Wednesday, January 10, 2018

যা ঘটে ১ মিনিটে ইন্টারনেটে



১ মিনিট। ৬০ সেকেন্ড। টিক টক, টিক টক। খুব দ্রুত ১ মিনিট সময় চলে যায়। তাই হয়তো ভাবছেন এই সময়ের মধ্যে কী আর ঘটে? কিন্তু সময় যে বড়ই মূল্যবান। সময়ের প্রতিটা সেকেন্ড যেখানে গুরুত্বপূর্ণ, সেখানে মিনিট তো আরো অনেক বড় কিছু।


১ মিনিটে অনেক কিছুই ঘটতে পারে। বিশেষ করে ইন্টারনেট জগতে। এখানে প্রতি মিনিটে কয়েক বিলিয়ন বাইট তথ্য ট্রান্সফার হয়। মানুষ নিজেদের নানা কিছু এখন একে অপরের সঙ্গে ইন্টারনেটের মাধ্যমেই শেয়ার করে। সুতরাং এটা ভাবাটাও মুশকিল যে, মানুষ তাহলে কী পরিমান স্মৃতি, ধারণা, অভিজ্ঞতা ও আবেগ ইন্টারনেটের মাধ্যমে শেয়ার প্রতিদিন শেয়ার করছে।

ইন্টারনেটের নানা মাধ্যমে প্রতি মিনিটে কত কিছু ঘটে চলেছে, সেটা বোঝানার জন্য খুব ছোট্ট একটা উদাহরণ হিসেবে কিছু সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং মাধ্যমে ১ মিনিটেই কী ঘটে, সেটা জেনে নিন।

* ফেসবুকে প্রতি ১ মিনিটে লাইক পড়ে ৪১ লাখ ৬৬ হাজার ৬৬৭টি পোস্টে।

* টুইটারে প্রতি ১ মিনিটে ৩ লাখ ৪৭ হাজার ২২২টি টুইট করা হয়।

* ইউটিউবে প্রতি ১ মিনিটে নতুন ভিডিও আপলোড করা হয় মোট ৩০০ ঘণ্টার।

* ইনস্টাগ্রামে প্রতি ১ মিনিটে ১৭ লাখ ৩৬ হাজার ১১১টি ছবি লাইট পড়ে।

* পিনটারেস্টে প্রতি ১ মিনিটে পিন হয় ৯ হাজার ৭২২টি ছবিতে।

* অ্যাপল অ্যাপস স্টোর থেকে প্রতি ১ মিনিটে ডাউনলোড করে থাকে ৫১ হাজার অ্যাপস।

* নেটফিক্সে প্রতি ১ মিনিটে ভিডিও স্ট্রিম হয়ে থাকে ৭৭ হাজার ১৬০ ঘণ্টা।

* রেডডিটিতে প্রতি ১ মিনিটে ভোট কাস্ট হয়ে থাকে ১৮ হাজার ৩২৭টি।

* অ্যামাজন সাইটে প্রতি ১ মিনিটে ইউনিক ভিজিটর ৪ হাজার ৩১০ জন।

* ভাইনে প্রতি ১ মিনিটে ভিডিও প্লে হয়ে থাকে ১০ লাখ ৪১ হাজার ৬৬৬টি।

* স্ন্যাপচ্যাটে প্রতি ১ মিনিটে ২ লাখ ৮৪ হাজার ৭২২ স্ন্যাপ শেয়ার হয়।

* স্কাইপেতে প্রতি ১ মিনিটে ১ লাখ ১০ হাজার ৪০ কল হয়।

Labels:

