Sunday, September 10, 2017

চমৎকার ৩ টি অ্যান্ড্রয়েড পেইড গেম

গেম নিয়ে আলোচনা করব। ভালো কিছু গেম আপনার অবসর সময়ে আপনি কাজে লাগাতে পারেন সময় কাটানোর জন্য। তাই আসুন এরকমি কিছু চমৎকার গেম এর সাথে আজ আমরা পরিচিত হব।
Great Little War Game
গ্রেট লিটল ওয়্যার গেম একটি আধুনিক সামরিক 3D ভিডিও গেম। সাথে আপনি পাবেন মজাদার স্টাইল এবং ফিচার একবার খেললে বারবার আপনার খেলতে মনে হবে। চমৎকার সব ফিচার এর ভিতর আছে
  • ক্যাম্পেইন মোড
  • মাল্টিপ্লেয়ার মোড
  • চারটি সমস্যা সমাধান এর সেটিংস
  • ঘন ভিজ্যুয়াল
  • সংঘর্ষের মোড
  • সম্পূর্ণ 3D
  • নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি খুব সহজ
  • মূল্য $6.82
এছাড়া চমৎকার সব ফিচার দিয়ে গেমটি সাজানো হয়েছে সবার জন্য যা আপনার কাছে খুব ভালো লাগবে
Great Big War Game
বন্ধুরা এখন যে গেমটি আপনাদের সামনে নিয়ে এসেছি সেটা হল গ্রেট বিগ ওয়্যার গেম। এই গেমটি বছরের সেরা (মোবাইল ক্যাটাগরি) গেম হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিল ২০১২ সালে। চমৎকার সব ফিচার দিয়ে গেমটি সাজানো হয়েছে আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে। এর ফিচার গুলো হল
  • গেমার এর জন্য টেম্পল
  • গেমটি ডায়নামোর সাথে দেওয়া
  • অ্যান্ড্রয়েড অথরিটি আছে
  • মূল্য $6.82
বন্ধুরা এছাড়া আরো বেশ কিছু চমৎকার ফিচার রয়েছে গেমটিতে আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে
Bloons T D 5
বন্ধুরা এখন যে গেমটি আপনাদের সামনে নিয়ে আসবো সেটি হল বেলুন্স টি ডি ৫ এই গেমটি খুব অল্প সময়ে সবার কাছে খুব জনপ্রিয় হয়েছে। চমৎকার সব ফিচার দিয়ে গেমটি সাজানো
  • 21 শক্তিশালী টাওয়ার সাথে সক্রিয় ক্ষমতা আধিকারি
  • 40 টার বেশি মিউজিক
  • 10 টি স্পেশাল এজেন্ট
  • 10 টি বিশেষ মিশন
  • 250 টার বেশি এলোমেলো মিশন
  • মূল্য $2.81

Labels:

