট্রাক্টর এডওয়ার্ড স্নোডেন প্রকাশ করেন যে, NSA মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদেরসহ সহস্র মানুষের যোগাযোগ নজরদারিতে সক্ষম ছিল।
২০১৪: Pew Research Center এর সার্ভে থেকে জানা যায় ৫১% আমেরিকান অনলাইনে ব্যাংকিং করে থাকেন।
২০১৫: সেসময়ের ৩১৬ মিলিয়ন ইউজার থাকা টুইটারকে ছাড়িয়ে ছবি শেয়ারের সাইট ইনস্ট্রাগ্রাম ৪০০ মিলিয়ন ইউজার পেতে সক্ষম হয়।
২০১৬: গুগল নিয়ে আসে ভয়েস সক্রিয় গুগল ব্যক্তিগত সহকারি প্রোগ্রাম গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট।
পোস্টটি করতে গিয়ে আমি বুঝলাম, ইংরেজি অনুবাদে আমি কতটা অদক্ষ। আসল ইংলিশ পোস্ট এখানেপাবেন। অবশ্যই কৃতিত্ব তাদেরই, আমি কেবল অনুবাদক।