অনলাইন কেনাকাটার জন্যে বাংলাদেশের প্রথম সারির ১০ টি ই-কমার্স সাইট

প্রযুক্তির সাথে সাথে বাইরের দেশগুলর মতো আমাদের দেশের অনলাইন কেনাকাটার ট্রেন্ডস অনেক বেড়েছে। আমাদের মাঝে এখন অনেকেই অনলাইন এ কেনাকাটাই প্রাধান্য দেই। তবে এখানে আমাদের মাঝে কনফিউশন থাকে কোন সাইট থেকে কেনাকাটা করা যায় কিংবা কোন সাইটগুল ট্রাস্টেড কিংবা প্রোডাক্ট কোয়ালিটিই বা কেমন! তাই এই ভেবে আজ আমি বাংলাদেশের প্রথম সারির কিছু ইকমার্স সাইট এর লিস্ট দিচ্ছি যা কিনা আপনাদের অনলাইন কেনাকাটায় সাহায্য করবে
** এলেক্সা রাঙ্ক এর উপর ভিত্তি করে এই লিস্ট করা হয়েছে **
১-  Kaymu.com.bd এলেক্সা রাঙ্ক এর উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের অনলাইন শপিং সাইট এর ক্যাটাগরি তে প্রথমেই আছে রকেট ইন্টারনেট এর প্রোজেক্ট Kaymu.com.bd যদিও সাইট টি জার্মান কোম্পানির। এটি ভেন্ডর বেইজড একটি সাইট যেখানে প্রায় সব ধরনের প্রোডাক্ট কিনতে এবং বিক্রি করতে পারবেন।  বর্তমান এলেক্সা রাঙ্ক- ৯০
২- Ajkerdeal.com বাংলাদেশ ভিত্তিক প্রথম বাংলা ই-কমার্স এবং বাংলাদেশি মালিকানায় বাংলাদেশি প্রথম ই-কমার্স সাইট আজকেরডিল ডট কম। এটি বিডি জবস এর একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। এই সাইট থেকে আপনি প্রায় সকল ধরনের শপিং করতে পারবেন। তাদের বর্তমান এলেক্সা রাঙ্ক- ১৬৫
৩- Rokomari.com অনলাইন এ বই কিনার কথা ভাবছেন? তাহলে রকমারি তে একবার আপনাকে প্রবেশ করতেই হবে। শুধুমাত্র অনলাইন বই কিনার জন্যে বাংলাদেশি সাইট রকমারি ডট কম এখন অনলাইন শপিং রাঙ্ক এর তৃতীয় তে আছে। তাদের বর্তমান এলেক্সা রাঙ্ক- ২১০
৪- Akhoni.com– চতুর্থ অবস্থানে আছে এখনি ডট কম। এখনি ডট কম বাংলাদেশের প্রথম অনলাইন শপিং সাইট তবে এখন চতুর্থতে আছে। তাদের বর্তমান এলেক্সা রাঙ্ক- ২১৭
৪- Daraz.com.bd  জার্মান বেইজড কোম্পানি রকেট ইন্টারনেট এর আরেকটি শপিং সাইট বাংলাদেশে আছে পঞ্চম রেঙ্কিং এ । তাদের বর্তমান এলেক্সা- ২৩১
৫- eGhor.com ই-ঘর লিমিটেড এর ই-কমার্স সাইট ইঘর ডট কম বাংলাদেশি অনলাইন শপিং ক্যাটাগরি তে বর্তমানে আছে ষষ্ঠ অবস্থানে। এই সাইট থেকেও প্রায় সকল ক্যাটাগরির শপিং আপনি করতে পারবেন। তাদের বর্তমান এলেক্সা রাঙ্ক- ৪৭৯
৬- branoo.com– ইঘর এর ঠিক পরপরই থাকছে ব্রাননো এর অবস্থান। ব্রান্ডেড পারফিউম প্রসাধনী এবং অন্যান্য ব্রান্ড প্রোডাক্ট কিনার জন্যে এই সাইট আপনাকে অনেক সাহায্য করবে। তাদের বর্তমান এলেক্সা রাঙ্ক- ৫৫২
৭-Esho.com– সপ্তম অবস্থানে আছে এসো ডট কম। অনলাইন থেকে ক্লথিংস কিনাকাটার জন্যে এসো কে আপনি বেছে নিতে পারেন।
৮- jemontemon.com– ইঘর লিমিটেড এর আরেকটি প্রোজেক্ট যেমনতেমন ডট কম। বিউটি এবং ফ্যাশান এক্সেসরিজ এর জন্যে এই সাইট এ আপনি কেনাকাটা করতে পারেন। তাদের বর্তমান এলেক্সা রাঙ্ক- ৬৫৩
৯-priyoshop.com – বাংলাদেশি অনলাইন শপিং এর জন্যে পপুলার আরেকটি সাইট প্রিয়শপ ডট কম। আপনি প্রায় সকল ক্যাটাগরির শপিং করতে পারবেন এই সাইট থেকে । তাদের বর্তমান এলেক্সা রাঙ্ক- ৬৭১
১০-bdhaat.com– দশম অবস্থানে আছে বিডি হাট ডট কম। অনলাইন শপিং এর জন্যে ভালো আরেটি সাইট।
এলেক্সা রাঙ্ক এবং ভিজিটর এর উপর ভিত্তি করে এই হল বাংলাদেশের অনলাইন শপিং ক্যাটাগরির প্রথম দশটি সাইট।
আজ আপাতত এইটুকুই! অনলাইন ফিল্ড এর আরও আপডেট নিয়ে হাজির হব আরেকদিন।
****  এলেক্সা রাঙ্ক সাইট এর পারফরমেন্স এর উপর ভিত্তি করে পরিবর্তনশীল। সুতরাং এলেক্সা এর উপর ভিত্তি করে এই লিস্ট পরিবর্তনশীল **

Labels:

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের কিছু টিপস

অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমচালিত স্মার্টফোন এখন অনেকেই ব্যবহার করেন। কিন্তু অনেক ব্যবহারকারীর কাছেই এখনও অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের নানা বিষয় অজানা। অ্যান্ড্রয়েডচালিত আপনার ডিভাইসটি যাতে ঠিকঠাক চালানো যায়, সে জন্য টাইম ম্যাগাজিনের প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট টেকল্যান্ড সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছে। ওই প্রতিবেদনের আলোকে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ১৪টি পরামর্শ নিয়েই এবারের মেইনবোর্ড।
হোমস্ক্রিন সাজাতে ব্যবহার করুন উইজেট
উইজেট ব্যবহার করে খুব সহজেই সাজাতে পারবেন স্মার্টফোনের হোমস্ক্রিনটি। হোমস্ক্রিন সাজাতে উইজেট ব্যবহারের জন্য মেইন অ্যাপ লঞ্চার থেকে অপশনটি সিলেক্ট করে নিন। উইজেট ব্যবহার করে আপনার পছন্দের জিনিসগুলোকে হোমস্ক্রিনে নিয়ে আসতে পারবেন। এতে করে আপনি সহজেই আপনার স্মার্টফোনটিকে ইচ্ছানুযায়ী সাজাতে পারবেন।

প্রয়োজনীয় নাম্বার রাখুন উইজেটে
একটি হলেও প্রয়োজনীয় ব্যক্তির নাম্বার রাখুন উইজেটে। এতে আপনার প্রয়োজনের মূহূর্তে নাম্বারটি খুঁজতে অপশনে যেতে হবে না। হোমস্ক্রিন থেকেই সরাসরি ফোন করতে পারবেন আপনি। উইজেটে নাম্বার রাখার জন্য আপনার হোমস্ক্রিন থেকে চালু করুন উইজেট এবং ডিফল্ট থেকে শর্টকার্টে পরিণত করুন উইজেটটিকে। এরপর পার্সন সিলেক্ট করে যে নাম্বারটি রাখতে চান, তা সিলেক্ট করুন।
গুগল প্লের মাধ্যমে স্ট্রিম করুন মিউজিক কালেকশন
গান স্ট্রিম করে শুনতে ব্যবহার করুন গুগল প্লে। কারণ গুগল প্লে আপনাকে দেবে অসংখ্য গান শোনার এবং সেগুলোকে নিজের প্লে লিস্টে রাখার সুযোগ। এমনকি অফলাইনে থাকলেও পছন্দের গান শোনার সুযোগ রয়েছে গুগল প্লেতে।

চালু রাখুন অটোমেটিক আপডেট
আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনটির অ্যাপগুলোতে অটোমেটিক আপডেট চালু রাখুন। এতে করে আপনি অ্যাপগুলোর নিত্যনতুন সেবা সহজেই উপভোগ করতে পারবেন। অটোমেটিক আপডেট চালু করার জন্য ফোনে সেটিংস অপশনে ‘অটো আপডেট অ্যাপ’ নামে একটি বক্স পাবেন। এখান থেকে  চালু করে দিন অটো আপডেট।