ইন্টারনেট থেকে যেকোন বিষয় শিখে নেওয়ার পদ্ধতি

ইন্টারনেট হচ্ছে তথ্যের ভাণ্ডার। সকল প্রকার তথ্যই কম বেশি ইন্টারনেটে রয়েছ। আপনি যদি একে সঠিক ব্যবহার করতে পারেন তাহলে আপনার কোন প্রাতিষ্ঠানিক সাহায্য লাগবে না। নিজেই নিজের শিক্ষক হয়ে শিখে নিতে পারবেন সব কিছু। এ পদ্ধতি যেকোনো বিষয় শেখার জন্যই কাজে দিবে। এবং আপনি যদি কোন প্রতিষ্ঠান থেকে কোন বিষয় শিখতে থাকেন আপনি ও এ পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন কারণ তাতে আপনার জ্ঞান অনেক বাড়বে। এবং এটা সম্পূর্ণ ফ্রি। ফ্রি বলতে পুরোই ফ্রি। তবে আপনার মাসিক ইন্টারনেট বিল ছাড়া। আমি জানি না দক্ষরা কিভাবে শিখে। তবে আমি এ পদ্ধতি অনুসরণ করি।
আমার ভাষা বাংলা। তাই প্রথমে কোন বিষয় সম্পর্কে জানার জন্য ঐ বিষয়ের উপর বাংলা কোন কন্টেন্ট আছে কিনা তা দেখে নি গুগল এর সাহায্যে। যেমন C এর জন্য লিখি ‘C টিউটোরিয়াল‘, ‘বাংলায় সি‘, অথবা শুধু ‘সি‘ ইত্যাদি। আবার PHP এর ক্ষেত্রে লিখি ‘PHPটিউটোরিয়াল‘, ‘বাংলায় পিএইচপি‘, অথবা শুধু ‘পিএইচপি ইত্যাদি। জানি এখনো বাংলায় এত বেশি কন্টেন্ট নেই। তবে যা আছে তাকে এত অবহেলা করার ও কারণ নেই। আপনি যদি আজ পাইথন প্রোগ্রামিং শুরু করতে চান বা জানতে চান পিএইচপি কি তাহলে অনেক কাজে দিবে এ বাংলাটা। কারণ এসব নিয়ে ইংরেজি টিউটোরিয়াল খুঁজে আপনি কোন কিনারা করতে পারবেন না। আর যদি আপনার ঐ কাঙ্ক্ষিত বিষয় সম্পর্কে কোন বাংলা কন্টেন্ট না থাকে তাহলে আপনি হয়ে যেতে পারেন পাইওনিয়ার বা অগ্রদূত। কিভাবে জানেন? নিজে নিজে ইংরেজি থেকে শিখে লিখে পেলেন বাংলা কিছু টিউটোরিয়াল। আপনার পরবর্তী প্রজন্ম আপনাকে সম্মানের সাথে মনে করবে। এবং ঐ সম্মানটা একদম অন্তর থেকে পাবেন। পুরো খাটি। আপনার হয়তো শুনলে হাসি আসবে যে, সার্চ করে কোন তথ্য বের করার ক্ষমতা ও একটা আর্ট, একটা ক্ষমতা, অনেকেরই এ ক্ষমতা নেই। অনেককেই বলতে শুনবেন দোস্ত আমি এটা খুঁজে পাচ্ছি না, আমাকে একটু খুঁজে দিবি, তখন আপনি দেখবেন আপনি সার্চ করে ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই বের করে দিতে পেরেছেন । হ্যাঁ অনেকেরই এ ক্ষমতা নেই। তাই আপনাকে আগে জানতে হবে কিভাবে সার্চটা করবেন। কিভাবে আপনার কাঙ্ক্ষিত তথ্য খুঁজে বের করবেন ইন্টারনেট/ওয়েবের এই বিশাল রাজত্ব থেকে। আমি জানি আপনি পারবেন, পারতেই হবে।। আপনি যদি সার্চ করে মোটামুটি কিছু তথ্য পেয়ে যান তা পড়তে থাকুন। না বুঝলে ও পড়তে থাকুন। আর তা নিয়েই চিন্তা করুন সব সময়, কি পড়ছেন ঐটা কি, ঐ টা দিয়ে কি করে আমি কেন শিখব আগেই এসব বিষয় জেনে নিন। তাহলে আগ্রহ বাড়বে। আর না হয় আপনি হতাশ হয়ে যাবেন।