ব্যবহার করুন পছন্দের কিবোর্ড
অ্যান্ড্রয়েড ফোনগুলোতে নির্মাতারা কিবোর্ড দিয়ে দেন। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই আপনার পছন্দ নাও হতে পারে সে কিবোর্ড। এক্ষেত্রে আপনি পছন্দের ও সুবিধাজনক ভার্চুয়াল কিবোর্ড ব্যবহার করতে পারবেন। অনলাইন থেকে কিনে নিন আপনার পছন্দসই কিবোর্ড। এ রকম বেশকিছু কিবোর্ড অ্যাপ রয়েছে। যেমন সুইফট কি, সোয়াইপ ইত্যাদি। কেনার আগে ফ্রি ট্রায়াল হিসেবেও ব্যবহার করতে পারবেন এ রকম কিবোর্ড।
সেট করে নিন ‘গুগল নাও’
‘গুগল নাও’ এমন একটি অ্যাপ, যা প্রয়োজনীয় তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে জানিয়ে দেবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ধরা যাক আপনি একটি রেল স্টেশনে আছেন। যদি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনটিতে ‘গুগল নাও’ ইনস্টল করা থাকে, তাহলে এটি আপনাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জানিয়ে দিবে পরবর্তী ট্রেন আসার সময়। তবে এ জন্য ট্রেনের সময়সূচি অনলাইনে থাকতে হবে। এ ছাড়াও এটি আপনাকে বিভিন্ন ইভেন্টের ব্যাপারে মনে করিয়ে দেবে আগেই।
ব্রাউজার হিসেবে ব্যবহার করুন গুগল ক্রোম
সাধারণত প্রায় সব অ্যান্ড্রয়েড ফোনেই ডিফল্ট ব্রাউজার হিসেবে গুগল ক্রোম দেওয়া থাকে। তারপরেও যদি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনটিতে অন্য কোনো ডিফল্ট ব্রাউজার দেওয়া থাকে তবে তা পরিবর্তন করে নিন। গুগল প্লে থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন ব্রাউজারটি। গুগল ক্রোম ব্রাউজারটি সহজ এবং দ্রুতগতিসম্পন্ন। কম্পিউটারে গুগল ক্রোম ব্যবহার করলে সেখান থেকে আপনার বুকমার্ক পেইজগুলো ক্রোমের মোবাইল অ্যাপটিতে ¯^য়ংক্রিয়ভাবে যোগ হয়ে যাবে।
এসএমএস পড়তে পারেন কম্পিউটারে
অ্যান্ড্রয়েড ফোনে বেশকিছু থার্ড পার্টি সফটওয়্যার ব্যবহারকারীকে কম্পিউটারে টেক্সট মেসেজ বা এসএমএস পড়ার সুযোগ দেয়। এমনকি সরাসরি কম্পিউটার থেকে উত্তরও দেয়া যায় মেসেজগুলোর। এ রকম অ্যাপ ব্যবহার করে আপনি চাইলেও পড়তে পারেন ফোনে আসা মেসেজগুলো। এ রকম অ্যাপের ব্যাপারে টাইম ম্যাগাজিন ‘মাইটিটেক্সট’ অ্যাপটি ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে। মাইটিটেক্সটের ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন অ্যাপটি।
অ্যাপ্লিকেশনে ব্যবহার করুন ‘শেয়ার’
অ্যান্ড্রয়েড ফোনটির বিভিন্ন অ্যাপে রয়েছে শেয়ারের অপশন। শেয়ারের মাধ্যমে একটি অ্যাপ আরেকটি অ্যাপের সঙ্গে সংযুক্ত হয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আপনার মেসেজ অপশনে লেখা টেক্সটটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার পছন্দের সোশ্যাল নেটওয়ার্কে পোস্ট করে দেবে অ্যাপ। এতে করে সাইটটিতে না গিয়েও আপনি পোস্ট করতে পারবেন। শেয়ার অপশনটি চালু রাখার মাধ্যমে এভাবেই আপনি বাঁচাতে পারবেন মূল্যবান সময়।
ডাউনলোড করে নিন ম্যাপ
অফলাইনে ব্যবহারের জন্য ডাউনলোড করুন ম্যাপ। এতে করে ইন্টারনেট সার্ভিস সমস্যা করলেও আপনাকে পোহাতে হবে না কোনো ঝামেলা। কোথাও যাবার সময় বা কোনো জায়গা খুঁজে বের করতে ইন্টারনেট সার্ভিস চালুও করতে হবে না। এ কাজটি করতে মোবাইলের ম্যাপ অপশনটিতে গিয়ে সিলেক্ট করে দিন ‘মেক অ্যাভেইলেবল ফর অফলাইন’। আর ম্যাপের যে অংশটি ডাউনলোড করতে চান, তা জুম করে ‘ডান’ অপশনটি সিলেক্ট করুন।
ছবি স্থানান্তরে পিসির সঙ্গে ফোন সংযুক্ত করুন
ছবি দ্রুত স্থানান্তরের জন্য পিসির সঙ্গে সংযুক্ত করতে পারেন অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি। দ্রুত ছবি স্থানান্তরের জন্য ফোনটিকে পিসির ইউএসবি পোর্টের মাধ্যমে সংযুক্ত করুন। তারপর ফাইল ব্রাউজারে ইন্টারনাল স্টোরেজ ফোল্ডারটিতে ক্লিক করুন। সেখানে পাবেন ‘ডিসিআইএম’ নামের ফোল্ডার, যেখানে পাবেন অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সব ছবি। এখান থেকেই দ্রুত ছবি স্থানান্তর করতে পারবেন পিসিতে।
স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছবি ব্যাকআপ রাখুন
আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনটিতে থাকা ছবি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাকআপ রাখতে পারেন চাইলেই। এ কাজটি করার সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে ‘গুগল প্লাস’। এ জন্য আপনাকে যা করতে হবে, তা হল গুগল প্লাস অ্যাপটি চালু করে সেটিংসে গিয়ে ‘ইন্সট্যান্ট ফটো আপলোড’ অপশনটি চালু করতে হবে। এরপর থেকে আপনার সব ছবির ব্যাকআপ রাখবে অ্যাপটি।
রিমোট ওয়াইপের জন্য ব্যবহার করুন অ্যাপ
অ্যান্ড্রয়েড ফোনে রিমোট ওয়াইপ ফিচারটি নেই। তাই আপনার ফোনটি হারিয়ে গেলে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য অন্য ব্যক্তির হাতে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ঝামেলা থেকে রক্ষা পেতে ব্যবহার করুন রিমোট ওয়াইপ সম্বলিত থার্ড পার্টি অ্যাপ। এ রকম অ্যাপের মাধ্যমে আপনি সহজেই হারিয়ে যাওয়া ফোনের সব ডেটা মুছে ফেলতে পারবেন। টাইম ম্যাগাজিন রিমোট ওয়াইপ অ্যাপ হিসেবে ‘অ্যান্ড্রয়েড লস্ট’ অথবা ‘সিরবিরাস’ ডাউনলোডের পরামর্শ দিয়েছে। অ্যাপগুলো ট্রায়াল ভার্সন হিসেবেও ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে।
সুযোগ নিন রিফান্ডের
যে কোনো অ্যাপ কেনার পর ১৫ মিনিট সুযোগ থাকে অ্যাপটি পরীক্ষা করার। যদি এ ১৫ মিনিটে আপনি বুঝতে পারেন, অ্যাপটি আপনার প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম নয়; তাহলে অ্যাপটি ফিরিয়ে দিতে পারবেন। আর অ্যাপটি কিনতে ব্যবহৃত অর্থ ফেরত পেতে গুগল প্লের রিফান্ড সুযোগটি কাজে লাগান। এ জন্য আপনাকে গুগল প্লে থেকে যে অ্যাপটির মূল্য ফেরত পেতে চাচ্ছেন, সে পেইজে যেতে হবে। সেখানে আপনি রিফান্ড নামে একটি অপশন পাবেন। অপশনটিতে ক্লিক করলে আপনার ফোনে অ্যাপ্লিকেশনটি আনইনস্টল হয়ে যাবে এবং ফেরত  আসবে ব্যবহৃত অর্থ।

Labels:

মারাত্মক ১০টি হ্যাকিং সফটওয়্যার ফ্রী ডাউনলোড করুন

অনেক দিন পরে হ্যাকিং সফটওয়্যার শেয়ার করতেছি। এখানে মারাত্মক শিক্তিশালি ১০টি হ্যাকিং সফটওয়্যার আছে। এই প্যাকেজে আছে sniffer, brootforce, decoder, network scanner এবং আরো কিছু শক্তিশালী সফটওয়্যার এর মাঝে আছে। একটু আডভান্স লেভেল এর সফটওয়্যার এগুলো নতুনরা হয়ত ঘাবড়ে যেতে পারেন। সাইজ একদম ছোট মাত্র ২৬মেগা। আসা করি কার প্রবলেম হবে না।
১০টি হ্যাকিং সফটওয়্যার ফ্রী ডাউনলোড মারাত্মক ১০টি হ্যাকিং সফটওয়্যার ফ্রী ডাউনলোড করুন
চলুন এক নজরে দেখে নেই কি কি আছে এর ভিতরে।
– Cain and Abel (sniffer)
– John the Ripper (powerful brootforce)
– NetStumbler (allows to define radius of action of network WiFi – in real time for the diagram it is possible to see size of a useful signal)
– Nmap (one of the best network scanner)
– Putty (a quite good telnet the client)
– SuperScan (powerful scanner TCP of ports, pinger and hostname resolver)
– Hping (allows to generate special ICMP/UDP/TCP packages and to look through answers ping a host in style of the usual utility ping)
– Lcp (audit and restoration of passwords Windows NT / 2000 / XP / 2003)
– Nikto (perl the scanner broken Web a server, with support SSL)
– Kismet (sniffer a wireless network 802.11 and the decoder of packages)
Download Links:
File Serve
Code:
http://www.fileserve.com/file/Cvr6zaq
File Sonic
Code:

Labels:

জিমেইলের অজানা কিছু তথ্য জেনে নিন (Google mail বা Gmail এর কিছু গোপন আকর্ষণ

ইন্টারনেট ব্যবহার করেন কিন্তু জিমেইলে অ্যাকাউন্ট নেই এমন মানুষ কমই আছেন। আবার জিমেইল ব্যবহারকারীদের মধ্যে বিশাল সংখ্যক জানেন না যে, এই ইমেইলে কতো কিছু লুকিয়ে আছে। যাদের গুগলে ইমেইল অ্যাকাউন্ট নেই তারা আজই এখানকার একজন সম্মানিত সাবস্ক্রাইবার হয়ে যান।
অজানা কিছু তথ্য জিমেইলের অজানা কিছু তথ্য জেনে নিন (Google mail বা Gmail এর কিছু গোপন আকর্ষণ)
Google mail বা Gmail এর কিছু গোপন আকর্ষণঃ
১. জিমেইল ঠিকানায় ডটের কোনো গুরুত্ব নেইকারো জিমেইল ঠিকানায় যদি আপনি ডট দেখেন, তাহলে সে বিষয়ে কোনো গুরুত্ব না দিলেও চলবে। কারো ই-মেইল অ্যাড্রেস যদি হয় bangladesh@Gmail.com তাহলে আপনি তার বদলে লিখতে পারেন bangla.desh@Gmail.com কিংবা আরেকটু বেশি লিখতে চাইলে দিতে পারেন b.a.n.g.l.a.d.e.s.hGmail.com.এতে আপনার ই-মেইল প্রাপকের বিষয়ে কোনো পার্থক্য হবে না।
২. মেইল ফেরত আনুনজিমেইলের বিনামূল্যের অ্যাপ বুমেরাং ব্যবহার করে আপনি এমন একটি ই-মেইল পাঠাতে পারবেন, যা নির্দিষ্ট সময় পরে আপনার ই-মেইলে তা আবার ফেরত আসবে। এজন্য আপনি পছন্দমতো সময়ও নির্দিষ্ট করে দিতে পারবেন। এ সময়ে মেইল প্রাপক সেটি ওপেন না করলে মেইলটি আপনার কাছে ফেরত আসবে।