আচ্ছা, তা হোক আপনার বন্ধুদের থেকে বা হোক কোন বাংলা ব্লগ থেকে। আপনি এখন একটা বিষয় সম্পর্কে মোটামুটি জানেন, ঐ বিষয় সম্পর্কে আরো বেশি জানতে চান, বাংলায় আর কোন কন্টেন্ট নেই। আপনার বন্ধুদের কেউ জানে না ভালো। বা জানলে ও বেশি জানে, তাদের সময় নেই আপনাকে দেখিয়ে দেওয়ার। তাহলে আপনাকে কি করতে হবে জানেন? পরিশ্রম করার পরিমাণটা বাড়িয়ে দিতে হবে। কিভাবে শেখা যায় তা নিয়েই ভাবতে হবে। এবার ইংরেজিতে ঐ বিষয় সম্পর্কে কন্টেন্ট খুঁজুন। সর্ব প্রথম উইকিপিডিয়াতে দেখতে ভুলবেন না। উইকিপিডিয়ার নিছের দিকে দেখবেন ঐ রিলেটেড অনেক গুলো রেফারেন্স লিঙ্ক দেওয়া রয়েছে। ঐ গুলো প্রত্যেকটা ভিজিট করুন। শেখার পেছনে সময় দিতে একটুও কার্পণ্য করবেন না, একটু ও না। আপনার সময়ের দাম যত বেশি হোক না কেন।
প্রতিটি বিষয়ের ই বিশদ বর্ণনা রয়েছে ইন্টারনেটে, বিশেষ করে প্রোগ্রামিং রিলেটেড টপিকস গুলো। যেমন PHP এর প্রধান ওয়েব সাইটে Documentation নামে একটা লিঙ্ক রয়েছে যা একদম পরিপূর্ণ। Java এর জন্য রয়েছে বিশাল টিউটোরিয়ালের সম্ভার Oracle এর ওয়েব সাইটে। Python এর জন্য তাদের টিউটোরিয়াল গুলো দেখতে কিন্তু একদম ভুললে চলবে না। MySQL এর জন্য MySQL Documentation.  Microsoft এর সকল ডেভেলপিং টুলস এর জন্য রয়েছে বিশাল টিউটোরিয়াল লাইব্রেরী যা খুব ছোট ছোট পার্টে করে সুন্দর ভাবেই তৈরি করা। তাছাড়া তাদের ডেভেলপিং টুলস এর সাথে অফলাইন টিউটোরিয়াল ও দেওয়া থাকে। এরকম সব গুলো বিষয়ের জন্যই রয়েছে অনেক পরিপূর্ণ টিউটোরিয়াল গাইড। এগুলো হচ্ছে আপনার হাতিয়ার। আপনাকে এসবের ব্যবহার সম্পর্কে জানতে হবে। আসলে প্রথমে আপনাকে শিখতে হবে কিভাবে শেখা যায়। তার পর ই শিখতে শুরু করুন। আপনি যদি নাই জানেন কিভাবে শিখব তাহলে শিখবেন কিভাবে? যারা একটা বিষয় পারে তাদের কাছে গিয়ে “ভাইয়া আমাকে এটা একটু শিখান প্লিজ” না বলে ভাইয়া আমি এটা কিভাবে শিখব বা কিভাবে শুরু করব। আর তাই আপনার জন্য ভালো হবে।
এলগোরিদম একটি নির্দিষ্ট বিষয় নয়। এটা অনেক বিশাল একটা বিষয়। তার এটার জন্য আপনাকে ঘাটতে হবে অনেক। জানতে হবে অনেক। তেমনি ডাটা স্ট্রাকচার। অনেক গুলো বিষয় মিলেই এসব বিষয় তৈরি। তাই প্রথম প্রথম এসব বিষয় সম্পর্কে না জানলে ও ক্ষতি নেই। আস্তে আস্তেই জানতে পারবেন। তবে অবশ্যই আপনাকে দৌড় এর মধ্যে থাকতে হবে, আর দৌড়টা হতে হবে জ্ঞানের জন্য। এই দুটি বিষয়ের জন্য উইকিপিডিয়া ঘাটতে হবে ভালো করে। আর বই এর বিকল্প কিছুই নেই। যেকোনো একটা বিষয়ের জন্য একটা বই ফলো করতে ভুলবেন না।