Gmail Tips Bangle Uncommon or interesting

৩. নির্ণয় করুন আপনার মেইল কে ছড়ায়আপনি যদি মেইলের ভেতর ‘+’ চিহ্ন লেখেন তাহলে সেই মেইলটি ছড়াল কিনা তা নির্ণয় করতে পারবেন। ধরুন, আপনার একটি শপিং ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট করতে হবে। কিন্তু আপনি সেই সাইটটির মাধ্যমে আপনার মেইল স্প্যামারদের কাছে ছড়ায় কি না, তা দেখতে চান, তাহলে মেইলটিতে ‘+’ চিহ্ন ব্যবহার করতে পারেন। যদি আপনার ইমেইলের অ্যাড্রেস হয় bangladesh@Gmail.com তাহলে সেই শপিং ওয়েবসাইটে দেওয়া ইমেইল অ্যাড্রেসে আপনি লিখতে পারেন bangladesh+Shopping@Gmail.com. এরপরও আপনি তাদের মেইল পাবেন, তবে সেখানে আপনার অ্যাড্রেস দেখা যাবে bangladesh+Shopping@Gmail.com. আর আপনি যদি কোনো স্প্যাম মেইলে আপনার ইমেইল ঠিকানা পান bangladesh+Shopping@Gmail.com তাহলে বুঝবেন আপনার ইমেইল ঠিকানাটি ছড়িয়েছে সেই শপিং ওয়েবসাইটটি।
৪. ডেস্কটপেই ইমেইলের নোটিফিকেশনআপনি যদি অনেকবার ইমেইল চেক করেন তাহলে ডেস্কটপেই ইমেইল নোটিফিকেশন গ্রহণ করুন। এতে যখনই কোনো ই-মেইল আসবে তখনই আপনি তা জানতে পারবেন। এছাড়া এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট কোনো লেবেলের ইমেইল ডেস্কটপ নোটিফিকেশন পাওয়াও সম্ভব। এজন্য আপনার ইনবক্সের গিয়ার আইকনে ক্লিক করুন। এরপর সেটিংস-এ ক্লিক করুন। এরপর স্ক্রল করে একেবারে নিচের ডেস্কটপ নোটিফিকেশন-এ ক্লিক করুন।
৫. একসঙ্গে অনেকগুলো ই-মেইল ডিলিট করুনআপনার ই-মেইল ইনবক্সের ভেতর প্রতিটি ইমেইলেরই একটি করে নম্বর আছে। এগুলো ব্যবহার করে একসঙ্গে অনেকগুলো মেইল প্রদর্শন ও ডিলিট করা সম্ভব। যেমন ১ থেকে ২৫ নম্বর মেইল ডিলিট করতে চাইলে শুধু সেগুলোই একটি পেজে প্রদর্শন করুন। তারপর সিলেক্ট অল-এ ক্লিক করে সবগুলো সিলেক্ট করুন। এরপর প্রয়োজনে সেগুলো ট্র্যাশক্যানে ক্লিক করলেই সেগুলো দূর হয়ে যাবে আপনার চোখের সামনে থেকে।
৬. মেইল পাঠানোর পরে তা ‘আনডু’ করাগুরুত্বপূর্ণ একটা মেইল পাঠানোর পর আপনি যদি বুঝতে পারেন, যে সেটি ভুল মানুষের কাছে পাঠিয়েছেন, তাহলে তার মতো বিব্রতকর পরিস্থিতি আর হয় না। তবে এ থেকেও বাঁচতে পারেন, যদি আপনার ‘আনডু সেন্ড’ অপশনটি চালু করা থাকে। এজন্য ‘সেটিংস’ থেকে ‘ল্যাবস’-এ ক্লিক করতে হবে। এরপরসেখানে স্ক্রল করে নিচে নামলে পেয়ে যাবেন ‘আনডু সেন্ড’ অপশনটি। এটি ‘এনাবল’ করার পর ‘সেভ চেঞ্জেস’-এ ক্লিক করতে ভুলবেন না।
৭. ইনবক্স গুছিয়ে রাখতে ব্যবহার করুন ভিন্ন রঙের স্টারজিমেইল ইনবক্সে যদি অনেক ধরনেরমেইল থাকে আর সেগুলো আপনি গুছিয়ে রাখতে চান, তাহলে এভাবে পরিবর্তন করুন। প্রথমেই যান গিয়ার চিহ্নতে। এরপর ‘জেনারেল’ এবং স্ক্রল ডাউন করে ‘স্টারস’ খুঁজে বের করুন। এখান থেকে আপনি নিতে পারবেন ছয়টি ভিন্ন রঙের স্টার ও ছয়টি আলাদা সিম্বল।

Labels:

গুগল গুগলে দ্রুত তথ্য খোজার কিছু ফর্মুলা

প্রতিদিন ইন্টারনেট ব্যবহার করি কিন্তু তথ্য খোজার জন্য গুগল ব্যবহার করি না এমন লোক খুব কম আছে। গুগলে কোন তথ্য খোজ করলে দেখা যায়, আপনার দরকারি তথ্য ছাড়াও আপনার দরকার নেই এমন সব তথ্য এসে যায় বা আপনি যেই তথ্য চাচ্ছেন তা সহজে এবং দ্রুত খুঁজে পাচ্ছেন না। কিন্তু আপনি কিছু ফর্মুলা ব্যবহার করে সহজে আপনার দরকারি তথ্যটি খুঁজে পেতে পারেন।
দ্রুত তথ্য খোজার কিছু ফর্মুলা গুগলে দ্রুত তথ্য খোজার কিছু ফর্মুলা
নিচের ফর্মুলাগুলো ব্যবহার করে সহজে আপনার দরকারি তথ্যটি খুঁজে পেতে পারেন:
ফর্মুলাঃ ১। “link: domain
উদাহরণ: link: www.earntunes.com
কাজ: এই ফর্মুলাটি দিয়ে আপনি সহজে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট অন্য কোন পেজের সাথে যুক্ত আছে তা জানতে পারবেন।
ফর্মুলাঃ ২। “related: domain
উদাহরণ: related: technology.com
কাজ: ফর্মুলাটি দিয়ে আপনি সহজে যেকোনো ওয়েবসাইট-এর সম্বন্ধযুক্ত ওয়েবসাইট খুঁজে পেতে পারেন।
ফর্মুলাঃ ৩। “site: domain
উদাহরণ: site: www.earntunes.com
কাজ: ফর্মুলাটি দিয়ে আপনি সহজে যেকোনো ওয়েবসাইটের কয়টি পেজ  গুগলে ইনডেক্স আছে জানতে পারবেন।
ফর্মুলাঃ ৪। “allinurl:search term
উদাহরণ: allinurl: Bangladesh
কাজ: এই ফর্মুলাটি ব্যবহার করলে, গুগল আপনাকে হুবহু ওই ফলাফল গুলাই দেখাবে, যেগুলার url এ আপনার লিখা সার্চটার্মটি আছে।
ফর্মুলাঃ ৫। “allintitle: search term
উদাহরণ: allintitle: Step By Step SEO Tutorial
কাজ: এই ফর্মুলাটি ব্যবহার করলে, গুগল আপনাকে হুবহু ওই ফলাফল গুলাই দেখাবে, যেগুলার টাইটেলে আপনার লিখা সার্চটার্মটি আছে।
আশা করি ফর্মুলাগুলা আপনাদের কাজে লাগবে। যদি কোন কিছু না বুঝে থাকেন অনুগ্রহ করে কমেন্টে আমাকে জানাবেন।

Labels:

নকল সেলফোন টাওয়ার হতে সাবধান!!! স্বয়ংক্রিয়ভাবে হ্যাক হতে পারে আপনার সবকিছু!

মি মাঝেমাঝে নিজেই আশ্চর্য হয়ে যাই, আরো কতো প্রকারের সিকিউরিটি রিস্ক থাকতে পারে! ২০১৪ সালের একটি রিপোর্ট থেকে জানতে পাড়লাম, স্ক্যামার’রা ফেইক বা নকল সেলফোন টাওয়ারতৈরি করে আপনার সেলফোন থেকে সকল তথ্য যেমন- এসএমএস, ইনকামিং, আউটগোয়িং কল ডিটেইলস, সেলফোন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য় হাতিয়ে নিতে পারে। ব্যাপারটা আমার কাছে অনেক ইন্টারেস্টিং মনে হয়েছে সাথে এই সিকিউরিটি রিস্ক সম্পর্কে আপনাদের বিস্তারিত জানানোর প্রয়োজনীয়তা বোধ থেকে আর্টিকেলটি পাবলিশ করলাম। আপনি কাউকে কল করেন আর অবশ্যই আশা করেন আপনার কলারের কাছেই কলটি পৌঁছাবে এবং আপনাদের কথোপকথন শুধু দুই জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবসত আপনি যদি নকল সেলফোন টাওয়ার থেকে সিগন্যাল গ্রহন করেন, সেক্ষেত্রে আপনার কলের উপর কেউ আড়ি পেতে শুনতে পারবে। কিন্তু ফেইক সেলফোন টাওয়ার কিভাবে সম্ভব? যদি সম্ভব হয়েও থাকে, তো এটি কিভাবে কাজ করে। আর কেই বা এই ধরণের টাওয়ার ব্যবহার করে আপনার ডাটা স্প্যাই করতে পারে? সকল প্রশ্নের উত্তর, এই আর্টিকেলে কভার করেছি…

নকল সেলফোন টাওয়ার

যদি সাধারণভাবে কথা বলি সেলফোন টাওয়ার নিয়ে, তো এটি মূলত একটি এন্টেনা আবার ট্র্যান্সমিটার দুটোই। আপনার সেলফোনেও এন্টেনা এবং ট্র্যান্সমিটার লাগানো থাকে, কিন্তু সেলফোনের এন্টেনা আর ট্র্যান্সমিটার এতোটা শক্তিশালী হয় না, মাত্র কয়েক মিটার দূর পর্যন্তই সিগন্যাল পাঠাতে পারে, তবে এটা কিন্তু সেলফোনের সীমাবদ্ধতা নয়। ইচ্ছা করেই সেলফোনকে এরকম করে ডিজাইন করা হয়, কেনোনা এন্টেনা আর ট্র্যান্সমিটারের সিগন্যালের দূরত্ব বাড়াতে গেলে অনেক পাওয়ারের প্রয়োজন। সেলফোনকে সাধারণত পোর্টেবল হিসেবে ব্যবহার করার জন্য তৈরি করা হয়েছে, আর ব্যাটারি ব্যাকআপ বলেও একটা ব্যাপার থাকে। তাই সেলফোন আলাদা টাওয়ার ব্যবহার করে, বিশেষ করে যেগুলোকে বাড়ির ছাদে বা পাহাড়ের উপর লাগানো থাকে। এই সেলফোন টাওয়ার গুলো আকারে বিশাল দৈত্যাকার হয়ে থাকে এবং অনেক পরিমানে বিদ্যুৎ খরচ করে অনেক শক্তিশালী সিগন্যাল তৈরি করতে পারে।
সেলফোন থেকে সামান্য সিগন্যাল গ্রহন করে সেলফোন টাওয়ার সেগুলোকে অ্যাম্পিফাই করে এবং প্রধান ষ্টেশনে পাঠিয়ে দেয়। তবে প্রথমে কোন সেলফোনকে কোন নির্দিষ্ট অপারেটর সেল টাওয়ার এবং প্রধান ষ্টেশনের সাথে যোগাযোগ করতে পারমিশনের প্রয়োজন হয়। আর এই বিশেষ পারমিশন গ্র্যান্ট করতে সিম কার্ড সাহায্য করে থাকে। সেলফোনে সিম লাগিয়ে ফোন অন করা মাত্র সেলফোন সিম থেকে আইএমএসআই গ্রহন করে এবং তা নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে দেয়—এবং অ্যাক্সেস পাওয়ার জন্য নেটওয়ার্কের কাছে অনুরোধ পাঠায়। নেটওয়ার্ক সেই আইএমএসআই কে গ্রহন করে এবং অ্যথন্টিকেশন কী প্রদান করার জন্য অভ্যন্তরীণ ডাটাবেজ চেক করে। এবার সিম আর নেটওয়ার্কের মধ্যে আরো কিছু “কী” আদান প্রদান করার পরে সিম কার্ড সেলফোনকে টাওয়ার এবং নেটওয়ার্কের সাথে কানেক্টেড করিয়ে দেয়।
কিন্তু এখানে কিছু ব্যাপার রয়েছে, কখনোই কেউ একই নেটওয়ার্কে কানেক্টেড থাকা শর্তেও আপনার কল বা আলাদা তথ্য গুলোকে স্প্যাই করতে পারবে না, কেনোনা সেলফোন নেটওয়ার্ক অবশ্যই এনক্রিপশন ব্যবহার করে। তাহলে কেউ কিভাবে আপনার কল আড়ি পেতে শুনতে পারে? হ্যাঁ, নকল সেলফোন টাওয়ার ব্যবহার করে এরকমটা তখনোই করা সম্ভব হবে, যখন ফেইক টাওয়ারটি অরিজিন্যাল টাওয়ারের অ্যালগরিদমে কাজ করবে। উপরের প্যারাগ্রাফে বর্ণনা করেছি, কিভাবে সেলফোন আর সেল টাওয়ার কানেক্টেড হয়, ফেইক টাওয়ার একই রকমের আচরন করে এবং নিজেকে অরিজিন্যাল টাওয়ার হিসেবে প্রমাণ করানোর চেষ্টা করে। আপনার সিম কার্ড আর ফেইক সেলফোন টাওয়ার একই অ্যালগরিদমে একে অপরের সাথে কথা বলে এবং কী বা অথেনটিকেসন ইনফরমেশন শেয়ার করে। সিম কার্ড এবার ফেইক টাওয়ারকে আসল টাওয়ার মনে করে সেলফোনকে তার সাথে কানেক্টেড করিয়ে দেয়।
এবার নকল টাওয়ার প্রথমে আপনার সেলফোনকে নিজের সাথে কানেক্টেড করে, তারপরে আপনার ফোনের সিগন্যালকে আসল প্রভাইডার টাওয়ারের সাথে কানেক্টেড করিয়ে দেয়, যাতে আপনি বাকি নেটওয়ার্কের সাথে কানেক্টেড থাকতে পারেন এবং ফোন কল বা আলাদা কাজ গুলো চালিয়ে যেতে পারেন। মানে আপনার আসল নেটওয়ার্ক প্রভাইডার আর আপনার সেলফোনের ঠিক মাঝখানে ফেইক টাওয়ার কানেক্টেড হয়ে থাকে। এখন হয়তো আপনি বলবেন, আপনার সেলফোন আসল টাওয়ার থেকে সিগন্যাল না নিয়ে নকল টাওয়ারের সাথে কেন কানেক্টেড হবে? এর কারণ হচ্ছে আপনার সেলফোনের কাজ করার ডিজাইন। আপনার সেলফোনকে এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে এটি সব থেকে কাছের এবং স্ট্রং সেল সিগন্যাল গ্রহন করে কাজ করে। ফেইক টাওয়ারকে এমনভাবে প্রেজেন্ট করা হয়, এটি আসল সেলফোন টাওয়ার থেকেও স্ট্রং সিগন্যাল তৈরি করে, ফলে আপনার ফোন স্বাভাবিক ভাবেই তার সাথে আগে কানেক্ট হওয়ার চিন্তা করে।