আচ্ছা, আপনি যদি টিউটোরিয়াল, ডকুমেন্টেশন পড়ে কিছু না বুঝেন কিন্তু আপনি ঐ বিষয় সম্পর্কে জানতে খুবি আগ্রহী। তাহলে কি করবেন জানেন? ইউটিউব এ ভিজিট করুন। আপনার কাঙ্ক্ষিত বিষয়, যেটা আপনি শিখতে চান তা লিখে সার্চ করুন। দেখবেন অনেক গুলো ভিডিও রয়েছে ঐ সম্পর্কিত। তারা আপনার জন্য কষ্ট করে ভিডিও তৈরি করে রাখছে আপনি শিখবেন বলে। ভিডিও দেখুন বসে বসে। হ্যাঁ, এটা ঠিক কিছুদূর দেখার পর আপনার ঘুম আসবে কিছু না বুঝলে। জোর করে দেখুন। না বুঝলেও দেখুন। পরে টের পাবেন কি উপকারটাই না আপনার হয়েছে। সবচেয়ে ভালো হয় যদি টিউটোরিয়াল এবং ভিডিও এক সাথে ফলো করেন।
শেষ বুদ্ধি হচ্ছে চুরি করা!! কিছু কিছু ভালো টিউটোরিয়াল রয়েছে ইন্টারনেটে। যে গুলো অনেক ইফেক্টটি-ভ। রয়েছে কিছু দামী বই। কিন্তু অনেক দাম দিয়ে কিনতে হয়। আপনি কি করবেন তখন? যেমন Lynda  কম্পিউটার শেখা, প্রোগ্রামিং, ওয়েব প্রোগ্রামিং সহ কয়েক হাজার টিউটোরিয়াল রয়েছে এদের। টিউটোরিয়াল গুলো অনেক ইনফরমেটিভ। আমি নিজে অনেক আগ থেকেই এদের ভক্ত। আপনি যদি নিজে নিজে শিখতে চান কোন বিষয় তাহলে এদের টিউটোরিয়াল গুলো দেখতে পারেন। কিন্তু কিভাবে দেখবেন, এদের টিউটোরিয়ালের জন্য তো অনেক টাকা গুণতে হবে। এ জন্য আপনাকে চুরি করা শিখতে হবে। আপনার মত জন দরদী অনেকেই এদের ভিডিও গুলো কিনে দেখে অনলাইনে অন্যদের জন্য আপলোড করে দেয়। এখন আপনাকে ঐ ভিডিও গুলো খুঁজে বের করা শিখতে হবে। তার জন্য টরেন্ট সাইট গুলো অনেক কাজে দেয়। পাইরেট বে অনেক কাজের এসব ক্ষেত্রে। শেখার ক্ষেত্রে একটু একটু চুরি করে পরে ভালো হয়ে গেলেই হবে :) বা পরে ওদেরকে কিছু দান করে দিবেন।। আমি অনেক গুলো কম্পিউটারের সিডির দোকানে এদের টিউটোরিয়াল গুলোর সিডি/ডিভিডি দেখেছি, স্বল্প মূল্যে ঐ গুলো কিনে এনে বাসায় বসে দেখেতে পারেন। আর বই, বই সবচেয়ে সহজ লভ্য। বই পড়তে একটুও কার্পণ্য করবেন না। বই কিনতে না পারলে ইন্টারনেট থেকে PDF নামিয়ে পড়ুন। কোন বই লাগলে খুঁজে না পেলে আমাকে জানাতে পারেন, আমি যদি পারি খুঁজে দেওয়ার চেষ্টা করব। আর বাংলাতেও কিছু কিছু ভালো টিউটোরিয়ালের ভিডিও রয়েছে। ৩০০ -৫০০ টাকা দিয়ে প্রতিটি প্যাকেজ কিনতে পাওয়া যায়। একটু ব্যয় করুন না। ভালোই হবে। অন্তত সময় বাঁচবে অনেক। আপনি যদি কোন ভালো জায়গায় শিখতে চান তারা আপনাকে শুধু গাইড লাইন দেখাবে কি ভাবে কির করতে হবে। তাই আপনি ওদের কেন মিথ্যে মিথ্যে অনেক গুলো টাকা দিতে যাবেন? ইন্টারনেট এর সঠিক ব্যবহার করতে জানলেই হলো। আমি জানিনা এর থেকে ভালো কোন শিক্ষক আছে কিনা। একটা বাজে নীতি জেনে রাখুন। উপরে আল্লাহ, নিচে গুগল। কোন কিছুর দরকার হলে আল্লাহর কাছে চাওয়ার পাশা পাশী গুগলেও সার্চ করুন। পেয়ে যাবেন। আর আবারও বলি সার্চ করতে শিখুন। ভবিষ্যতে ফ্রীল্যান্সার হতে চাইলে অনেক কাজে দিবে।

Labels:

রাউটার কোথায় রাখবেন ?

সবাই কেমন আছেন । অাশা করি ভাল । আপনাদের জন্য আজ নিয়ে এলাম একটি নতুন টিউন । আশা করি ভাল লাগবে। রাউটার থেকে যত দূরে যাবেন, সিগন্যাল ততই দুর্বল হতে থাকবে। স্বাভাবিক। বাড়ির নির্মাণকৌশল, রাউটারের মান, ইন্টারনেট সেবাদাতা—এ সবকিছুর ওপরেই ওয়াইফাই সংযোগ নির্ভর করে। তবে এগুলো বাদ দিলেও আপনার রাউটারটির অবস্থানের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে। লেখার বাকি অংশে তা-ই দেখানোর চেষ্টা করছি।
মাঝখানে রাখুন: রাউটারটি কোথায় রাখছেন, সেটাই বড় কথা। পুরো বাড়িতে সিগন্যালের ভারসাম্য বজায় রাখতে যতটা সম্ভব মাঝখানে রাখার চেষ্টা করুন। আরেকটি কথা, রেডিও তরঙ্গ সবদিকে ছড়িয়ে গেলেও ঝোঁকটা থাকে মাটির দিকে। একতলা বাড়িতে সম্ভব হলে ছাদের সঙ্গে ঝুলিয়ে এবং দোতলা বাড়ির ক্ষেত্রে ওপরের তলায় রাখুন।
পুরু বাধা এড়িয়ে চলুন: ওয়াইফাই সিগন্যাল দেয়াল ভেদ করে যেতে পারে। কিন্তু এটাও মাথায় রাখতে হবে যে কংক্রিটের দেয়াল যত পুরু, সিগন্যাল তত দুর্বল। দেয়ালের মতোই বড় অ্যাকুরিয়ামও তরঙ্গ শুষে নেয়। ধাতব পদার্থ এবং আয়না তরঙ্গ প্রতিফলিত করে, সেটাও একটা সমস্যা।
রান্নাঘর থেকে দূরে: ওয়াইফাই এবং মাইক্রোওয়েভ একই তরঙ্গদৈর্ঘ্যে চলে। যা বাধা সৃষ্টি করে। রান্নাঘরে বসে তাই ভালো সিগন্যাল পাওয়ার আশা না করাই ভালো। ফ্রিজ, স্টোভ এবং অন্যান্য ধাতব তৈজসপত্র হয় তরঙ্গের প্রতিফলন করবে, নয়তো বাধা সৃষ্টি করে। আর তাই রান্নাঘরে রাউটার রাখাও কোনো বুদ্ধিমানের কাজ না। কর্ডলেস ফোনের জন্যও একই কথা প্রযোজ্য।
অ্যানটেনা ঘুরিয়ে দেখুন: ম্যাকগাইভার কিংবা টিপু সুলতান দেখার জন্য টিভি অ্যানটেনার এদিক-ওদিক ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে পরিষ্কার ছবি পাওয়ার যে চেষ্টা, ওয়াইফাই রাউটারের অ্যানটেনা নিয়ে ঠিক তা-ই করতে হবে। অফিস কিংবা বাড়ির একাধিক তলার মধ্যে সিগন্যাল ছড়িয়ে দিতে চাইলে অ্যানটেনা অনুভূমিক অবস্থানে রাখুন। একই তলায় সর্বোচ্চ দূরত্বে পৌঁছে দিতে চাইলে উল্লম্ব অবস্থানে রাখতে হবে।

Labels:

Sunday, September 3, 2017

মানব দেহের মজার তথ্য

১. একজন মানুষের রক্তের পরিমাণ তার মোট ওজনের ১৩ ভাগের এক ভাগ। অর্থাৎ ৬৫ কেজি ওজন মানুষের রক্তের পরিমাণ হল ৫ কেজি।
২. দেহে অক্সিজেন সরবরাহকারী লোহিত রক্ত কণিকার পরিমাণ ২৫০০ কোটি এবং এরা ৪ মাস বাঁচে।
৩. রোগ প্রতিরোধকারী শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যা ২৫০ কোটি এবং এরা মাত্র ১২ ঘন্টা বাঁচে।
৪. দেহের সব শিরাকে পাশাপাশি সাজালে দেড় একর জমির প্রয়োজন হবে।
৫. একজন মানুষের স্নায়ুতন্ত্র এত লম্বা যে তা দিয়ে পৃথিবীকে ৭ বার পেঁচানো যাবে।
৬. কোন অনুভূতি স্নায়ুতন্ত্রের মধ্য দিয়ে ঘন্টায় ২০০ মাইল বেগে প্রবাহিত হয়।
৭. দেহে ও মনে অনুভূতি আসলে তা মস্তিষ্কে পৌঁছতে ০.১ সেকেন্ড সময় লাগে।