নকল সেল টাওয়ার কি করতে পারে?

আপনার ফোন একবার এই ফেইক টাওয়ারের সাথে কানেক্টেড হয়ে গেলে, টাওয়ার আপনার প্রত্যেকটি একটিভিটির উপর স্প্যাইং করতে পারবে। আপনার মেটাডাটা থেকে আরম্ভ করে আপনার কল পর্যন্ত স্প্যাইং করা যাবে। এমনকি আপনাকে নকল টাওয়ার থেকে নকল ম্যাসেজও পাঠানো যাবে, কিন্তু সেটা দেখে মনে হবে আসল। সাথে যেকোনো নাম্বার স্পুফ করে আপনাকে কলও করা যাবে। হয়তো হুবহু আপনার ব্যাংকের কলিং সেন্টার নাম্বার থেকে আপনার কাছে কল আসবে আর আপনার সকল তথ্য গুলোকে হাতিয়ে নেওয়ার হবে। এটা কোন কল্পনা নয়, চায়নাতে এরকম ঘটনার অলরেডি একজন শিকার হয়ে দ্যা ভার্জ ডট কম‘কে রিপোর্ট করেছেন। প্রথমে ব্যাক্তিটির কাছে তার ব্যাংক থেকে ম্যাসেজ আসে এবং পরে সে জানতে পারে তার ব্যাংক তাকে কোন ম্যাসেজ সেন্ডই করে নি। তাকে ম্যাসেজে লিঙ্ক সেন্ড করা হয়েছিলো, আর সেই লিঙ্ক অনুসরণ করে তার $৬৫০ ডলার অ্যাকাউন্ট থেকে হাওয়া হয়ে গিয়েছিলো।
স্ক্যামার’রা একটি ডিভাইজের সাহায্য করে ফেইক সিগন্যাল তৈরি করেছিলো, যেটার সিগন্যাল কোয়ালিটি আসল টাওয়ার থেকে শক্তিশালী ছিল, আর ফোন স্বাভাবিকভাবেই শক্তিশালী সিগন্যালের সাথে কানেক্টেড হয়ে যায়। চায়নার একটি বৃহত্তর মোবাইল সিকিউরিটি ফার্ম ১.২ বিলিয়নের মতো ফেইক ম্যাসেজ ডিটেক্ট করেছিলো যেগুলো নকল টাওয়ার থেকে সেন্ড করা হয়েছিলো। তারা মোটামুটি প্রতিদিন ১৩ মিলিয়ন ফেইক এসএমএস ডিটেক্ট করেছিলো।  এখন আপনি বলবেন, এতো গুলো স্ক্যামিং ম্যাসেজ? শুধু স্ক্যামিং ম্যাসেজ কেন, আপনার কাছে আসল সার্ভিসের ম্যাসেজও আসতে পারে। কেনোনা ম্যাসেজের মাধ্যমে অনেক কোম্পানি তাদের মার্কেটিং করিয়ে থাকে।
তাহলে কি বুঝলেন, কোম্পানিরাও এরকম ফেইক সেল টাওয়ার বসিয়ে তাদের মার্কেটিং চালিয়ে যেতে পারে। সাথে আরো তদন্ত করে খবর পেলার ইউএস গভর্নমেন্ট আর এনএসএ নিজে থেকেই এরকম ফেইক টাওয়ার ব্যবহার করে সন্দেহভাজন কারো কল এবং সকল একটিভিটির উপর নজর রাখে। মানে স্ক্যামার র‍্যাকেট নয়, সরকারও চাইলে এমনটা করতে পারে, এক্ষেত্রে কারো ডিটেইলস পাওয়ার জন্য অপারেটরদের কাছে সরকারের হাত পাতাতে হবে না।

নকল টাওয়ার থেকে কিভাবে নিজেকে রক্ষা করবেন?

ই পয়েন্টে আমি আপনাদের আশ্বাস দেবো বলে ভেবে ছিলাম, যে অন্তত আমাদের দেশে এখনো পর্যন্ত এরকম কিছুর খবর জানতে পারি নি। কিন্তু আরো কিছু অনলাইন রিসার্স করার পরে সমস্ত আশ্বাস আমার কাছেই ফেলে রাখতে হলো। যদিও আসল সেলফোন টাওয়ারের যন্ত্রপাতি অনেক বেশি দামী, আর বিশেষ অর্ডার করার মাধ্যমেই অপারেটর’রা সেগুলোকে বানিয়ে নিয়ে আসে, কিন্তু ফেইক সেলফোন সিগন্যাল তৈরি করা ডিভাইজ সেটআপ করতে মাত্র $৭০০ ডলারের ইনভেস্টই যথেষ্ট, মানে মাত্র ৬০ হাজার টাকার মতো খরচ করে এরকম সিস্টেম সেটআপ করা সম্ভব। আর বুঝতেই তো পাড়ছেন, এ সিস্টেম সেটআপ করা স্ক্যামারদের জন্য কতোটা লাভের কাজ। তারা নিঃসন্দেহে এই সিস্টেম ব্যবহার করে মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, যেকোনো অ্যাকাউন্ট যেটা সেলফোনের সাথে সম্পর্কযুক্ত ব্যাস আরামে  হ্যাক করে নেবে।
আরো অবাক করা কথা জানতে চান? —হ্যাঁ, ফ্ল্যাইং ফেইক সেলফোন টাওয়ারও রয়েছে! মানে একটি ড্রোনকে নকল সেল টাওয়ার বানিয়ে যেকোনো স্থানে পাঠিয়ে সেলফোন থেকে সকল তথ্য হাতিয়ে নেওয়া সম্ভব। তাহলে এখন আপনিই বলুন, যে সিস্টেম সেটআপ করতে মাত্র কয়েক হাজার টাকারই দরকার, সেটা কেন যেকোনো স্ক্যামার র‍্যাকেট সেটআপ করতে চাইবে না?
এখন কথা বলি, এই ফেইক টাওয়ার থেকে বাঁচা যাবে কিভাবে সে প্রসঙ্গে। দেখুন সত্যি কথা বলতে এই সিস্টেম থেকে বাঁচার কোন উপায়ই নেই। একবার যদি ঐ ধরণের কোন সিগন্যালের সাথে কানেক্টেড হয়ে যান, তারা আপনার সকল তথ্য গুলোকে হাইজ্যাক করে নেবে বা উপরের বর্ণিত ব্যাপার গুলো আপনার সাথে ঘটতে পারে। তবে কিছু ব্যাপার রয়েছে যেগুলোর লক্ষন থেকে বোঝা যেতে পারে আপনি ফেইক সেল টাওয়ারের সাথে কানেক্টেড রয়েছেন, তবে ১০০% নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়, অন্তত আপনার সাইড থেকে। ফেইক সেল টাওয়ার গুলোর খুব বেশি ক্যাভারেজ থাকে না, তাই হতে পারে সেটা আপনার আশেপাশে কোথাও থেকেই সিগন্যাল সেন্ড করছে। অনেক ফেইক সেল টাওয়ারের প্রধান ষ্টেশনের সাথে কানেকশন থাকে না, তাই হতে পারে ফেইক সেল টাওয়ারে সাথে কানেক্টেড হওয়ার পরে আপনি যখন কল বা ইন্টারনেট ইউজ করার চেষ্টা করবেন, আপনার কাছে এম্পটি রেসপন্স আসবে। তবে অনেক সময় আপনার আসল নেটওয়ার্কের সমস্যার ফলেও এমনটা হতে পারে। যদি আপনি লক্ষ্য করেন, ফোনে ফুল নেটওয়ার্ক রয়েছে কিন্তু কল কানেক্ট হওয়ার সময় বা কল চলাকালীন সময়ে কথার মধ্যে অনেক ডিলে অনুভব করতে পারেন তো হতে পারে আপনি ফেইক টাওয়ারের সাথে কানেক্টেড রয়েছেন।
ফেইক সেল সিগন্যাল বিশেষ করে ২জি বা ১জি নেটওয়ার্কে বেশি কার্যকারী হয়। কেনোনা ২জি অনেক পুরাতন মোবাইল নেটওয়ার্ক সিস্টেম, এখানে উন্নত এনক্রিপশন বা অ্যালগরিদম নেই, তাই আপনি যদি ২জি ফোন বা স্মার্টফোনেও ২জি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করেন সেক্ষেত্রে সহজেই আপনার ফোন ফেইক সেল টাওয়ারের সাথে কানেক্টেড হয়ে যাবে। ৩জি বা ৪জি নেটওয়ার্কে ফেইক টাওয়ার কানেক্টেড হওয়া একটু মুশকিলের, কেনোনা এই নতুন নেটওয়ার্ক টেকনোলজিতে লেটেস্ট সিকিউরিটি ফিচার রয়েছে।

যেহেতু আপনার সেলফোন সম্পূর্ণ লিগ্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করে ফেইক টাওয়ারের সাথে কানেক্টেড হয়, তাই এক্ষেত্রে বোঝা খুবই মুশকিলের কাজ। যাই হোক, অন্তত আপনি জানলেন এটি কি ধরণের সিস্টেম এবং কিভাবে কাজ করে। যদি সম্ভব হয় ২জি সিগন্যাল ফোনে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে ফেইক টাওয়ারে কানেক্ট হওয়া থেকে বাঁচা যেতে পারে। আশা করছি আর্টিকেলটি অনেক উপকারি ছিল, আপনার যেকোনো প্রশ্নে আমাকে নিচে কমেন্ট করে জানাতে পারেন।


Labels: